Dhaka ১১:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬, ১২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
তারেক রহমানের উন্নয়ন-দৃষ্টিভঙ্গি বাস্তবায়নে চীন ‘বিশ্বস্ত বন্ধু’ হয়ে থাকবে : হুমায়ুন কবির বিশ্বকাপ ঘিরে সাইবার প্রতারণা, সতর্ক করল ক্যাসপারস্কি রাবেয়া-কাদের স্মৃতি পাঠাগারের উদ্যোগ: ওরা অকারণে নাটকের কুশীলবদের সংবর্ধনা নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে গোল’ দেওয়া সেই ঐতিহাসিক বল অভিনয়ে নয়, নিজের বায়োপিকে ফিরতে চান পপি সেই মিন্নির কারাজীবনের অজানা অধ্যায় সামনে এলো বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ সংখ্যক লাল কার্ড দেখেছে ব্রাজিল মালয়েশিয়া ও চীন সফর শেষে দেশে ফিরলেন প্রধানমন্ত্রী রাম মন্দিরে দানের কোটি কোটি রুপি আত্মসাৎ, ভারতজুড়ে তোলপাড় রাজধানীর আজিজ সুপার মার্কেট থেকে নারী চিকিৎসকের মরদেহ উদ্ধার

নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে গোল’ দেওয়া সেই ঐতিহাসিক বল

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬
  • / 4

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বমঞ্চ মাতানো ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সাক্ষী ফুটবলটি এবার নিলামে উঠতে যাচ্ছে। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও স্মরণীয় সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের বলটির আকাশচুম্বী দাম মিলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘হেরিটেজ অকশনস’ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, ঐতিহাসিক এই বলটির প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। তবে নিলামকারীদের ধারণা, ফুটবল স্মারক সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান হওয়ায় বলটির চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য ২০২২ সালে নিলাম হওয়া ম্যারাডোনার সেই ম্যাচের জার্সির দামকে (৯২ লাখ ডলার বা প্রায় ১১৪ কোটি টাকা) স্পর্শ করতে পারে।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা অবিস্মরণীয় ও আলোচিত দুটি গোল করেন। ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল ছাড়াও তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে আরেকটি গোল করেন, যা গোল অব দ্য সেঞ্চুরি নামে পরিচিত। কাতার বিশ্বকাপের সময় সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরিহিত জার্সি নিলামে তোলা হয়। এবার জার্সির মতো ম্যাচের বলটিও নিলামে উঠতে যাচ্ছে।

হেরিটেজের বিশেষজ্ঞ নিলামকারী মাইক প্রোভেনজাল রয়টার্সকে বলেন, এই বলটির সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের জন্য সরাসরি তুলনাযোগ্য কোনো উদাহরণ নেই। এটি সত্যিকারের এক এবং অদ্বিতীয় একটি সংগ্রহযোগ্য বস্তু। আবার এটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবল স্মারক হিসেবে যুক্তি দেওয়া যায়।

বিশ্বকাপের সময় কেন এসব স্মরণীয় সামগ্রী বিক্রি করা হয় সেটি জানিয়ে প্রোভেনজাল বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই ক্রীড়া সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর বাজারকে পরিচালিত করে। মূলত এখান থেকে এই বাজারের সূচনা এবং এখানে সংগ্রাহকের সংখ্যা অত্যন্ত বড়। সেই সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছেও।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আধুনিক ক্রীড়া স্মারকের বাজারে বর্তমানে বড় পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে ‘ট্রেডিং কার্ডের’ ক্ষেত্রে। ফুটবল বিশ্বের বর্তমান তারকা লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং কিলিয়ান এমবাপের কার্ডগুলোর এখন অবিশ্বাস্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে। চলমান টুর্নামেন্টগুলোতে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ওপরও এই স্মারকগুলোর বাজারমূল্য অনেকখানি নির্ভর করে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নিলামে উঠছে ম্যারাডোনার ‘হাত দিয়ে গোল’ দেওয়া সেই ঐতিহাসিক বল

প্রকাশের সময় : ১০:১০:৫১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ জুন ২০২৬

১৯৮৬ সালের বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে বিশ্বমঞ্চ মাতানো ডিয়েগো ম্যারাডোনার সেই বিখ্যাত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোলের সাক্ষী ফুটবলটি এবার নিলামে উঠতে যাচ্ছে। ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ও স্মরণীয় সেই কোয়ার্টার ফাইনাল ম্যাচের বলটির আকাশচুম্বী দাম মিলবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

নিলাম পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘হেরিটেজ অকশনস’ বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে, ঐতিহাসিক এই বলটির প্রাথমিক মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৫ লাখ মার্কিন ডলার, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৩০ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। তবে নিলামকারীদের ধারণা, ফুটবল স্মারক সংগ্রাহকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান হওয়ায় বলটির চূড়ান্ত বিক্রয়মূল্য ২০২২ সালে নিলাম হওয়া ম্যারাডোনার সেই ম্যাচের জার্সির দামকে (৯২ লাখ ডলার বা প্রায় ১১৪ কোটি টাকা) স্পর্শ করতে পারে।

১৯৮৬ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোয়ার্টার ফাইনালে ম্যারাডোনা অবিস্মরণীয় ও আলোচিত দুটি গোল করেন। ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল ছাড়াও তিনি ইংল্যান্ডের পাঁচজন ডিফেন্ডার ও গোলরক্ষককে বোকা বানিয়ে আরেকটি গোল করেন, যা গোল অব দ্য সেঞ্চুরি নামে পরিচিত। কাতার বিশ্বকাপের সময় সেই ম্যাচে ম্যারাডোনার পরিহিত জার্সি নিলামে তোলা হয়। এবার জার্সির মতো ম্যাচের বলটিও নিলামে উঠতে যাচ্ছে।

হেরিটেজের বিশেষজ্ঞ নিলামকারী মাইক প্রোভেনজাল রয়টার্সকে বলেন, এই বলটির সম্ভাব্য বিক্রয়মূল্য নির্ধারণের জন্য সরাসরি তুলনাযোগ্য কোনো উদাহরণ নেই। এটি সত্যিকারের এক এবং অদ্বিতীয় একটি সংগ্রহযোগ্য বস্তু। আবার এটি বিশ্বের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ফুটবল স্মারক হিসেবে যুক্তি দেওয়া যায়।

বিশ্বকাপের সময় কেন এসব স্মরণীয় সামগ্রী বিক্রি করা হয় সেটি জানিয়ে প্রোভেনজাল বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রই ক্রীড়া সংগ্রহযোগ্য সামগ্রীর বাজারকে পরিচালিত করে। মূলত এখান থেকে এই বাজারের সূচনা এবং এখানে সংগ্রাহকের সংখ্যা অত্যন্ত বড়। সেই সংখ্যা দ্রুতগতিতে বাড়ছেও।’

তিনি আরও উল্লেখ করেন, আধুনিক ক্রীড়া স্মারকের বাজারে বর্তমানে বড় পরিবর্তন এসেছে, বিশেষ করে ‘ট্রেডিং কার্ডের’ ক্ষেত্রে। ফুটবল বিশ্বের বর্তমান তারকা লিওনেল মেসি, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এবং কিলিয়ান এমবাপের কার্ডগুলোর এখন অবিশ্বাস্য মূল্য পাওয়া যাচ্ছে। চলমান টুর্নামেন্টগুলোতে ফুটবলারদের পারফরম্যান্সের ওপরও এই স্মারকগুলোর বাজারমূল্য অনেকখানি নির্ভর করে।