সৌদি আরবের বিপক্ষে বড় জয়ে শিরোপার লড়াইয়ে ফিরল স্পেন
- প্রকাশের সময় : ১১:৩৬:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
- / 6
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩ গোলসহ মোট ৪টি গোল আদায় করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তে শিষ্যরা।
এবারের বিশ্বকাপে ফেভারিট দলগুলোর তালিকায় শীর্ষেই আছে স্পেন। শিরোপার অন্যতম দাবিদার তারা। তবে আসরের শুরুটা তাদের ভালো হয়নি। কেপ ভার্দের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করে ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নরা।
তবে ঘুরে দাঁড়াতে দেরি হয়নি। রোববার সৌদি আরবের বিপক্ষে দুর্দান্ত জয় তুলে নিয়েছে দলটি। যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় ম্যাচের প্রথমার্ধেই ৩ গোলসহ মোট ৪টি গোল আদায় করে নিয়েছে লুইস দে লা ফুয়েন্তে শিষ্যরা।
প্রথম ম্যাচে গোল না আসায় খানিকটা চাপ ছিল। নকআউটে যাওয়ার সমীকরণ কঠিন হয়ে উঠে। ফলে সৌদি আরবের বিপক্ষে ম্যাচটা বেশ গুরুত্বের সাথেই নেয় স্পেন। শক্তিশালী একাদশ গঠন করেন স্পেন কোচ।
কেপ ভার্দের বিপক্ষে শুরুতে মাঠে নামতে পারেননি, শেষ ২০ মিনিট মাঠে থাকলেও তেমন কিছু করতে পারেননি লামিনে ইয়ামাল।
কিন্তু আজকের ম্যাচের শুরুতেই দুর্দান্ত এক গোলে স্পেনকে এগিয়ে দেন লামিনে ইয়ামাল। বিশ্বকাপের ইতিহাসে নিজের প্রথম গোলের দেখা পেয়ে যান তিনি। সেই সাথে গড়েন দারুণ এক রেকর্ড।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে ১৮ বছর বা তার কম বয়সী খেলোয়াড় হিসেবে ম্যাচের প্রথম গোল করার কীর্তি ছিল কেবল পেলের। ১৯৫৮ বিশ্বকাপে ওয়েলসের বিপক্ষে মাত্র ১৭ বছর বয়সে গোলটি করেন তিনি।
দীর্ঘ ৬৮ বছর পর ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তির সেই অনন্য রেকর্ডে ভাগ বসালেন ১৮ বছর বয়সী ইয়ামাল। নিঃসন্দেহে যা তাকে আরো অনুপ্রাণিত করবে।
আটলান্টায় সেই গোলের পর সৌদি আরবকে আরো চেপে ধরে ‘লা রোজা’রা। দ্বিতীয় গোল আসতে দেরি হয়নি, ২১ মিনিটে জটলার ভেতর থেকে জালের দেখা পান মিকেল ওইয়ারসাবাল।
তৃতীয় গোল আসতে খুব বেশি সময় লাগেনি। পরের গোলদাতাও মিকেল ওইয়ারসাবালও। ২৪ মিনিটে দানি ওলমোর মাথা ছুয়ে বল চলে আসে তার কাছে। যা জালে জড়াতে ভুল হয়নি।
২৫ মিনিটের মাঝে ৩ গোল করে আরো আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে স্পেন। যদিও প্রথমার্ধে আর গোল আসেনি। ৩-০ ব্যবধান ধরে রেখে বিরতিতে যায় দলটি।
বিরতির পরপর একাদশে পরিবর্তন আনেন স্পেন কোচ। তুলে নেন দুই গোলদাতা লামিনে ইয়ামাল ও মিকেল ওইয়ারসাবালকে। ৬১ মিনিটে তুলে নেন দানি ওলমোকেও।
তবে এর মাঝেই আরো একটা গোল পেয়ে যায় ইউরো চ্যাম্পিয়নরা। তবে গোলটি ছিল আত্মঘাতী। ৪৯ মিনিটে মার্ক কুকুরেয়ার ভলি সৌদি গোলরক্ষক ফিরিয়ে দিলেও হাসান আল তামবাকতির গায়ে লেগে তা জড়ায় জালে।
এরপর আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণ চললেও কোনো দল আর গোলের দেখা পায়নি। স্পেন অবশ্য যোগ করা সময়ের জালের দেখা পেয়েছিল। ৯২ মিনিটে পেদ্রো পোরোর ক্রসে বল জালে পাঠান ফেরান তোরেস।
তবে ভিএআরে সেই গোল অফসাইডের ফাঁদে বাতিল হয়। তবে কাঙ্ক্ষিত জয় পেতে কোনো সমস্যাই হয়নি।
এই ম্যাচের পরিসংখ্যানে স্পেনের আধিপত্য ছিল চোখে পড়ার মতো। ৬৯ শতাংশ সময় বল নিজেদের কাছে রেখে তারা ২০টি শট নেয়। যা ৯টি ছিল লক্ষ্যে। যেখানে সৌদির শট ছিল মাত্র ৩টি ও লক্ষ্যে ছিল ১টি।

























