Dhaka ০৬:০৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬, ২৭ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নওগাঁর পত্নীতলায় ১৪ বিজিবির উদ্যোগে ফ্রিল্যান্সিং ও কম্পিউটার প্রশিক্ষণের সনদ বিতরণ কালুখালীতে চাঁদা না পেয়ে ব্যবসায়ীর গাইড ওয়াল ভাঙচুরের অভিযোগ চিত্রনায়ক সালমান শাহর লাশ কবর থেকে উত্তোলনের নির্দেশ হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, প্রাণহানি বেড়ে ৬৩৯ গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কালুখালীতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত আজকের ই-পেপার (১০ জুন ২০২৬) ভোলার আলোচিত হত্যা মামলার প্রধান দুই আসামি ঢাকায় গ্রেফতার আদ-দ্বীন গল্প-কাহিনী লিখেছে, তাদের জবাবে সন্তুষ্ট নই : স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিল্প-সংস্কৃতি শিক্ষায় ৫০-৬০ হাজার নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে : ববি হাজ্জাজ ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় লজিস্টিকস সহায়তার আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কালুখালীতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬
  • / 30

“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রশাসন, কালুখালীর ব্যবস্থাপনায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজ পারভীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আশিক উন নবী তালুকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস্ সাদাত মাহমুদ উল্লাহ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান এবং কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল।

কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, উন্নয়নকর্মী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং গ্রামীণ পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সহজ হবে।

তারা আরও বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে আরও বেশি অবহিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সম্প্রসারণে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

কর্মশালায় গ্রাম আদালতকে জনগণের দোরগোড়ায় আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

গ্রাম আদালত সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে কালুখালীতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত

প্রকাশের সময় : ০৪:১৪:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জুন ২০২৬

“অল্প সময়ে, স্বল্প খরচে সঠিক বিচার পেতে চলো যাই গ্রাম আদালতে”— এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে রাজবাড়ীর কালুখালী উপজেলায় গ্রাম আদালত সম্পর্কে ব্যাপক জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসমূহের অংশগ্রহণে একটি সমন্বিত পরিকল্পনা প্রণয়ন বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (১০ জুন) সকাল ১১টা থেকে উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে দিনব্যাপী এ কর্মশালার আয়োজন করে বাংলাদেশ গ্রাম আদালত সক্রিয়করণ (তৃতীয় পর্যায়) প্রকল্প। স্থানীয় সরকার বিভাগের অধীনে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রশাসন, কালুখালীর ব্যবস্থাপনায় প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

কালুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেজবাহ উদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আফরোজ পারভীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. আশিক উন নবী তালুকদার, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) শামস্ সাদাত মাহমুদ উল্লাহ, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান এবং কালুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মোস্তফা কামাল।

কর্মশালায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, গণমাধ্যমকর্মী, উন্নয়নকর্মী এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।

বক্তারা বলেন, গ্রাম আদালত স্থানীয় পর্যায়ে ছোটখাটো দেওয়ানি ও ফৌজদারি বিরোধ দ্রুত, সহজ ও স্বল্প ব্যয়ে নিষ্পত্তির একটি কার্যকর ব্যবস্থা। সাধারণ মানুষের মধ্যে এ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে আদালতের ওপর চাপ কমবে এবং গ্রামীণ পর্যায়ে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা সহজ হবে।

তারা আরও বলেন, গ্রাম আদালতের কার্যক্রম সম্পর্কে জনগণকে আরও বেশি অবহিত করতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমের সমন্বিত উদ্যোগ প্রয়োজন। পাশাপাশি গ্রাম আদালতের কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতা সম্প্রসারণে অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরেন।

কর্মশালায় গ্রাম আদালতকে জনগণের দোরগোড়ায় আরও কার্যকর ও গ্রহণযোগ্য করে তোলার লক্ষ্যে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।