ফায়ার সার্ভিসের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা চলমান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
- প্রকাশের সময় : ০৩:২৯:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬
- / 17
ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের সক্ষমতা বাড়াতে সরকার বিভিন্ন উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে পাসিং আউট প্যারেড ও পদক প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, সারাদেশে নতুন ফায়ার স্টেশন নির্মাণ, অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহ, জনবল বৃদ্ধি, ডুবুরি ইউনিট সম্প্রসারণ এবং আধুনিক প্রশিক্ষণ সুবিধা গড়ে তোলার কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ফায়ার সার্ভিস একটি সেবাধর্মী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঝুঁকি নিয়ে মানুষের জানমাল রক্ষায় কাজ করছে এবং এটি জনগণের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠেছে।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন, অগ্নিকাণ্ড, সড়ক দুর্ঘটনা, বন্যা, ভবনধস ও ভূমিকম্পের ঝুঁকি বাড়ায় ফায়ার সার্ভিসের গুরুত্ব দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ কারণে বাহিনীর জন্য আধুনিক প্রযুক্তি, প্রশিক্ষিত জনবল ও পর্যাপ্ত সরঞ্জাম নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।
তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ৫৩৮টি ফায়ার স্টেশন রয়েছে, তবে তা চাহিদার তুলনায় যথেষ্ট নয়। এ জন্য ২০টি ফায়ার স্টেশন নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণ প্রকল্প চলমান রয়েছে। পাশাপাশি ১০০টি অ্যাম্বুলেন্স সংগ্রহের কার্যক্রমও এগিয়ে চলছে।
ডুবুরি ইউনিটের সক্ষমতা বাড়াতে ৭২টি নতুন পদ সৃষ্টির প্রস্তাব অনুমোদন করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের জনবল ৩০ হাজারের বেশি করার পরিকল্পনাও বিবেচনায় রয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সেবার স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অনলাইনভিত্তিক ই-ফায়ার লাইসেন্স কার্যক্রম চালু করা হয়েছে। সদস্যদের আবাসন সমস্যা সমাধানে মিরপুর ও সদরঘাট এলাকায় বহুতল আবাসিক ভবন নির্মাণ এবং সদর দপ্তর ভবন নির্মাণের কাজও চলমান রয়েছে।
তিনি জানান, দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৫২ জন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন। ২০২৫ সালে ফায়ার সার্ভিস ২৭ হাজারের বেশি অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে বিপুল পরিমাণ সম্পদ উদ্ধার করেছে। একই বছরে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ও নিহতদের উদ্ধার, গণসংযোগ কার্যক্রম, ভবন পরিদর্শন এবং অগ্নিনিরাপত্তা প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের বিভিন্ন ক্যাটাগরির ২৩৪ জন সদস্য পাসিং আউট প্যারেডে অংশ নেন এবং ৮৪ জন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পদক প্রদান করা হয়।






















