Dhaka ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালুখালীতে তাপদাহে লাইনে দাঁড়ানো কৃষক-চালকদের মাঝে শরবত বিতরণ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
  • / 119

 

তীব্র তাপদাহে তেল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষক ও মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে শরবত বিতরণ করেছেন তরুণ সমাজসেবক শেখ নিশান।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মোহনপুর বাজার এলাকার শেখ ফিলিং স্টেশন-এ এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, তেল সংগ্রহের জন্য কৃষক ও চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। প্রচণ্ড রোদ ও গরমে তারা পানিশূন্যতা ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে শেখ নিশান নিজ উদ্যোগে উপস্থিতদের মাঝে ঠান্ডা শরবত বিতরণ করেন, যা তাদের মাঝে স্বস্তি এনে দেয়।

শেখ নিশান বলেন, তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে। তাই সামান্য এই উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার চেষ্টা করেছি।

তেল নিতে আসা এক স্কুল শিক্ষক বলেন, “এই গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর। এমন সময় নিরাপদ পানি ও শরবত সত্যিই বড় স্বস্তি দেয়। নিশানের মতো অন্যদেরও এগিয়ে আসা উচিত।”

স্থানীয়দের মতে, তীব্র গরমে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালীতে তাপদাহে লাইনে দাঁড়ানো কৃষক-চালকদের মাঝে শরবত বিতরণ

প্রকাশের সময় : ০৭:৪৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬

 

তীব্র তাপদাহে তেল পাম্পে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কৃষক ও মোটরসাইকেল চালকদের মাঝে শরবত বিতরণ করেছেন তরুণ সমাজসেবক শেখ নিশান।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার মোহনপুর বাজার এলাকার শেখ ফিলিং স্টেশন-এ এ মানবিক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়।

সরেজমিনে দেখা যায়, তেল সংগ্রহের জন্য কৃষক ও চালকদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে। প্রচণ্ড রোদ ও গরমে তারা পানিশূন্যতা ও শারীরিক দুর্বলতায় ভুগছিলেন। এমন পরিস্থিতিতে শেখ নিশান নিজ উদ্যোগে উপস্থিতদের মাঝে ঠান্ডা শরবত বিতরণ করেন, যা তাদের মাঝে স্বস্তি এনে দেয়।

শেখ নিশান বলেন, তীব্র গরমে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকলে হিটস্ট্রোক ও পানিশূন্যতার ঝুঁকি থাকে। তাই সামান্য এই উদ্যোগের মাধ্যমে মানুষের কষ্ট কিছুটা লাঘব করার চেষ্টা করেছি।

তেল নিতে আসা এক স্কুল শিক্ষক বলেন, “এই গরমে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা খুবই কষ্টকর। এমন সময় নিরাপদ পানি ও শরবত সত্যিই বড় স্বস্তি দেয়। নিশানের মতো অন্যদেরও এগিয়ে আসা উচিত।”

স্থানীয়দের মতে, তীব্র গরমে এ ধরনের মানবিক উদ্যোগ সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।