Dhaka ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬
  • / 21

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অ্যালেক্স ইমন গ্রুপের দলনেতা মো. ইমন ওরফে অ্যালেক্স ইমন নিহত হয়েছেন।

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমনের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, অ্যালেক্স ইমন ও আরমান শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরেই দুই গ্রুপের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে মো. সাইফ, তুহিন ও রাব্বি কাজী নামে তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়েছে, যা সংঘর্ষে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মোহাম্মদপুরে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ‘অ্যালেক্স ইমন’ নিহত

প্রকাশের সময় : ১১:১২:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কিশোর গ্যাংয়ের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষে অ্যালেক্স ইমন গ্রুপের দলনেতা মো. ইমন ওরফে অ্যালেক্স ইমন নিহত হয়েছেন।

রোববার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী রোডের বেড়িবাঁধ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ইমনের বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা রয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের মোহাম্মদপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত উপকমিশনার জুয়েল রানা জানান, অ্যালেক্স ইমন ও আরমান শাহরুখ গ্রুপের মধ্যে এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এর জের ধরেই দুই গ্রুপের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষ চলাকালে প্রতিপক্ষের ধারাল অস্ত্রের আঘাতে ইমন গুরুতর আহত হন। পরে তাকে উদ্ধার করে সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং টহল জোরদার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে মো. সাইফ, তুহিন ও রাব্বি কাজী নামে তিন যুবককে আটক করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকে তিনটি চাপাতি, একটি কাটার ও একটি স্টিলের পাত উদ্ধার করা হয়েছে, যা সংঘর্ষে ব্যবহৃত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের শনাক্ত করে গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।