Dhaka ০৪:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কোটালীপাড়ায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো ১০ মণ মরা গরুর মাংস, বিক্রেতাকে জরিমানা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬
  • / 128

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে প্রায় ১০ মণ মাংস জব্দ করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার পৌর মার্কেটে অভিযান চালিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ মাংসগুলো জব্দের নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে জব্দকৃত মাংসগুলো পৌর মার্কেটের পাশে পুঁতে রাখা হয়।

অভিযানকালে মাংস বিক্রেতা আলী আকবর গাজীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রামমান আদালত।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারে মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং পৌরসভার তদারকি কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে মাংস ক্রেতাগণ মনে করছে।

নিয়ম অনুযায়ী, গরু বাজারে এনে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফিটনেস সনদ নেওয়ার পর পৌরসভার তদারকি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জবাই করার কথা। কিন্তু অনেক সময় ব্যবসায়ীরা বাজারের বাইরে গরু জবাই করে মাংস এনে বিক্রি করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম মেহেদী হাসানাত।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো: মাসুম বিল্লাহ বলেন, আগামীতেও আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কোটালীপাড়ায় মাটিতে পুঁতে ফেলা হলো ১০ মণ মরা গরুর মাংস, বিক্রেতাকে জরিমানা

প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ মার্চ ২০২৬

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলায় মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগে প্রায় ১০ মণ মাংস জব্দ করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

বুধবার দিবাগত রাতে উপজেলার পৌর মার্কেটে অভিযান চালিয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মাসুম বিল্লাহ মাংসগুলো জব্দের নির্দেশ প্রদান করেন। পরবর্তীতে জব্দকৃত মাংসগুলো পৌর মার্কেটের পাশে পুঁতে রাখা হয়।

অভিযানকালে মাংস বিক্রেতা আলী আকবর গাজীকে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন ভ্রামমান আদালত।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে ওই বাজারে মরা গরুর মাংস বিক্রির অভিযোগ রয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ বিভাগ, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর এবং পৌরসভার তদারকি কর্মকর্তাদের উদাসীনতার কারণে কিছু অসাধু ব্যবসায়ী এ ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পাচ্ছে মাংস ক্রেতাগণ মনে করছে।

নিয়ম অনুযায়ী, গরু বাজারে এনে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ফিটনেস সনদ নেওয়ার পর পৌরসভার তদারকি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জবাই করার কথা। কিন্তু অনেক সময় ব্যবসায়ীরা বাজারের বাইরে গরু জবাই করে মাংস এনে বিক্রি করে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আরও কঠোর নজরদারি প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি এইচ এম মেহেদী হাসানাত।

উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) মো: মাসুম বিল্লাহ বলেন, আগামীতেও আমাদের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।