Dhaka ০৯:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / 84

 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু জাফরের সঙ্গে তর্কে জড়ানো চিকিৎসককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে হাসপাতাল প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেন। বিকেল চারটার দিকে নোটিশ দেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফেরদৌস।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাইনউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা সরকারি চাকরির বিধিমালার পরিপন্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শনে গিয়ে ডিজি কক্ষে টেবিল থাকার কারণ জানতে চাইলে জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ধনদেব চন্দ্র বর্মণ তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়ান।

ধনদেব চন্দ্র বর্মণ ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে আবাসিক সার্জন থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান তিনি।

প্রসঙ্গত, ধনদেব চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘ডিজির কাছ থেকে গুরুজনের মতো ব্যবহার আশা করেছিলাম। কিন্তু তিনি এসে কী কী সমস্যা, সেগুলো জানতে না চেয়ে ভেতরে কেন টেবিল, এ নিয়ে কথা বলেন।’ তিনি বলেন, ‘আমার বন্ধুরা সব অধ্যাপক হয়ে গেছে। আমার চাকরিজীবন শেষ, কিন্তু আমার হয়নি বিভিন্ন কারণে। এ জন্য আমার চাকরি থেকে সাসপেনশন হলে আমি খুশি হই।’

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

স্বাস্থ্যের ডিজির সঙ্গে তর্ক: চিকিৎসককে অব্যাহতি-শোকজ

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৫:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

 

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবু জাফরের সঙ্গে তর্কে জড়ানো চিকিৎসককে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই নোটিশের জবাব দিতে বলা হয়েছে।

শনিবার বিকেলে হাসপাতাল প্রশাসন এ সিদ্ধান্ত নেন। বিকেল চারটার দিকে নোটিশ দেন ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. গোলাম ফেরদৌস।

হাসপাতালের সহকারী পরিচালক (প্রশাসন) মাইনউদ্দিন খান গণমাধ্যমকে বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করা সরকারি চাকরির বিধিমালার পরিপন্থী।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হাসপাতালের ক্যাজুয়ালটি অপারেশন থিয়েটার পরিদর্শনে গিয়ে ডিজি কক্ষে টেবিল থাকার কারণ জানতে চাইলে জরুরি বিভাগের ইনচার্জ ধনদেব চন্দ্র বর্মণ তাঁর সঙ্গে তর্কে জড়ান।

ধনদেব চন্দ্র বর্মণ ২০২৩ সালের ৮ আগস্ট থেকে ওয়ান-স্টপ সার্ভিসের ইনচার্জ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি বছরের জুলাই মাসে আবাসিক সার্জন থেকে সহকারী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পান তিনি।

প্রসঙ্গত, ধনদেব চন্দ্র বর্মণ বলেন, ‘ডিজির কাছ থেকে গুরুজনের মতো ব্যবহার আশা করেছিলাম। কিন্তু তিনি এসে কী কী সমস্যা, সেগুলো জানতে না চেয়ে ভেতরে কেন টেবিল, এ নিয়ে কথা বলেন।’ তিনি বলেন, ‘আমার বন্ধুরা সব অধ্যাপক হয়ে গেছে। আমার চাকরিজীবন শেষ, কিন্তু আমার হয়নি বিভিন্ন কারণে। এ জন্য আমার চাকরি থেকে সাসপেনশন হলে আমি খুশি হই।’