Dhaka ১১:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘লাশ বিলের পানিতে ভাসিয়ে দেব’—ভূমি কর্মকর্তাকে সেবাগ্রহীতার হুমকি কালুখালীতে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেনকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবাসন শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১ রাজবাড়ী উদীচীতে কমরেড কমল কৃষ্ণ গুহকে স্মরণ পরিবেশ কর্মসূচির ব্যানারে জাকসুর নাম বাদ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পাংশায় নিখোঁজের একদিন পর দুই সন্তানের জননীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কাল, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ

‘কলিজার টুকরারে শেষ বিদায়ও দিতে পারলাম না’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫
  • / 77

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে ১০ মাসের শিশু ফাতেমার মৃত্যুতে আহত হয়েছেন তার মা কুলসুম বেগম (৩০) ও প্রতিবেশী জেসমিন আক্তার (৩৫)। সবজি ব্যবসায়ী আব্দুল হক মোবাইল ফোনে আহাজারি করে বললেন, “কলিজার টুকরারে শেষ বিদায় দিতে পারলাম না। দাফনের সময় তাকে একবার দেখতেও পারিনি, কোলেও নিতে পারিনি।”

ঘটনা ঘটে ইসলামবাগ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ক্যানেল এলাকায়। আব্দুল হক চাকরির কারণে ঢাকায় থাকেন। কুলসুম ও দুই মেয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। ফাতেমাকে কোলে নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার সময় ভূমিকম্পে একটি সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়ে। প্রতিবেশী ইমতিয়াজ ভূঁইয়া ফাতেমাকে উদ্ধার করেন, কিন্তু প্রাণ রক্ষা সম্ভব হয়নি।

কুলসুমকে চিকিৎসার জন্য তিনটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও শয্যা না থাকার কারণে উন্নত চিকিৎসা করা যায়নি। বর্তমানে তারা আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেসে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ধসে পড়া প্রাচীরটি অন্তত ১০ ফুট উঁচু ছিল এবং এতে কোনো রড বা পিলারের ব্যবস্থা ছিল না। নিহতের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে ২০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘কলিজার টুকরারে শেষ বিদায়ও দিতে পারলাম না’

প্রকাশের সময় : ০২:১৬:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ নভেম্বর ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে ১০ মাসের শিশু ফাতেমার মৃত্যুতে আহত হয়েছেন তার মা কুলসুম বেগম (৩০) ও প্রতিবেশী জেসমিন আক্তার (৩৫)। সবজি ব্যবসায়ী আব্দুল হক মোবাইল ফোনে আহাজারি করে বললেন, “কলিজার টুকরারে শেষ বিদায় দিতে পারলাম না। দাফনের সময় তাকে একবার দেখতেও পারিনি, কোলেও নিতে পারিনি।”

ঘটনা ঘটে ইসলামবাগ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ক্যানেল এলাকায়। আব্দুল হক চাকরির কারণে ঢাকায় থাকেন। কুলসুম ও দুই মেয়ে ভাড়া বাসায় থাকেন। ফাতেমাকে কোলে নিয়ে বাবার বাড়িতে যাওয়ার সময় ভূমিকম্পে একটি সীমানাপ্রাচীর ধসে পড়ে। প্রতিবেশী ইমতিয়াজ ভূঁইয়া ফাতেমাকে উদ্ধার করেন, কিন্তু প্রাণ রক্ষা সম্ভব হয়নি।

কুলসুমকে চিকিৎসার জন্য তিনটি হাসপাতালে নেওয়া হলেও শয্যা না থাকার কারণে উন্নত চিকিৎসা করা যায়নি। বর্তমানে তারা আগারগাঁওয়ের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেসে নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাইফুল ইসলাম জানান, ধসে পড়া প্রাচীরটি অন্তত ১০ ফুট উঁচু ছিল এবং এতে কোনো রড বা পিলারের ব্যবস্থা ছিল না। নিহতের পরিবারকে উপজেলা প্রশাসন থেকে ২০ হাজার টাকা অনুদান দেওয়া হয়েছে।