Dhaka ০৫:৪৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

যশোরে মাদকবিরোধী অভিযানে হামলার শিকার সিআইডি সদস্যরা

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / 110

যশোরে মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) চার সদস্য। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোর শহরের রাজারহাট মোড় এলাকায়।

সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে একটি দল অভিযান চালাতে যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই হাবিব, এসআই তরিকুল ইসলাম, এএসআই মো. জাহিদ হোসেন, এবং কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম।

অভিযানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানার ছেলে তুষারকে আটক করলে তার লোকজন সিআইডি সদস্যদের ভুয়া পুলিশ দাবি করে গণপিটুনি দেয়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত তুষার দাবি করেন, তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। এক ভিডিও বার্তায় তুষার বলেন, ‘হঠাৎ দুজন আমাকে কেয়া হোটেলের ভেতরে নিয়ে যায়। আমার কাছ থেকে মোবাইল ও ৫ হাজার টাকা নেয়। পরে ইয়াবা দেখিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে আমি প্রতিবাদ করি। তখনই মারামারি শুরু হয়।’

তবে তার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোসা. সিদ্দিকা বেগম। তিনি বলেন, ‘আমাদের সদস্যরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। কাউকে অহেতুক ফাঁসানোর কোনো প্রশ্নই আসে না। তুষারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে তুষারসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যশোরে মাদকবিরোধী অভিযানে হামলার শিকার সিআইডি সদস্যরা

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৭:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৫

যশোরে মাদকবিরোধী অভিযান চালাতে গিয়ে স্থানীয়দের হামলার শিকার হয়েছেন পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) চার সদস্য। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হয়েছেন কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম। তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

ঘটনাটি ঘটে বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে যশোর শহরের রাজারহাট মোড় এলাকায়।

সিআইডি সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে একটি দল অভিযান চালাতে যায়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই হাবিব, এসআই তরিকুল ইসলাম, এএসআই মো. জাহিদ হোসেন, এবং কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম।

অভিযানের সময় স্থানীয় বাসিন্দা মাসুদ রানার ছেলে তুষারকে আটক করলে তার লোকজন সিআইডি সদস্যদের ভুয়া পুলিশ দাবি করে গণপিটুনি দেয়। পরে কোতোয়ালি থানা পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত তুষার দাবি করেন, তাকে ইয়াবা দিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করা হয়। এক ভিডিও বার্তায় তুষার বলেন, ‘হঠাৎ দুজন আমাকে কেয়া হোটেলের ভেতরে নিয়ে যায়। আমার কাছ থেকে মোবাইল ও ৫ হাজার টাকা নেয়। পরে ইয়াবা দেখিয়ে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে আমি প্রতিবাদ করি। তখনই মারামারি শুরু হয়।’

তবে তার এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার মোসা. সিদ্দিকা বেগম। তিনি বলেন, ‘আমাদের সদস্যরা নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। কাউকে অহেতুক ফাঁসানোর কোনো প্রশ্নই আসে না। তুষারের বিরুদ্ধে আগে থেকেই মাদক সংক্রান্ত মামলা রয়েছে।’

তিনি আরও জানান, এই ঘটনায় সরকারি কাজে বাধা এবং মাদক ব্যবসার অভিযোগে তুষারসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৪ থেকে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে কোতোয়ালি থানা পুলিশ তদন্ত ও অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে।