Dhaka ০১:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সোনার দাম ভরিতে বাড়ল ২ হাজার ২১৬ টাকা মাধ্যমিক শিক্ষা ও নারী উন্নয়নে সরকারি উপবৃত্তির ভূমিকা শাপলা চত্বরে হত্যাযজ্ঞ : শেখ হাসিনাসহ ৪১ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ কোটালীপাড়ায় ১৭০ কেজি নিষিদ্ধ পিরানহা মাছ জব্দ, আড়তদারকে জরিমানা যুক্তরাষ্ট্র হামলা বন্ধ রাখলে পাল্টা হামলাও বন্ধ রাখবে ইরান কালীগঞ্জে র‍্যাবের অভিযানে ৫০ বোতল ফেয়ারডিলসহ নারী আটক কালীগঞ্জে জেলা প্রশাসক গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টে মালিয়াট ইউনিয়নের জয় রাজবাড়ীর খানখানাপুর রেলগেটে ট্রেনের সঙ্গে বাস-অটোরিকশা-মাহিন্দ্রার সংঘর্ষ, নিহত ১, আহত ৭ নির্বাচন কমিশনে দলীয় লোক নিয়োগ দিয়েছে বিএনপি : আক্তার হোসেন দাপ্তরিক সব চিঠিতে নজরুল বর্ষের লোগো ব্যবহারের নির্দেশ
শালমারা বিলে মৎস্য অবমুক্তকরণ

বালিয়াকান্দিতে মৎস্য চাষ প্রকল্পের উদ্বোধন

ইমদাদুল হক রানা, বালিয়াকান্দি
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • / 114

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের শালমারা বিলে সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ জুলাই) এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাছ অবমুক্ত করেন বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বিশ্বাস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ সজিবুর রহমান, মৎস্য অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শালমারা, বাহিরচর, গঙ্গাসাগর, ও জঙ্গল অলংকারপুর—এই চারটি এলাকার কৃষকরা ফসলের পাশাপাশি মৎস্য চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ প্রকল্পের আওতায় গতকাল বিলটিতে দুই মনের অধিক বিভিন্ন প্রজাতির রেণু মাছ অবমুক্ত করা হয়। এতে অংশ নেন সমাজভিত্তিক মাছ চাষ প্রকল্পের সভাপতি মোঃ ফরিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলম মোল্লা, সদস্য এনামুল করিম নান্নু এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আবু জাফর সহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, “মাছে ভাতে বাঙালি”—এই ঐতিহ্যবাহী কথাটি যেন হারিয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা সকলে মিলে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। আমিষের ঘাটতি পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি।
মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ সজিবুর রহমান বলেন, “দেশে মাছ উৎপাদন বাড়াতে সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপজেলার জলাশয়গুলোতে কারেন্ট জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে কারেন্ট জাল জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়েছে। শালমারা বিলেও কেউ অবৈধ জাল ব্যবহার করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, এই সমাজভিত্তিক মৎস্য প্রকল্পটি এলাকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

শালমারা বিলে মৎস্য অবমুক্তকরণ

বালিয়াকান্দিতে মৎস্য চাষ প্রকল্পের উদ্বোধন

প্রকাশের সময় : ০৫:৫৬:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার সদর ইউনিয়নের শালমারা বিলে সমাজভিত্তিক মৎস্য চাষ প্রকল্পের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে।

রবিবার (২৭ জুলাই) এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মাছ অবমুক্ত করেন বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন বিশ্বাস।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপজেলা মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ সজিবুর রহমান, মৎস্য অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

শালমারা, বাহিরচর, গঙ্গাসাগর, ও জঙ্গল অলংকারপুর—এই চারটি এলাকার কৃষকরা ফসলের পাশাপাশি মৎস্য চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এ প্রকল্পের আওতায় গতকাল বিলটিতে দুই মনের অধিক বিভিন্ন প্রজাতির রেণু মাছ অবমুক্ত করা হয়। এতে অংশ নেন সমাজভিত্তিক মাছ চাষ প্রকল্পের সভাপতি মোঃ ফরিদুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক আলম মোল্লা, সদস্য এনামুল করিম নান্নু এবং অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মোঃ আবু জাফর সহ এলাকার সর্বস্তরের জনসাধারণ।

সমিতির নেতৃবৃন্দ বলেন, “মাছে ভাতে বাঙালি”—এই ঐতিহ্যবাহী কথাটি যেন হারিয়ে না যায়, সে লক্ষ্যেই আমরা সকলে মিলে উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছ চাষের উদ্যোগ নিয়েছি। আমিষের ঘাটতি পূরণে এ ধরনের কার্যক্রম অত্যন্ত জরুরি।
মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকারী মোঃ সজিবুর রহমান বলেন, “দেশে মাছ উৎপাদন বাড়াতে সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ উপজেলার জলাশয়গুলোতে কারেন্ট জাল ব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে আমরা কঠোর অবস্থানে রয়েছি। এরই অংশ হিসেবে বিভিন্ন হাট-বাজার থেকে কারেন্ট জাল জব্দ করে তা ধ্বংস করা হয়েছে। শালমারা বিলেও কেউ অবৈধ জাল ব্যবহার করলে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

উল্লেখ্য, এই সমাজভিত্তিক মৎস্য প্রকল্পটি এলাকার মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, পুষ্টি চাহিদা পূরণ এবং অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে।