Dhaka ১১:৪৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘লাশ বিলের পানিতে ভাসিয়ে দেব’—ভূমি কর্মকর্তাকে সেবাগ্রহীতার হুমকি কালুখালীতে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে উপজেলা বিএনপি নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ ইছামতীর পানিতে প্লাবিত বেনাপোলে ১০০ পরিবার পেল বিজিবির ত্রাণ কোস্ট গার্ডের নতুন মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল মঈনুল হাসান কারা মহাপরিদর্শক মোতাহের হোসেনকে সেনাবাহিনীতে প্রত্যাবাসন শার্শায় ১১ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, আটক ১ রাজবাড়ী উদীচীতে কমরেড কমল কৃষ্ণ গুহকে স্মরণ পরিবেশ কর্মসূচির ব্যানারে জাকসুর নাম বাদ, প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন পাংশায় নিখোঁজের একদিন পর দুই সন্তানের জননীর ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ কাল, শপথ শুক্রবার : চিফ হুইপ

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর দিচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 16

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো কাবিখা কর্মসূচির আওতায় পুনর্নির্মাণ করা হবে এবং এলজিইডিও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার কাজে ব্যবহারে ১২টি উপকূলীয় জেলার জন্য স্পিডবোট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগকালীন উদ্ধার সক্ষমতা আরও বাড়াতে জাইকার অর্থায়নে দেশের ১২টি উপকূলীয় জেলায় আধুনিক স্পিডবোট দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২৫টি জেলায় এসব উদ্ধারযান সরবরাহ করা হবে, যাতে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। বিতরণ করা স্পিডবোটগুলো ডাবল ইঞ্জিনবিশিষ্ট হওয়ায় সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত চলাকালেও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা। সেই লক্ষ্যেই সরকার উদ্ধার সক্ষমতা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন করছে। আজকের এই স্পিডবোট বিতরণ কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি জানান, উপকূলীয় জেলার পাশাপাশি হাওড়াঞ্চলেও পর্যায়ক্রমে উদ্ধার বোট সরবরাহ করা হবে। চলতি বছরে হাওড় অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতের দুর্যোগ মোকাবিলায় সেখানকার সক্ষমতা আরও জোরদার করা হবে। জাপান সরকার ও জাইকার সহায়তায় দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মি. সাইদা শিনিচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রেজওয়ানুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক নূরজাহান খানম এবং জাইকা বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর দিচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০৩:৪৩:৩৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এমপি বলেছেন, সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর নির্মাণ করে দিচ্ছে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের বীজ বিতরণ করা হয়েছে। পাশাপাশি গ্রামীণ এলাকার ক্ষতিগ্রস্ত অবকাঠামো কাবিখা কর্মসূচির আওতায় পুনর্নির্মাণ করা হবে এবং এলজিইডিও ক্ষতিগ্রস্ত সড়ক দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নেবে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) দুপুরে নারায়ণগঞ্জের বন্দরে দুর্যোগকালীন জরুরি উদ্ধার কাজে ব্যবহারে ১২টি উপকূলীয় জেলার জন্য স্পিডবোট হস্তান্তর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, দুর্যোগকালীন উদ্ধার সক্ষমতা আরও বাড়াতে জাইকার অর্থায়নে দেশের ১২টি উপকূলীয় জেলায় আধুনিক স্পিডবোট দেওয়া হয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও ২৫টি জেলায় এসব উদ্ধারযান সরবরাহ করা হবে, যাতে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় দুর্গম এলাকায় দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম পরিচালনা করা যায়। বিতরণ করা স্পিডবোটগুলো ডাবল ইঞ্জিনবিশিষ্ট হওয়ায় সমুদ্রে চার নম্বর বিপদ সংকেত চলাকালেও উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করা সম্ভব হবে। এতে উপকূলীয় ও দুর্গম এলাকার মানুষের কাছে দ্রুত পৌঁছানো সহজ হবে।

তিনি আরও বলেন, বন্যা ও ঘূর্ণিঝড়ের সময় সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজ হলো দুর্গম এলাকায় আটকে পড়া মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে আনা। সেই লক্ষ্যেই সরকার উদ্ধার সক্ষমতা বাড়াতে ধারাবাহিকভাবে আধুনিক সরঞ্জাম সংযোজন করছে। আজকের এই স্পিডবোট বিতরণ কার্যক্রম দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

তিনি জানান, উপকূলীয় জেলার পাশাপাশি হাওড়াঞ্চলেও পর্যায়ক্রমে উদ্ধার বোট সরবরাহ করা হবে। চলতি বছরে হাওড় অঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং ভবিষ্যতের দুর্যোগ মোকাবিলায় সেখানকার সক্ষমতা আরও জোরদার করা হবে। জাপান সরকার ও জাইকার সহায়তায় দেশের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থায় নতুন মাত্রা যুক্ত হয়েছে।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ.ই. মি. সাইদা শিনিচি, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার এম. ইকবাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল কালাম, মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. রেজওয়ানুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক নূরজাহান খানম এবং জাইকা বাংলাদেশের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকো।