Dhaka ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ অগাস্ট ২০২৬, ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কেশবপুরে পরীক্ষা দিতে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীর মৃত্যু তিন শিক্ষার্থীর মৃত্যুর পর চুয়েটের সব পুকুর ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা বিনিয়োগ ও সংস্কারে বাংলাদেশের জন্য নতুন বার্তা এডিবির চাঁদ দেখা যায়নি, পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) ২৬ আগস্ট সারাদেশেই বৃষ্টিপাত বাড়ার আভাস ঝিনাইদহে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০ জাকসুর উদ্যোগে জাবির ১৩ হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার চালু জাবিতে হামলায় বহিষ্কৃত ছাত্রলীগ নেতাকে থানায় সোপর্দের দাবি, পুলিশ বলছে ‘তথ্য পাইনি’ ১৫ আগস্ট ঘিরে সারাদেশে র‌্যাবের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বেনাপোলে সড়ক দুর্ঘটনায় মাদ্রাসার অফিস সহকারী নিহত, শিক্ষকসহ আহত ২

জাকসুর উদ্যোগে জাবির ১৩ হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার চালু

জাবি প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / 12

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)-এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু করা হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘জাকসু রিলিজিয়াস লাইব্রেরি ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এসব পাঠাগারে বই ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাকসু ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠাগারগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার স্থাপনের জন্য ৫০ হাজার টাকার অনুদান হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। তবে কিছু আয়োজন মানুষের মানসিক প্রশান্তি, আত্মশুদ্ধি ও মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ তৈরি করে। আজকের আয়োজনেও তিনি মানসিক প্রশান্তি অনুভব করছেন। ধর্মীয় পাঠাগারগুলোর পরিধি সম্প্রসারণ ও যথাযথ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ হতাশায় ভোগা মানুষকে নতুন করে আশাবাদী ও অনুপ্রাণিত করতে পারে। পাঠাগারগুলোতে শুধু ধর্মীয় বিষয়ক বই নয়, জীবন, সমাজ ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে সমন্বিত বইয়ের সংগ্রহ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণ এবং সেটির দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

নবাব সলিমুল্লাহ হলের ইমাম ও পাঠাগারগুলোর সিলেবাস সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, মানবিক মানুষ ও কল্যাণকর নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ধর্মীয় জ্ঞানের গুরুত্ব রয়েছে। এসব পাঠাগারের বই শিক্ষার্থীদের জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান পাঠাগার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি নারী হলগুলোর মসজিদ সংস্কারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, জাকসুর নেতৃবৃন্দ এবং হল সংসদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাকসুর উদ্যোগে জাবির ১৩ হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার চালু

প্রকাশের সময় : ০৯:৩৭:৫৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২৬

 

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (জাকসু)-এর উদ্যোগে বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩টি হলের মসজিদ ও কেন্দ্রীয় মন্দিরে ধর্মীয় পাঠাগার চালু করা হয়েছে। ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় ‘জাকসু রিলিজিয়াস লাইব্রেরি ইনিশিয়েটিভ’ প্রকল্পের আওতায় এসব পাঠাগারে বই ও প্রয়োজনীয় উপকরণ সরবরাহ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) জাকসু ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে পাঠাগারগুলোর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। একই অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় মন্দিরে পাঠাগার স্থাপনের জন্য ৫০ হাজার টাকার অনুদান হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. সোহেল রানা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়মিত নানা ধরনের অনুষ্ঠানের আয়োজন হয়। তবে কিছু আয়োজন মানুষের মানসিক প্রশান্তি, আত্মশুদ্ধি ও মূল্যবোধ চর্চার সুযোগ তৈরি করে। আজকের আয়োজনেও তিনি মানসিক প্রশান্তি অনুভব করছেন। ধর্মীয় পাঠাগারগুলোর পরিধি সম্প্রসারণ ও যথাযথ সংরক্ষণে সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক হওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

জাকসুর সাধারণ সম্পাদক (জিএস) মাজহারুল ইসলাম বলেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ হতাশায় ভোগা মানুষকে নতুন করে আশাবাদী ও অনুপ্রাণিত করতে পারে। পাঠাগারগুলোতে শুধু ধর্মীয় বিষয়ক বই নয়, জীবন, সমাজ ও ব্যক্তিগত উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে সমন্বিত বইয়ের সংগ্রহ গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে।

তিনি একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মন্দিরের জন্য স্থায়ী জায়গা নির্ধারণ এবং সেটির দ্রুত সংস্কারের দাবি জানান।

নবাব সলিমুল্লাহ হলের ইমাম ও পাঠাগারগুলোর সিলেবাস সমন্বয়কারী সাইফুল্লাহ সাদ বলেন, মানবিক মানুষ ও কল্যাণকর নাগরিক হিসেবে গড়ে উঠতে ধর্মীয় জ্ঞানের গুরুত্ব রয়েছে। এসব পাঠাগারের বই শিক্ষার্থীদের জীবন গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

অনুষ্ঠানে জাকসুর সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) ফেরদৌস আল হাসান পাঠাগার বাস্তবায়নের পূর্ণাঙ্গ হিসাব তুলে ধরেন এবং প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান। পাশাপাশি নারী হলগুলোর মসজিদ সংস্কারে বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার আশ্বাস দেন তিনি।

জাকসুর এজিএস ফেরদৌস আল হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন হলের প্রাধ্যক্ষ, জাকসুর নেতৃবৃন্দ এবং হল সংসদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।