Dhaka ১১:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কর্মকর্তাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে বললেন ডেপুটি স্পিকার

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • / 2

 

 

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কিছু অনিয়ম ও ভুল ছিল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সেগুলো সংশোধন করে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

তিনি বলেন, কাজ করতে করতেই আমরা শিখি। আশা করছি, আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি আর হবে না। তবে যে কর্মকর্তা অতীত থেকে শিক্ষা নেবেন না, তাদের শিক্ষা দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশের আটটি উপজেলায় একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হয়। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন ডেপুটি স্পিকার। অনুষ্ঠানটি সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

কায়সার কামাল বলেন, আজ কৃষক কার্ডের উদ্বোধন হয়েছে এবং দুর্গাপুরও এই কার্যক্রমের অংশীদার হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখানে কোনো ধরনের ত্রুটি হয়নি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, দল, মত, পথ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে দুর্নীতিমুক্তভাবে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করতে হবে। এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা ও নির্দেশনা।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে আগের দেড় দশকের প্রশাসনিক সংস্কৃতির সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনকে এক করে দেখা যাবে না।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জনগণের জন্য বিভিন্ন অনুদান বরাদ্দ হলেও অনেক সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেন না। জনগণের জন্য আসা অনুদান সম্পর্কে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, যারা এই দায়িত্ব পালনে ব্যত্যয় ঘটাবেন, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে জনগণও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন।

এর আগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়েও কথা বলেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, অতীতে অনেক কিছু হয়েছে। সেসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে এবং অতীতকে ক্ষমা করা হবে। কিন্তু কোনো কর্মকর্তা বা শিক্ষক অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হক, কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নুরুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কর্মকর্তাদের অতীত থেকে শিক্ষা নিতে বললেন ডেপুটি স্পিকার

প্রকাশের সময় : ১০:৩৫:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

 

 

ফ্যামিলি কার্ড নিয়ে কিছু অনিয়ম ও ভুল ছিল, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় সেগুলো সংশোধন করে নতুনভাবে কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

তিনি বলেন, কাজ করতে করতেই আমরা শিখি। আশা করছি, আগের ভুলের পুনরাবৃত্তি আর হবে না। তবে যে কর্মকর্তা অতীত থেকে শিক্ষা নেবেন না, তাদের শিক্ষা দেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে দেশের আটটি উপজেলায় একযোগে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কৃষক কার্ড উদ্বোধন করা হয়। নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে এসব কথা বলেন ডেপুটি স্পিকার। অনুষ্ঠানটি সুসং সরকারি মহাবিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত হয়।

কায়সার কামাল বলেন, আজ কৃষক কার্ডের উদ্বোধন হয়েছে এবং দুর্গাপুরও এই কার্যক্রমের অংশীদার হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এখানে কোনো ধরনের ত্রুটি হয়নি। ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণে সরকার জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করেছে।

তিনি বলেন, দল, মত, পথ, জাতি, ধর্ম, বর্ণ ও গোষ্ঠী নির্বিশেষে দুর্নীতিমুক্তভাবে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ করতে হবে। এটিই প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যাশা ও নির্দেশনা।

ডেপুটি স্পিকার আরও বলেন, স্থানীয় প্রশাসন এবং নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সবাইকে এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একই সঙ্গে আগের দেড় দশকের প্রশাসনিক সংস্কৃতির সঙ্গে বর্তমান প্রশাসনকে এক করে দেখা যাবে না।

আমলাতান্ত্রিক জটিলতার প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, জনগণের জন্য বিভিন্ন অনুদান বরাদ্দ হলেও অনেক সময় স্থানীয় সংসদ সদস্যরা তাৎক্ষণিকভাবে জানতে পারেন না। জনগণের জন্য আসা অনুদান সম্পর্কে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের অবহিত করা স্থানীয় প্রশাসনের প্রাথমিক দায়িত্ব।

তিনি বলেন, যারা এই দায়িত্ব পালনে ব্যত্যয় ঘটাবেন, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হবে। প্রয়োজনে জনগণও তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করতে পারবেন।

এর আগে বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে শিক্ষকদের উপস্থিতি নিয়েও কথা বলেন কায়সার কামাল। তিনি বলেন, অতীতে অনেক কিছু হয়েছে। সেসব অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে এবং অতীতকে ক্ষমা করা হবে। কিন্তু কোনো কর্মকর্তা বা শিক্ষক অতীত থেকে শিক্ষা না নিলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। এ সময় নেত্রকোনা সদর-বারহাট্টা আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সভাপতি ডা. আনোয়ারুল হক, কেন্দুয়া-আটপাড়া আসনের সংসদ সদস্য ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ড. রফিকুল ইসলাম হিলালী, জেলা প্রশাসক খন্দকার মুশফিকুর রহমান, জেলা পরিষদ প্রশাসক অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান নুরুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।