Dhaka ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ মানে বাংলাদেশকে প্রস্তুত করা: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কালীগঞ্জে কোলা ইউনিয়ন বিএনপির মানবিক উদ্যোগ রূপপুর প্রকল্পে প্রথম পারমাণবিক বিক্রিয়ার অনুমতি টিকটকে যুক্ত হলো নতুন দুই সুবিধা পাঁচ ঘণ্টা প্ল্যাঙ্ক করে বিশ্বরেকর্ড ভাঙলেন ৬১ বছরের নারী শূন্য থেকে শিখরে: কত সম্পদ রেখে গেলেন নানা পাটেকার জবির দ্বিতীয় সমাবর্তন ৩০ জানুয়ারি, নিবন্ধন শুরু ১৫ অক্টোবর পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় রমজানে পণ্যের সংকট হবে না : বাণিজ্যমন্ত্রী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের জন্য খেলাধুলার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে : প্রতিমন্ত্রী ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে ৫ জনের মৃত্যু, হাতপাতালে ভর্তি ১৯৩৫

‘ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 125

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে সেই প্রেমিকের স্ত্রীকেই বিয়ে করেছেন এক যুবক। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পেকুয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসান প্রায় ১৫ বছর আগে জহুরা আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একই এলাকায় একটি এনজিওতে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা রাজু মিয়া। পাশাপাশি বসবাসের কারণে দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে হাসানের স্ত্রী জহুরা আক্তারের সঙ্গে রাজু মিয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে গত ৭ মে তারা একসঙ্গে চলে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন হাসান।

হাসানের দাবি, গত ৪ জুন তিনি রাজু মিয়ার স্ত্রী মরিয়মকে তার তিন বছরের সন্তানসহ সাতক্ষীরা থেকে মির্জাপুরে নিয়ে এসে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি। পরকীয়া সম্পর্কের কারণে আমার সংসার ভেঙে গেছে। এর প্রতিবাদ হিসেবেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের দাবি, তিনি নিজের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চারজনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহজাহান সিরাজ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়ে বলেন, এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর এ ধরনের ঘটনায় আইনগত ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি’

প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে সেই প্রেমিকের স্ত্রীকেই বিয়ে করেছেন এক যুবক। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পেকুয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসান প্রায় ১৫ বছর আগে জহুরা আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একই এলাকায় একটি এনজিওতে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা রাজু মিয়া। পাশাপাশি বসবাসের কারণে দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে হাসানের স্ত্রী জহুরা আক্তারের সঙ্গে রাজু মিয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে গত ৭ মে তারা একসঙ্গে চলে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন হাসান।

হাসানের দাবি, গত ৪ জুন তিনি রাজু মিয়ার স্ত্রী মরিয়মকে তার তিন বছরের সন্তানসহ সাতক্ষীরা থেকে মির্জাপুরে নিয়ে এসে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি। পরকীয়া সম্পর্কের কারণে আমার সংসার ভেঙে গেছে। এর প্রতিবাদ হিসেবেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের দাবি, তিনি নিজের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চারজনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহজাহান সিরাজ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়ে বলেন, এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর এ ধরনের ঘটনায় আইনগত ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।