Dhaka ০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দেশে ফিরেছেন ভারতে আটক ৯১ বাংলাদেশি জেলে ইউনিয়ন লেভেলে এখন সাংবাদিক কার্ড পাওয়া যায় : জয়নুল আবেদীন ফারুক জেলা পর্যায়ে হামদ ও নাতে চ্যাম্পিয়ন বালিয়াকান্দির মৌসি সংসদে তোফায়েলসহ ১৬ সাবেক এমপি-মন্ত্রীর মৃত্যুতে শোক প্রস্তাব বিসিবি সভাপতি নির্বাচিত হলেন তামিম ইকবাল মতিঝিলে ব্যবসায়ীকে গুলি করে দেশি-বিদেশি মুদ্রাসহ ব্যাগ ছিনতাই রামিসা হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচারে আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রীর ধন্যবাদ পুশ-ইন প্রতিরোধে সীমান্তে সর্বোচ্চ সতর্কতায় ১৪ বিজিবি কোটালীপাড়ায় ১০ কেজি গাঁজাসহ ভ্যানচালক আটক নওগাঁয় চুরি হওয়া অটোরিকশা উদ্ধার, গ্রেফতার ২

‘ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি’

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / 27

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে সেই প্রেমিকের স্ত্রীকেই বিয়ে করেছেন এক যুবক। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পেকুয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসান প্রায় ১৫ বছর আগে জহুরা আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একই এলাকায় একটি এনজিওতে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা রাজু মিয়া। পাশাপাশি বসবাসের কারণে দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে হাসানের স্ত্রী জহুরা আক্তারের সঙ্গে রাজু মিয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে গত ৭ মে তারা একসঙ্গে চলে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন হাসান।

হাসানের দাবি, গত ৪ জুন তিনি রাজু মিয়ার স্ত্রী মরিয়মকে তার তিন বছরের সন্তানসহ সাতক্ষীরা থেকে মির্জাপুরে নিয়ে এসে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি। পরকীয়া সম্পর্কের কারণে আমার সংসার ভেঙে গেছে। এর প্রতিবাদ হিসেবেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের দাবি, তিনি নিজের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চারজনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহজাহান সিরাজ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়ে বলেন, এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর এ ধরনের ঘটনায় আইনগত ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি’

প্রকাশের সময় : ০৬:০৪:৩৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে চলে যাওয়ার পর প্রতিশোধ নিতে সেই প্রেমিকের স্ত্রীকেই বিয়ে করেছেন এক যুবক। টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার পেকুয়া গ্রামে এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর পুরো এলাকায় ব্যাপক তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে, পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বাঁশতৈল ইউনিয়নের পেকুয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসান প্রায় ১৫ বছর আগে জহুরা আক্তারকে পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন। তাদের এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। একই এলাকায় একটি এনজিওতে বাবুর্চি হিসেবে কর্মরত ছিলেন সাতক্ষীরা জেলার বাসিন্দা রাজু মিয়া। পাশাপাশি বসবাসের কারণে দুই পরিবারের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

অভিযোগ রয়েছে, একপর্যায়ে হাসানের স্ত্রী জহুরা আক্তারের সঙ্গে রাজু মিয়ার সম্পর্ক তৈরি হয়। পরে গত ৭ মে তারা একসঙ্গে চলে যান। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হন হাসান।

হাসানের দাবি, গত ৪ জুন তিনি রাজু মিয়ার স্ত্রী মরিয়মকে তার তিন বছরের সন্তানসহ সাতক্ষীরা থেকে মির্জাপুরে নিয়ে এসে বিয়ে করেন। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “ও আমার বউ নিয়ে গেছে, তাই আমি ওর বউ নিয়ে এসেছি। পরকীয়া সম্পর্কের কারণে আমার সংসার ভেঙে গেছে। এর প্রতিবাদ হিসেবেই আমি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

ঘটনাটি জানাজানি হলে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়। স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা হাসানকে সংবর্ধনা দেওয়ার ঘোষণাও দিয়েছেন বলে জানা গেছে। তাদের দাবি, তিনি নিজের সঙ্গে হওয়া অন্যায়ের প্রতিক্রিয়া হিসেবে এ পদক্ষেপ নিয়েছেন।

তবে এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট চারজনের বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। এছাড়া কোনো পক্ষের বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়েছে কি না, সে বিষয়েও তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

বাঁশতৈল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য শাহজাহান সিরাজ বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকার কথা জানিয়ে বলেন, এলাকায় ঘটনাটি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, পারিবারিক ও সামাজিকভাবে স্পর্শকাতর এ ধরনের ঘটনায় আইনগত ও সামাজিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি যথাযথভাবে তদন্ত ও মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।