Dhaka ০৫:৩০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ জুলাই ২০২৬, ১৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:

জাকাতের হিসাব করবেন যেভাবে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 110

জাকাত ইসলামের ফরজ বিধান এবং ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমান নারী-পুরুষের ওপর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ দরিদ্র-দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণ করা বাধ্যতামূলক। শরিয়ত নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ৭ তোলা বা ৮৭.৪৫ গ্রাম স্বর্ণ, সাড়ে ৫২ তোলা বা ৬১২.৩৫ গ্রাম রৌপ্য অথবা সমপরিমাণ নগদ অর্থ এক হিজরি বছর ধরে কারও কাছে থাকলে তিনি সম্পদশালী হিসেবে গণ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তার বর্ধনশীল সম্পদের ২.৫ শতাংশ বা ১/৪০ অংশ জাকাত হিসেবে আদায় করতে হবে।

জাকাত ওয়াজিব হয় বর্ধনশীল সম্পদের ওপর। সাধারণত চার ধরনের সম্পদের জাকাত দিতে হয়—স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্যবসার পণ্য এবং নগদ অর্থ।

যেদিন থেকে কারও সম্পদ নেসাব পরিমাণে পৌঁছাবে, সেদিন থেকেই জাকাতের বর্ষ গণনা শুরু হবে। এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিনে তার মালিকানাধীন মোট বর্ধনশীল সম্পদের হিসাব করে ২.৫ শতাংশ জাকাত দিতে হবে। শুধু এক বছর ধরে থাকা সম্পদের ওপর নয়; বরং বর্ষপূর্তির দিনে মালিকানায় থাকা সমুদয় বর্ধনশীল সম্পদের ওপর জাকাত আদায় করতে হবে। বছরের মধ্যে নতুন করে অর্জিত অর্থ বা স্বর্ণও চূড়ান্ত হিসাবে যুক্ত হবে।

তবে স্থাবর সম্পত্তি যেমন বসবাসের বাড়ি বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জমির ওপর জাকাত ওয়াজিব নয়, যদি সেগুলো ব্যবসার পণ্য না হয়। একইভাবে ভাড়া দেওয়া বাড়ি বা গাড়ির মূল সম্পদের ওপর জাকাত নেই; তবে সেখান থেকে প্রাপ্ত আয় নেসাব পরিমাণে পৌঁছে এক বছর অতিবাহিত হলে তার ওপর জাকাত প্রযোজ্য হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাকাতের হিসাব করবেন যেভাবে

প্রকাশের সময় : ১২:১৩:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

জাকাত ইসলামের ফরজ বিধান এবং ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমান নারী-পুরুষের ওপর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ দরিদ্র-দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণ করা বাধ্যতামূলক। শরিয়ত নির্ধারিত সীমা অনুযায়ী ৭ তোলা বা ৮৭.৪৫ গ্রাম স্বর্ণ, সাড়ে ৫২ তোলা বা ৬১২.৩৫ গ্রাম রৌপ্য অথবা সমপরিমাণ নগদ অর্থ এক হিজরি বছর ধরে কারও কাছে থাকলে তিনি সম্পদশালী হিসেবে গণ্য হবেন। এ ক্ষেত্রে তার বর্ধনশীল সম্পদের ২.৫ শতাংশ বা ১/৪০ অংশ জাকাত হিসেবে আদায় করতে হবে।

জাকাত ওয়াজিব হয় বর্ধনশীল সম্পদের ওপর। সাধারণত চার ধরনের সম্পদের জাকাত দিতে হয়—স্বর্ণ, রৌপ্য, ব্যবসার পণ্য এবং নগদ অর্থ।

যেদিন থেকে কারও সম্পদ নেসাব পরিমাণে পৌঁছাবে, সেদিন থেকেই জাকাতের বর্ষ গণনা শুরু হবে। এক বছর পূর্ণ হওয়ার দিনে তার মালিকানাধীন মোট বর্ধনশীল সম্পদের হিসাব করে ২.৫ শতাংশ জাকাত দিতে হবে। শুধু এক বছর ধরে থাকা সম্পদের ওপর নয়; বরং বর্ষপূর্তির দিনে মালিকানায় থাকা সমুদয় বর্ধনশীল সম্পদের ওপর জাকাত আদায় করতে হবে। বছরের মধ্যে নতুন করে অর্জিত অর্থ বা স্বর্ণও চূড়ান্ত হিসাবে যুক্ত হবে।

তবে স্থাবর সম্পত্তি যেমন বসবাসের বাড়ি বা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জমির ওপর জাকাত ওয়াজিব নয়, যদি সেগুলো ব্যবসার পণ্য না হয়। একইভাবে ভাড়া দেওয়া বাড়ি বা গাড়ির মূল সম্পদের ওপর জাকাত নেই; তবে সেখান থেকে প্রাপ্ত আয় নেসাব পরিমাণে পৌঁছে এক বছর অতিবাহিত হলে তার ওপর জাকাত প্রযোজ্য হবে।