Dhaka ১০:৩৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৬ অগাস্ট ২০২৬, ১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিচারকের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় যে তথ্য দিলো পুলিশ

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫
  • / 121

রাজশাহীতে নিজ বাসায় খুন হওয়া মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান (সুমন) শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত সুমন রাজশাহী গভ. ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকার ভাড়া বাসায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান জানান, সুমনের গলায় শ্বাসরোধের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে এবং তার এক পায়ের আঙুল কাটা পাওয়া গেছে।

ঘটনার সময় হামলাকারী লিমন মিয়া (৩৫) একটি ব্যাগ নিয়ে বাসায় ঢুকে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ব্যাগ থেকে ছুরি বের করলে তাসমিন নাহার একটি কক্ষে ঢুকে দরজা আটকে দেন। লিমন বারবার লাথি মেরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

শব্দ শুনে পাশের কক্ষ থেকে সুমন এগিয়ে এলে কাজের মেয়ে তাকে ঘটনাটি জানায়। সুমন লিমনকে আটকাতে গেলে তাকে ওড়না জাতীয় কিছু দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার ও হামলাকারী লিমন দুজনই আহত হয়ে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাসমিন নাহারের পেটে ও ঊরুতে আঘাত রয়েছে এবং তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। লিমনের হাত, মাথা ও পায়ে জখম রয়েছে। তার জ্ঞান ফিরলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। হত্যার সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বিচারকের ছেলেকে হত্যার ঘটনায় যে তথ্য দিলো পুলিশ

প্রকাশের সময় : ১০:১৮:৫৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ নভেম্বর ২০২৫

রাজশাহীতে নিজ বাসায় খুন হওয়া মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান (সুমন) শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত সুমন রাজশাহী গভ. ল্যাবরেটরি উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিলেন।

বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেলে রাজশাহী নগরের ডাবতলা এলাকার ভাড়া বাসায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে। রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান জানান, সুমনের গলায় শ্বাসরোধের স্পষ্ট চিহ্ন রয়েছে এবং তার এক পায়ের আঙুল কাটা পাওয়া গেছে।

ঘটনার সময় হামলাকারী লিমন মিয়া (৩৫) একটি ব্যাগ নিয়ে বাসায় ঢুকে বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহারের সঙ্গে কথা বলছিলেন। একপর্যায়ে তিনি ব্যাগ থেকে ছুরি বের করলে তাসমিন নাহার একটি কক্ষে ঢুকে দরজা আটকে দেন। লিমন বারবার লাথি মেরে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢুকে তাদের মধ্যে ধস্তাধস্তি হয়।

শব্দ শুনে পাশের কক্ষ থেকে সুমন এগিয়ে এলে কাজের মেয়ে তাকে ঘটনাটি জানায়। সুমন লিমনকে আটকাতে গেলে তাকে ওড়না জাতীয় কিছু দিয়ে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে ধারণা করছে পুলিশ।

এ ঘটনায় বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার ও হামলাকারী লিমন দুজনই আহত হয়ে রামেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তাসমিন নাহারের পেটে ও ঊরুতে আঘাত রয়েছে এবং তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। লিমনের হাত, মাথা ও পায়ে জখম রয়েছে। তার জ্ঞান ফিরলে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করে। হত্যার সঠিক কারণ ময়নাতদন্তের পর জানা যাবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।