Dhaka ০৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রত্যেকটি এনার্জি সেক্টরে তিন মাসের রিজার্ভ নিশ্চয়তায় কাজ করছে সরকার মির্জা ফখরুল ইসলাম রাষ্ট্রপতি হওয়ায় ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের পথে নওগাঁ-৩ আসনের এমপি ফজলে হুদা বাবুল গোপালগঞ্জে ছাত্রলীগের মিছিল থেকে আটক ৬ পর্তুগালে জনসমক্ষে বোরকা ও মুখঢাকা পোশাকে নিষেধাজ্ঞা কক্সবাজার থেকে ঢাকাগামী বাসে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা ৩০ পর্যটকের স্টার্ককে শরিফুলের জবাব, বাংলাদেশের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার ১০১ রানের লিড বাংলাদেশসহ ৭৫ দেশের ভিসা আবেদন প্রক্রিয়াকরণে ট্রাম্পের স্থগিতাদেশ বাতিল কালীগঞ্জে গরু চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে নিহত ১ শিক্ষার মানোন্নয়নে বহরপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে দিন ব্যাপী বিশেষ মতবিনিময় সভা

ট্রেনে নিজের জুস পান করে নিজেই অচেতন অজ্ঞান পার্টির সদস্য!

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫
  • / 110

চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে মা-মেয়েকে জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার লুটের চেষ্টা করে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্য। তবে যাত্রীদের তাৎপর্যতায় ঘটনাস্থলেই হাতেনাতে ধরা পড়েন ওই প্রতারক। পরে তার কাছে থাকা জুস তাঁকে পান করানো হলে তিনিও অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পুলিশ ভুক্তভোগী মা-মেয়ে ও প্রতারককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

শনিবার ভোরে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগিতে এ ঘটনা ঘটে। আটক প্রতারকের নাম ফুল মিয়া (৫৫)। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে। ভুক্তভোগীরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের কৌশিলা রায় (৫০) ও তাঁর মেয়ে বীথি রানী (২৮)।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিরামপুর স্টেশন থেকে ওঠেন কৌশিলা ও তাঁর মেয়ে। তাঁদের পাশের ৭৭ নম্বর সিটে বসেন ফুল মিয়া। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি তাঁদের জুস পান করান। কিছুক্ষণের মধ্যে মা-মেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় তিনি তাঁদের কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেন।

বগির আরেক যাত্রী অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বিষয়টি আঁচ করে ফুল মিয়াকে আটক করেন এবং অন্য যাত্রীদের জানান। ফুল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করলে তাঁকে নিজের কাছে থাকা জুস পান করানো হয়। এতে তিনি নিজেও অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর বিষয়টি স্পষ্ট হলে তাঁকে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ-উন নবী বলেন, ভুক্তভোগী মা-মেয়ে ও ফুল মিয়াকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কৌশিলা রায়ের ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। তিনি আরও জানান, ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ও আসামি কেউই জ্ঞান ফেরেনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ট্রেনে নিজের জুস পান করে নিজেই অচেতন অজ্ঞান পার্টির সদস্য!

প্রকাশের সময় : ১২:০৯:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৫

চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে মা-মেয়েকে জুস পান করিয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালঙ্কার লুটের চেষ্টা করে অজ্ঞান পার্টির এক সদস্য। তবে যাত্রীদের তাৎপর্যতায় ঘটনাস্থলেই হাতেনাতে ধরা পড়েন ওই প্রতারক। পরে তার কাছে থাকা জুস তাঁকে পান করানো হলে তিনিও অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পুলিশ ভুক্তভোগী মা-মেয়ে ও প্রতারককে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

শনিবার ভোরে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগিতে এ ঘটনা ঘটে। আটক প্রতারকের নাম ফুল মিয়া (৫৫)। তিনি রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর গ্রামের আব্দুস ছামাদের ছেলে। ভুক্তভোগীরা হলেন—ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের কৌশিলা রায় (৫০) ও তাঁর মেয়ে বীথি রানী (২৮)।

রেলওয়ে পুলিশ জানায়, বিরামপুর স্টেশন থেকে ওঠেন কৌশিলা ও তাঁর মেয়ে। তাঁদের পাশের ৭৭ নম্বর সিটে বসেন ফুল মিয়া। আলাপচারিতার একপর্যায়ে তিনি তাঁদের জুস পান করান। কিছুক্ষণের মধ্যে মা-মেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। এ সময় তিনি তাঁদের কানের দুল ও নাকের ফুল খুলে নেন।

বগির আরেক যাত্রী অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুর রহিম বিষয়টি আঁচ করে ফুল মিয়াকে আটক করেন এবং অন্য যাত্রীদের জানান। ফুল মিয়া অভিযোগ অস্বীকার করলে তাঁকে নিজের কাছে থাকা জুস পান করানো হয়। এতে তিনি নিজেও অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এরপর বিষয়টি স্পষ্ট হলে তাঁকে ট্রেনে দায়িত্বরত পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ-উন নবী বলেন, ভুক্তভোগী মা-মেয়ে ও ফুল মিয়াকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। কৌশিলা রায়ের ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন। তিনি আরও জানান, ফুল মিয়ার নামে দেশের বিভিন্ন রেলওয়ে থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। বর্তমানে ভুক্তভোগী ও আসামি কেউই জ্ঞান ফেরেনি।