Dhaka ০৩:৪৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬, ৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

একে একে না ফেরার দেশে একই পরিবারের ৭ জন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫
  • / 96

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে একই পরিবারের আরও একজন মারা গেছেন। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আসমা বেগম (৩৫)। এ নিয়ে একই পরিবারের সাতজনের প্রাণহানি হলো।

এর আগে মারা যান আসমার মেয়ে কলেজছাত্রী তানজিলা আক্তার তিশা (১৭), আসমার বোন সালমা বেগম (৩০), ভায়রা হাসান গাজী (৪০), তার চার বছরের মেয়ে জান্নাত, এক মাস বয়সী শিশু ইমাম উদ্দিন এবং নানি তাহেরা আক্তার (৫৫)।

শিশু আরাফাত হোসেনের বাবা তানজিল হোসেন তাঞ্জু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণ আমার স্ত্রী, মেধাবী মেয়েসহ পুরো পরিবারকেই শেষ করে দিল। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”

এখনও মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে দুই শিশু—আসমার ছেলে আরাফাত হোসেন (১৫) ও হাসানের মেয়ে মুনতাহা (১১)। তাদের অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

২২ আগস্ট ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে নয়জন নারী-শিশু দগ্ধ হন।

ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনে দীর্ঘদিনের লিকেজই এর মূল কারণ। গ্যাস কোম্পানি বিষয়টি অস্বীকার করেছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

একে একে না ফেরার দেশে একই পরিবারের ৭ জন

প্রকাশের সময় : ০৯:০৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণে একই পরিবারের আরও একজন মারা গেছেন। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ১১টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান আসমা বেগম (৩৫)। এ নিয়ে একই পরিবারের সাতজনের প্রাণহানি হলো।

এর আগে মারা যান আসমার মেয়ে কলেজছাত্রী তানজিলা আক্তার তিশা (১৭), আসমার বোন সালমা বেগম (৩০), ভায়রা হাসান গাজী (৪০), তার চার বছরের মেয়ে জান্নাত, এক মাস বয়সী শিশু ইমাম উদ্দিন এবং নানি তাহেরা আক্তার (৫৫)।

শিশু আরাফাত হোসেনের বাবা তানজিল হোসেন তাঞ্জু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, “তিতাস গ্যাসের লিকেজ থেকে হওয়া বিস্ফোরণ আমার স্ত্রী, মেধাবী মেয়েসহ পুরো পরিবারকেই শেষ করে দিল। আমি এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।”

এখনও মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে দুই শিশু—আসমার ছেলে আরাফাত হোসেন (১৫) ও হাসানের মেয়ে মুনতাহা (১১)। তাদের অবস্থাও সংকটাপন্ন বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা।

২২ আগস্ট ভোরে সিদ্ধিরগঞ্জের হিরাঝিল এলাকায় একটি টিনশেড বাড়িতে এই বিস্ফোরণ ঘটে। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়লে নয়জন নারী-শিশু দগ্ধ হন।

ফায়ার সার্ভিসের ধারণা, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে ফ্রিজের কম্প্রেসার বিস্ফোরণ ঘটেছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, তিতাস গ্যাসের পাইপলাইনে দীর্ঘদিনের লিকেজই এর মূল কারণ। গ্যাস কোম্পানি বিষয়টি অস্বীকার করেছে।