বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর, ২০২৬, ২১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পেটে খাবার ছিল না, পায়ে ছিল না জুতা, সেই ছেলে আজ রিয়াল মাদ্রিদের তারকা এমন হারের দায় কি শুধুই নাজমুল–লিটনদের জানুয়ারিতে বাংলাদেশে আসতে রাজি ভারত কুমার বিশ্বজিতের গাওয়া কালজয়ী গান এবার পিয়ানো ভার্সনে ওয়ানডেতে কোহলির সেরা ইনিংস: ৫৫ সেঞ্চুরির ওপরে সেই ৪৩ রান পরীমনির দেহরক্ষীর বিরুদ্ধে বিচারপ্রার্থীর মাথা ফাটানোর অভিযোগ, নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন আইনজীবীর মাঠের বাইরে দি মারিয়া আসলে কেমন মানুষ: তাঁর অজানা কিছু গল্প ফিডব্যাকের ৫০ বছর: সারাদেশে কনসার্টসহ আরও যত পরিকল্পনা পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন ইমরান খান: হাসপাতালের জন্য ক্রিকেটে ফেরা, এরপর বিশ্বকাপ জয়

৯ গোলে কোমোর রেকর্ড, অন্য ম্যাচগুলোতেও যেসব রেকর্ড হলো

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
  • / 6
৯ গোলে কোমোর রেকর্ড, অন্য ম্যাচগুলোতেও যেসব রেকর্ড হলো

কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস কোন উচ্চতায় তুলছেন কোমোকে? ইউরোপিয়ান ফুটবলে এখন এই প্রশ্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার প্রথম খেলতে এসে চার ম্যাচ শেষে গোলের হিসাবে কোমোর ওপরে শুধু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি! এই চার ম্যাচে ৩ জয় এবং ১ হারের পথে ১৯ গোল করেছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। হজম করেছে ৬ গোল। অর্থাৎ কোমোর গোল ব্যবধান +১৩। ৪ ম্যাচে ২০ গোল পিএসজি শুধু গোল ব্যবধানে (+১৫) কোমোর ওপরে। গতকাল রাতে ফরাসি ক্লাব লেঁসকে তাঁদের মাঠে ৯–১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফ্যাব্রেগাসের দল। এই জয়ে বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে সিরি আ পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ দলটি। আসুন জেনে নিই, কোমোর জয়সহ গতকাল রাতে অন্যান্য ম্যাচের কিছু কীর্তি, মাইলফলক ও রেকর্ড:

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। এর আগে ২০০৭ সালে বেসিকতাসকে ৮–০ গোলে হারায় লিভারপুল। ২০১৫ সালে মালমোকে ৮–০ গোলে হারায় রিয়াল মাদ্রিদ।

চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোলের রেকর্ড গড়ল কোমো। প্রতিযোগিতাটির পূর্ববর্তী সংস্করণ ইউরোপিয়ান কাপে সর্বশেষ ১৯৭১ সালে অলিম্পিকায়োসের মাঠে ৯–০ গোলে জিতেছে ফেইনুর্ড। এমন নজির আছে আরও তিনটি—কেআর রিকজাভিকের মাঠে ফেইনুর্ডের ১২–২ গোলের জয় (১৯৬৯), হাকার মাঠে অ্যান্ডারলেখটের ১০–১ গোলের জয় (১৯৬৬) ও রেইপাস লাহথির মাঠে স্পার্তাক ত্রনাভার ৯-১ গোলের জয় (১৯৬৮)।

চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন মিউনিখের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে এক ম্যাচে ৯ গোল করল ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দিনামো জাগরেবকে ৯–২ গোলে হারায় বায়ার্ন।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

ইতালির প্রথম ক্লাব হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৯ গোল করল কোমো।

কোমোর হয়ে হ্যাটট্রিক করেন গ্রিসের স্ট্রাইকার তাসোস দুভিকাস। চ্যাম্পিয়নস লিগে তৃতীয় গ্রিক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন দুভিকাস।

ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় প্রথম চার ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৯ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। ১৯৭৬ সালে একই কীর্তি গড়েছে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৯ গোলে কোমোর রেকর্ড, অন্য ম্যাচগুলোতেও যেসব রেকর্ড হলো

প্রকাশের সময় : ০১:৪৫:৪৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬

কোচ সেস্ক ফ্যাব্রেগাস কোন উচ্চতায় তুলছেন কোমোকে? ইউরোপিয়ান ফুটবলে এখন এই প্রশ্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগে এবার প্রথম খেলতে এসে চার ম্যাচ শেষে গোলের হিসাবে কোমোর ওপরে শুধু বর্তমান চ্যাম্পিয়ন পিএসজি! এই চার ম্যাচে ৩ জয় এবং ১ হারের পথে ১৯ গোল করেছে ইতালিয়ান ক্লাবটি। হজম করেছে ৬ গোল। অর্থাৎ কোমোর গোল ব্যবধান +১৩। ৪ ম্যাচে ২০ গোল পিএসজি শুধু গোল ব্যবধানে (+১৫) কোমোর ওপরে। গতকাল রাতে ফরাসি ক্লাব লেঁসকে তাঁদের মাঠে ৯–১ গোলে বিধ্বস্ত করে ফ্যাব্রেগাসের দল। এই জয়ে বেশ কিছু রেকর্ড গড়েছে সিরি আ পয়েন্ট তালিকায় চতুর্থ দলটি। আসুন জেনে নিই, কোমোর জয়সহ গতকাল রাতে অন্যান্য ম্যাচের কিছু কীর্তি, মাইলফলক ও রেকর্ড:

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

চ্যাম্পিয়নস লিগে সবচেয়ে বড় ব্যবধানে জয়ের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। এর আগে ২০০৭ সালে বেসিকতাসকে ৮–০ গোলে হারায় লিভারপুল। ২০১৫ সালে মালমোকে ৮–০ গোলে হারায় রিয়াল মাদ্রিদ।

চ্যাম্পিয়নস লিগে প্রথম দল হিসেবে প্রতিপক্ষের মাঠে ৯ গোলের রেকর্ড গড়ল কোমো। প্রতিযোগিতাটির পূর্ববর্তী সংস্করণ ইউরোপিয়ান কাপে সর্বশেষ ১৯৭১ সালে অলিম্পিকায়োসের মাঠে ৯–০ গোলে জিতেছে ফেইনুর্ড। এমন নজির আছে আরও তিনটি—কেআর রিকজাভিকের মাঠে ফেইনুর্ডের ১২–২ গোলের জয় (১৯৬৯), হাকার মাঠে অ্যান্ডারলেখটের ১০–১ গোলের জয় (১৯৬৬) ও রেইপাস লাহথির মাঠে স্পার্তাক ত্রনাভার ৯-১ গোলের জয় (১৯৬৮)।

চ্যাম্পিয়নস লিগে বায়ার্ন মিউনিখের পর দ্বিতীয় দল হিসেবে এক ম্যাচে ৯ গোল করল ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে দিনামো জাগরেবকে ৯–২ গোলে হারায় বায়ার্ন।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

ইতালির প্রথম ক্লাব হিসেবে চ্যাম্পিয়নস লিগে ৯ গোল করল কোমো।

কোমোর হয়ে হ্যাটট্রিক করেন গ্রিসের স্ট্রাইকার তাসোস দুভিকাস। চ্যাম্পিয়নস লিগে তৃতীয় গ্রিক খেলোয়াড় হিসেবে হ্যাটট্রিক করলেন দুভিকাস।

ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় প্রথম চার ম্যাচে সর্বোচ্চ ১৯ গোলের রেকর্ডে ভাগ বসাল কোমো। ১৯৭৬ সালে একই কীর্তি গড়েছে কুইন্স পার্ক রেঞ্জার্স।