মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
নাটকীয় ম্যাচে চট্টগ্রামের ১ উইকেটের জয়, সাদিকুরের সেঞ্চুরি মা–বাবার সঙ্গে ছোট্ট আনায়া, অপূর্বকন্যার মিষ্টি ছবি ছয় সন্তানকে বড় করেও শেষ বয়সে গাছের নিচে ঠাঁই ৯৫ বছরের বৃদ্ধ পিতার তিন ম্যাচ খেলার পর আদালত বললেন দল অবৈধ ক্যানসারের লড়াইয়ে সামিয়া, মাথা ন্যাড়া করে পাশে স্বামী-সন্তান নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাম্পাস সবুজায়ন প্রকল্পের আওতায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ভারত–পাকিস্তান ম্যাচে টিকিটের চাহিদা বিশ্বকাপ ফাইনালের চেয়েও বেশি প্রেমের টানে সিলেটে এসে বিয়ে, পুলিশ হেফাজতে চীনা যুবক রহস্যময় প্রাণীর তদন্ত থেকে ভয়াবহ বিপর্যয় সরকারকে ব্যর্থ করতে একাত্তর ও চব্বিশের পরাজিত শক্তি অপচেষ্টা চালাচ্ছে: রাশেদ খাঁন

প্রেমের টানে সিলেটে এসে বিয়ে, পুলিশ হেফাজতে চীনা যুবক

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / 10

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে সিলেটের ওসমানীনগরে এসে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে করেছেন লিও ফাভিন নামের এক চীনা নাগরিক। তবে তাঁর ধর্ম ও বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সংশয় ও উত্তেজনা দেখা দিলে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও আইনি বিয়ের প্রমাণপত্র যাচাই শেষে তাঁকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের দিঘিরপাড় এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন জামাল মিয়া (মূল বাড়ি জগন্নাথপুরের সাহারপাড়ায়)। তাঁর মেয়ে ছামিয়া আক্তারের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে চীনের জিয়াংসি প্রদেশের বাসিন্দা লিও ফাভিনের।

সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশে এসে ছামিয়ার বাসায় ওঠেন লিও। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে সোমবার বিকেল থেকে উৎসুক জনতা বাড়িটিতে ভিড় জমান। একপর্যায়ে ওই চীনা নাগরিকের ধর্মবিশ্বাস ও বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত ১১টার দিকে পুলিশ এসে লিওকে নিরাপত্তা হেফাজতে থানায় নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে লিও’র ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সনদ ও বিয়ের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র দেখালে পুলিশ তাঁকে ছেড়ে দেয়।

লিও ফাভিন জানান, অনলাইনে পরিচয়ের পর ছামিয়ার সঙ্গে তাঁর গভীর প্রেম হয় এবং তাঁকে বিয়ে করতেই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি নিজের নাম রেখেছেন ‘আব্দুল্লাহ’। ধর্মীয় ও আইনি সব প্রক্রিয়া মেনেই ছামিয়াকে বিয়ে করেছেন বলে জানান তিনি।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, মূলত তাঁর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকার ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে ধর্মান্তরিত হওয়া ও বিয়ের সঠিক প্রমাণপত্র প্রদর্শনের পর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জিম্মায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রেমের টানে সিলেটে এসে বিয়ে, পুলিশ হেফাজতে চীনা যুবক

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৬:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬

প্রেমের টানে সুদূর চীন থেকে সিলেটের ওসমানীনগরে এসে বাংলাদেশি তরুণীকে বিয়ে করেছেন লিও ফাভিন নামের এক চীনা নাগরিক। তবে তাঁর ধর্ম ও বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে সংশয় ও উত্তেজনা দেখা দিলে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়। পরবর্তীতে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ ও আইনি বিয়ের প্রমাণপত্র যাচাই শেষে তাঁকে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয় পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওসমানীনগর উপজেলার তাজপুর ইউনিয়নের কাদিপুর গ্রামের দিঘিরপাড় এলাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন জামাল মিয়া (মূল বাড়ি জগন্নাথপুরের সাহারপাড়ায়)। তাঁর মেয়ে ছামিয়া আক্তারের সঙ্গে অনলাইনে পরিচয় ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে চীনের জিয়াংসি প্রদেশের বাসিন্দা লিও ফাভিনের।

সেই সম্পর্কের সূত্র ধরে প্রায় এক সপ্তাহ আগে বাংলাদেশে এসে ছামিয়ার বাসায় ওঠেন লিও। বিষয়টি এলাকায় জানাজানি হলে সোমবার বিকেল থেকে উৎসুক জনতা বাড়িটিতে ভিড় জমান। একপর্যায়ে ওই চীনা নাগরিকের ধর্মবিশ্বাস ও বিয়ে নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে সন্দেহ ও উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাত ১১টার দিকে পুলিশ এসে লিওকে নিরাপত্তা হেফাজতে থানায় নিয়ে যায়। পরে গভীর রাতে শ্বশুরবাড়ির লোকজন এসে লিও’র ইসলাম ধর্ম গ্রহণের সনদ ও বিয়ের প্রয়োজনীয় বৈধ কাগজপত্র দেখালে পুলিশ তাঁকে ছেড়ে দেয়।

লিও ফাভিন জানান, অনলাইনে পরিচয়ের পর ছামিয়ার সঙ্গে তাঁর গভীর প্রেম হয় এবং তাঁকে বিয়ে করতেই তিনি বাংলাদেশে এসেছেন। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করে তিনি নিজের নাম রেখেছেন ‘আব্দুল্লাহ’। ধর্মীয় ও আইনি সব প্রক্রিয়া মেনেই ছামিয়াকে বিয়ে করেছেন বলে জানান তিনি।

ওসমানীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, মূলত তাঁর সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং এলাকার ভুল বোঝাবুঝি দূর করতে তাঁকে পুলিশ হেফাজতে আনা হয়েছিল। পরবর্তীতে ধর্মান্তরিত হওয়া ও বিয়ের সঠিক প্রমাণপত্র প্রদর্শনের পর শ্বশুরবাড়ির লোকজনের জিম্মায় তাঁকে মুক্তি দেওয়া হয়।