মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর, ২০২৬, ১৯ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot

আপিলের সময়সীমা শেষে গ্রেফতার হলেই দণ্ডিত পলাতকদের সাজা কার্যকর: চিফ প্রসিকিউটর

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৩:৩৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
  • / 14
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত পলাতক আসামিদের আপিলের নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা পার হওয়ার পর গ্রেফতার হওয়ামাত্রই সাজা কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ২১ ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের না করলে পরবর্তীতে আর সেই সুযোগ থাকে না। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পর পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে সাজা কার্যকরের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তারা ধরা পড়লেই সরাসরি দণ্ড কার্যকর করা হবে।
দণ্ডিত পলাতকদের ফিরিয়ে আনা ও গ্রেফতারে নেওয়া পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গ্রেফতারের পর অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত রায় বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে রাষ্ট্রপক্ষ।
উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন। দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন এখনও পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার ও দণ্ড কার্যকরে তৎপর রয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আপিলের সময়সীমা শেষে গ্রেফতার হলেই দণ্ডিত পলাতকদের সাজা কার্যকর: চিফ প্রসিকিউটর

প্রকাশের সময় : ০৩:৩৮:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০২৬
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় দণ্ডিত পলাতক আসামিদের আপিলের নির্ধারিত ৩০ দিনের সময়সীমা পার হওয়ার পর গ্রেফতার হওয়ামাত্রই সাজা কার্যকরের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের প্রসিকিউশন কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ (ট্রাইব্যুনাল) আইন, ১৯৭৩-এর ২১ ধারা অনুযায়ী ট্রাইব্যুনালের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করার জন্য ৩০ দিন সময় নির্ধারিত রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে আপিল দায়ের না করলে পরবর্তীতে আর সেই সুযোগ থাকে না। নির্ধারিত সময় পার হয়ে যাওয়ার পর পলাতক আসামিদের ক্ষেত্রে সাজা কার্যকরের আইনি প্রক্রিয়া শুরু হবে এবং তারা ধরা পড়লেই সরাসরি দণ্ড কার্যকর করা হবে।
দণ্ডিত পলাতকদের ফিরিয়ে আনা ও গ্রেফতারে নেওয়া পদক্ষেপ প্রসঙ্গে তিনি আরও জানান, আসামিদের অবস্থান শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। গ্রেফতারের পর অবিলম্বে তাদের বিরুদ্ধে ঘোষিত রায় বাস্তবায়নে পদক্ষেপ নেবে রাষ্ট্রপক্ষ।
উল্লেখ্য, জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ইতোমধ্যে মৃত্যুদণ্ডসহ বিভিন্ন মেয়াদের সাজা ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন। দণ্ডিত আসামিদের মধ্যে কয়েকজন এখনও পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতার ও দণ্ড কার্যকরে তৎপর রয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।