রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভালো ব্যাটসম্যানরা কি অন্ধকারেও দেখতে পান ‘প্রবাসীরা আসায় স্থানীয়দেরও উন্নতির তাগিদ তৈরি হয়েছে’ কোল্লাপাথর: মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, জেমস এলেন রাত ১০টায়… আট কারণে উদ্বোধনের আগেই ‘লেজেগোবরে’ সাফ জুলাই চেতনার মালিকানা দাবি করতে থাকলে নবীন বন্ধুরা নবীনই থেকে যাবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ টিভিতে যা যা দেখবেন (৬ নভেম্বর, ২০২৬) একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদীরা এক হয়ে ষড়যন্ত্র করছে: শামা ওবায়েদ খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের ‘আমি শুনেছি সেদিন তুমি’র সুর শাহরুখের সিনেমার গানে? মৌসুমীর ভিন্নমত

একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদীরা এক হয়ে ষড়যন্ত্র করছে: শামা ওবায়েদ

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১০:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / 20
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, “একাত্তরের পরাজিত শক্তি এবং গত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী পরাজিত ফ্যাসিবাদীরা আজ এক হয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।”
শনিবার ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌর সদরের শহীদ আক্রামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগরকান্দা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এ সভার আয়োজন করে।
বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে শামা ওবায়েদ বলেন, পরাজিত এই অপশক্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশকে শোষণ, শাসন ও নির্যাতন করেছে। এখনো তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “শ্রমিক ভাই-বোনেরা সবসময় তাদের ন্যায্য দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছেন। তাদের ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে যে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী হামলা চালানো হচ্ছে, বাংলাদেশের জনগণ যেকোনো মূল্যে সেই সন্ত্রাসীদের দমন করবে।”
বিদেশে অবস্থানরত বিগত সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিদেশে বসে শুধু হুংকার দিলে চলবে না। যারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দুর্নীতি, গুম, খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তারা আজ বিদেশের মাটিতে বসে মানবাধিকারের ছবক দিচ্ছে। দূরদেশে বসে বাসে-ট্রাকে আগুন দিয়ে জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কখনোই মেনে নেবে না।”
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের পটভূমি তুলে ধরে তিনি বলেন, “এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন সিপাহি-জনতার ঐক্য ঘটেছিল বলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি সঠিক দিশা পেয়েছিল। তৎকালীন সময়ে পরাজিত শক্তি দেশকে বিপথগামী করার এবং পরনির্ভরশীল করার গভীর চক্রান্ত করেছিল। কিন্তু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাপ্রধান হিসেবে জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিকামী জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষা রক্ষা পায়।”
তিনি দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শিক্ষা দেয় যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক মুক্তির স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার ফজলুর রহমান টুলু, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এবং নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী শরীফ প্রমুখ।
Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদীরা এক হয়ে ষড়যন্ত্র করছে: শামা ওবায়েদ

প্রকাশের সময় : ১০:০৪:২০ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী, ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক শামা ওবায়েদ ইসলাম বলেছেন, “একাত্তরের পরাজিত শক্তি এবং গত ১৭ বছরের স্বৈরাচারী পরাজিত ফ্যাসিবাদীরা আজ এক হয়ে বাংলাদেশের জনগণের বিরুদ্ধে, গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।”
শনিবার ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুরের নগরকান্দা পৌর সদরের শহীদ আক্রামুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। নগরকান্দা উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠন এ সভার আয়োজন করে।
বিগত সরকারের কঠোর সমালোচনা করে শামা ওবায়েদ বলেন, পরাজিত এই অপশক্তি দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দেশকে শোষণ, শাসন ও নির্যাতন করেছে। এখনো তারা দেশকে অস্থিতিশীল করার পাঁয়তারা চালিয়ে যাচ্ছে।
পোশাক শ্রমিকদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “শ্রমিক ভাই-বোনেরা সবসময় তাদের ন্যায্য দাবিতে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করেছেন। তাদের ন্যায্য দাবিগুলো বাস্তবায়নে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে। কিন্তু এর সুযোগ নিয়ে ঢাকা শহরের বিভিন্ন স্থানে যে সহিংসতা ও সন্ত্রাসী হামলা চালানো হচ্ছে, বাংলাদেশের জনগণ যেকোনো মূল্যে সেই সন্ত্রাসীদের দমন করবে।”
বিদেশে অবস্থানরত বিগত সরকারের শীর্ষ ব্যক্তিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বিদেশে বসে শুধু হুংকার দিলে চলবে না। যারা দীর্ঘ ১৭ বছর ধরে দুর্নীতি, গুম, খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে, তারা আজ বিদেশের মাটিতে বসে মানবাধিকারের ছবক দিচ্ছে। দূরদেশে বসে বাসে-ট্রাকে আগুন দিয়ে জনগণের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলা বাংলাদেশের সাধারণ মানুষ কখনোই মেনে নেবে না।”
ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বরের পটভূমি তুলে ধরে তিনি বলেন, “এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাস ও ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সেদিন সিপাহি-জনতার ঐক্য ঘটেছিল বলেই শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ একটি সঠিক দিশা পেয়েছিল। তৎকালীন সময়ে পরাজিত শক্তি দেশকে বিপথগামী করার এবং পরনির্ভরশীল করার গভীর চক্রান্ত করেছিল। কিন্তু একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সেনাপ্রধান হিসেবে জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব এবং মুক্তিকামী জনতার আশা-আকাঙ্ক্ষা রক্ষা পায়।”
তিনি দলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ৭ নভেম্বরের চেতনা আমাদের শিক্ষা দেয় যেকোনো মূল্যে দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অর্থনৈতিক মুক্তির স্বার্থে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহসভাপতি হাবিবুর রহমান বাবুল তালুকদারের সভাপতিত্বে এবং সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাইফুর রহমান মুকুলের সঞ্চালনায় সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন ফরিদপুর জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক খন্দকার ফজলুর রহমান টুলু, সালথা উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান এবং নগরকান্দা উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী শরীফ প্রমুখ।