রবিবার, ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভালো ব্যাটসম্যানরা কি অন্ধকারেও দেখতে পান ‘প্রবাসীরা আসায় স্থানীয়দেরও উন্নতির তাগিদ তৈরি হয়েছে’ কোল্লাপাথর: মুক্তিযুদ্ধের বীরত্বগাথা ও পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞ সাত ব্যান্ডের মিলনমেলা, জেমস এলেন রাত ১০টায়… আট কারণে উদ্বোধনের আগেই ‘লেজেগোবরে’ সাফ জুলাই চেতনার মালিকানা দাবি করতে থাকলে নবীন বন্ধুরা নবীনই থেকে যাবেন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ টিভিতে যা যা দেখবেন (৬ নভেম্বর, ২০২৬) একাত্তরের পরাজিত শক্তি ও ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদীরা এক হয়ে ষড়যন্ত্র করছে: শামা ওবায়েদ খাজা বই লিখে কত টাকা পাচ্ছেন, অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রশ্ন কোচের ‘আমি শুনেছি সেদিন তুমি’র সুর শাহরুখের সিনেমার গানে? মৌসুমীর ভিন্নমত

‘প্রবাসীরা আসায় স্থানীয়দেরও উন্নতির তাগিদ তৈরি হয়েছে’

স্পোর্টস ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : ১১:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬
  • / 6
‘প্রবাসীরা আসায় স্থানীয়দেরও উন্নতির তাগিদ তৈরি হয়েছে’

জাতীয় দলে ফিরেই ‘সুপার-সাব’ হিসেবে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেললেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম; বৃহস্পতিবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে করলেন জয়সূচক গোল। ফর্টিস এফসির হয়ে দারুণ ছন্দে থাকা ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড তার গোল, বেঞ্চে ও দলের বাইরে কাটানো সময়, জাতীয় দলে ফের ডাক পেতে নিজের পারফরম্যান্সে আনা উন্নতির বাইরেও দলের ভেতরের আবহ নিয়ে ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সঙ্গে কথা বলেছেন।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

মোহাম্মদ ইব্রাহিম: যখন মাঠে নামি, কোচ আমাকে বলছিল থার্ড ম্যান হিসেবে বক্সে রান করার জন্য। কারণ আমাদের তখন গোল হচ্ছিল না, গোলের দরকার ছিল। ডি-বক্সে বল যাচ্ছিল অনেক, বলছিল ডি-বক্সের আশপাশে থাকতে। আমার লক্ষ্য ছিল অনেক দিন পর সুযোগ যখন পেয়েছি, সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে। যেন গোল করতে পারি, অনেক ভালো লাগছে এখন।

ওই নির্দিষ্টভাবে ওই গোলটা আমরা যেটা দেখলাম—লেফট সাইড থেকে একটা ক্রস গেল, একটু যদি বর্ণনা দিতেন।

ইব্রাহিম: বল যখন ক্রস হয়ে ডি-বক্সে আসছিল, তখন আমি রিড করছিলাম যে বলটা কোথায় থাকতে পারে। যখনই দেখলাম বল এয়ারে শমিতের মাথায়, তখন আমি সেকেন্ড বলটা কোথায় পড়তে পারে ওইটার জন্য তৈরি ছিলাম। সেকেন্ড বলটা দেখলাম আমার ফেভারে আসছে। এরপর গোলকিপারের দিকে একটু তাকাই, পরে বারে ট্রাই করি।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

ইব্রাহিম: ওই মুহূর্ত তো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এটা শুধুমাত্র ফরোয়ার্ড লাইনের প্লেয়ার হিসেবে না, যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য… ওই মুহূর্তে দেশের মাটিতে এতগুলো দর্শকের সামনে গোল করা, এটা তো অবিশ্বাস্য একটা ব্যাপার। সেটা তো ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তখন মাথায় অনেক কিছু ঘুরপাক খায়, অনেক কিছু মনে রাখা যায় না। কারণ ওটা একটা রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।

ইব্রাহিম, মুরাস ইউনাইটেডের বিপক্ষে আপনার গোলেই আসলে দলটা (ফর্টিস এফসি) বের হয়ে গেল। তারপরে ধরেন এশিয়ান কাপ আসলো, ফিফা আসিয়ান কাপে প্রিলিমিনারি স্কোয়াডে ডাক পেলেন, ফাইনাল স্কোয়াডে আপনি ছিলেন না। এই যে দলে ফিরতে আপনাকে কী ধরনের কাজ করতে হয়েছে?

ইব্রাহিম: আসলে আগে যেরকম খেলতাম আমরা—উইংয়ে গিয়ে ক্রস করা, তারপর ডিফেন্সে হেল্প করা। দেখছি এটা এখন সাম্প্রতিক সময়ে ফরোয়ার্ড লাইনের প্লেয়ার হিসেবে ইনভার্টেড উইঙ্গার হয়ে গোল করা ডি-বক্সে, এটা আমাদের আগে ছিল না। আমি এটা অনেক দিন ধরে অ্যানালাইসিস করছিলাম। এখন আমার গোল কন্ট্রিবিউশন কতগুলো, অ্যাসিস্ট করতে হবে, গোল করতে হবে… ক্লাবে এখন এটাই চেষ্টা করি যে আমি যেহেতু ফরোয়ার্ড লাইনের প্লেয়ার, আমার গোলের মানে ডি-বক্সের আশপাশে থাকাটা উচিত। অ্যাসিস্ট করা না হলে গোল করা, এটাই এই লিগেও ট্রাই করেছি আমি। লিগে ভালো করছি, জাতীয় দলেও এটা চেষ্টা করছি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

‘প্রবাসীরা আসায় স্থানীয়দেরও উন্নতির তাগিদ তৈরি হয়েছে’

প্রকাশের সময় : ১১:৪৫:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ নভেম্বর ২০২৬

জাতীয় দলে ফিরেই ‘সুপার-সাব’ হিসেবে তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেললেন মোহাম্মদ ইব্রাহিম; বৃহস্পতিবার সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের উদ্বোধনী ম্যাচে ভুটানের বিপক্ষে করলেন জয়সূচক গোল। ফর্টিস এফসির হয়ে দারুণ ছন্দে থাকা ২৯ বছর বয়সী এই ফরোয়ার্ড তার গোল, বেঞ্চে ও দলের বাইরে কাটানো সময়, জাতীয় দলে ফের ডাক পেতে নিজের পারফরম্যান্সে আনা উন্নতির বাইরেও দলের ভেতরের আবহ নিয়ে ‘দ্য ডেইলি স্টার’-এর সঙ্গে কথা বলেছেন।

খেলার মাঠের প্রেক্ষাপট ও মূল মুহূর্ত

মোহাম্মদ ইব্রাহিম: যখন মাঠে নামি, কোচ আমাকে বলছিল থার্ড ম্যান হিসেবে বক্সে রান করার জন্য। কারণ আমাদের তখন গোল হচ্ছিল না, গোলের দরকার ছিল। ডি-বক্সে বল যাচ্ছিল অনেক, বলছিল ডি-বক্সের আশপাশে থাকতে। আমার লক্ষ্য ছিল অনেক দিন পর সুযোগ যখন পেয়েছি, সুযোগটা কাজে লাগাতে হবে। যেন গোল করতে পারি, অনেক ভালো লাগছে এখন।

ওই নির্দিষ্টভাবে ওই গোলটা আমরা যেটা দেখলাম—লেফট সাইড থেকে একটা ক্রস গেল, একটু যদি বর্ণনা দিতেন।

ইব্রাহিম: বল যখন ক্রস হয়ে ডি-বক্সে আসছিল, তখন আমি রিড করছিলাম যে বলটা কোথায় থাকতে পারে। যখনই দেখলাম বল এয়ারে শমিতের মাথায়, তখন আমি সেকেন্ড বলটা কোথায় পড়তে পারে ওইটার জন্য তৈরি ছিলাম। সেকেন্ড বলটা দেখলাম আমার ফেভারে আসছে। এরপর গোলকিপারের দিকে একটু তাকাই, পরে বারে ট্রাই করি।

ম্যাচের বিশ্লেষণ ও পরবর্তী প্রতিক্রিয়া

ইব্রাহিম: ওই মুহূর্ত তো ভাষায় প্রকাশ করার মতো না। এটা শুধুমাত্র ফরোয়ার্ড লাইনের প্লেয়ার হিসেবে না, যেকোনো খেলোয়াড়ের জন্য… ওই মুহূর্তে দেশের মাটিতে এতগুলো দর্শকের সামনে গোল করা, এটা তো অবিশ্বাস্য একটা ব্যাপার। সেটা তো ভাষায় প্রকাশ করতে পারব না। তখন মাথায় অনেক কিছু ঘুরপাক খায়, অনেক কিছু মনে রাখা যায় না। কারণ ওটা একটা রোমাঞ্চকর মুহূর্ত।

ইব্রাহিম, মুরাস ইউনাইটেডের বিপক্ষে আপনার গোলেই আসলে দলটা (ফর্টিস এফসি) বের হয়ে গেল। তারপরে ধরেন এশিয়ান কাপ আসলো, ফিফা আসিয়ান কাপে প্রিলিমিনারি স্কোয়াডে ডাক পেলেন, ফাইনাল স্কোয়াডে আপনি ছিলেন না। এই যে দলে ফিরতে আপনাকে কী ধরনের কাজ করতে হয়েছে?

ইব্রাহিম: আসলে আগে যেরকম খেলতাম আমরা—উইংয়ে গিয়ে ক্রস করা, তারপর ডিফেন্সে হেল্প করা। দেখছি এটা এখন সাম্প্রতিক সময়ে ফরোয়ার্ড লাইনের প্লেয়ার হিসেবে ইনভার্টেড উইঙ্গার হয়ে গোল করা ডি-বক্সে, এটা আমাদের আগে ছিল না। আমি এটা অনেক দিন ধরে অ্যানালাইসিস করছিলাম। এখন আমার গোল কন্ট্রিবিউশন কতগুলো, অ্যাসিস্ট করতে হবে, গোল করতে হবে… ক্লাবে এখন এটাই চেষ্টা করি যে আমি যেহেতু ফরোয়ার্ড লাইনের প্লেয়ার, আমার গোলের মানে ডি-বক্সের আশপাশে থাকাটা উচিত। অ্যাসিস্ট করা না হলে গোল করা, এটাই এই লিগেও ট্রাই করেছি আমি। লিগে ভালো করছি, জাতীয় দলেও এটা চেষ্টা করছি।