বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর, ২০২৬, ১৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সত্যানুসন্ধান মোদের অঙ্গীকার Jonotar Adalot
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
জামায়াতের সাবেক রুকনকে এনসিপির আহ্বায়ক করায় বিতর্ক, চার ঘণ্টায় পদত্যাগ কোটচাঁদপুর হাসপাতালে সেবার মানোন্নয়নে এমপির সমন্বয় সভা সুপার এল নিনোর তাণ্ডবে বিশ্বে পৌনে ৪ লাখ প্রাণহানির শঙ্কা ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই : আইনমন্ত্রী মার্কিন পারমাণবিক অস্ত্র কেন্দ্রে আগুন ট্রেন দুর্ঘটনা, স্পেনে তিন দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ১৬তম বাংলাদেশ রসায়ন অলিম্পিয়াড আয়োজনের দায়িত্বে জবির রসায়ন বিভাগ সততা ও পেশাদারি জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ২৭২ রানে গুটিয়ে গেল বাংলাদেশ মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগ নেতা হানিফের মৃত্যুদণ্ডাদেশ

ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই : আইনমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০১:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
  • / 6

ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে বিচারব্যবস্থাকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে বিচারকদের ওপর মামলার চাপ কমানো এবং বিচারিক কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে।

বিচারকদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কোনো জায়গায় এমন অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন। বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুটোর মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। যদি এমন আয়েশি জুডিশিয়াল অফিসার কেউ থেকে থাকেন, আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ন্যায়বিচারের জায়গাটাকে যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হয়, তাহলে আমাদের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।’

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল খাত। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট। তাঁরা এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এআই প্রযুক্তিকে এগিয়ে নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে এবং জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরার বিধানও রয়েছে। এসব কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইতোমধ্যে কোনো কোনো আসামির ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে কারাগার থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে আসামির হাজিরা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আদালতও ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেই হাজিরা গ্রহণ করছেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় নিয়ে যেতে চাই : আইনমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ০১:৩২:২৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬

ন্যায়বিচারকে মানুষের আস্থা, বিশ্বাস ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে বিচারব্যবস্থাকে যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে আধুনিকায়নের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একই সঙ্গে বিচারকদের ওপর মামলার চাপ কমানো এবং বিচারিক কার্যক্রমে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) ঢাকায় ই-পারিবারিক আপিল আদালতের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন আইনমন্ত্রী।

তিনি বলেন, দেশে ৪৬ লাখের বেশি মামলা বিচারাধীন রয়েছে। বিপুলসংখ্যক মামলা নিষ্পত্তি করতে গিয়ে বিচারকদের ওপর অমানবিক চাপ তৈরি হচ্ছে। এ চাপ কমাতে সরকার কাজ করছে।

বিচারকদের দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘কোনো কোনো জায়গায় এমন অভিযোগ আছে, কেউ কেউ দুই-তিন ঘণ্টা কোর্ট করেন। বেলা ১১টায় আসেন, দেড়টা-দুটোর মধ্যে কাজ শেষ করে চলে যান। যদি এমন আয়েশি জুডিশিয়াল অফিসার কেউ থেকে থাকেন, আমরা অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’

বিচারব্যবস্থার আধুনিকায়নের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরে মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘ন্যায়বিচারের জায়গাটাকে যদি সত্যিকার অর্থে মানুষের আস্থা ও ভরসার জায়গায় পরিণত করতে হয়, তাহলে আমাদের যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।’

তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিজিটাল খাত। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে হবে। বিশেষ করে তরুণ বিচারকরা অনেক বেশি স্মার্ট। তাঁরা এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করে এআই প্রযুক্তিকে এগিয়ে নেবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ইতোমধ্যে ই-বেইল বন্ড চালু করা হয়েছে এবং জনগণ এর সুফল পেতে শুরু করেছে। ডিজিটাল পদ্ধতিতে সাক্ষ্য গ্রহণ ও হাজিরার বিধানও রয়েছে। এসব কার্যক্রম আরও কার্যকরভাবে ডিজিটাল ব্যবস্থায় আনার বিষয়ে চিন্তাভাবনা চলছে।

তিনি জানান, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ইতোমধ্যে কোনো কোনো আসামির ডিজিটাল হাজিরার ব্যবস্থা করা হয়েছে। নির্ধারিত দিনে কারাগার থেকেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার মাধ্যমে আসামির হাজিরা নিশ্চিত করা হচ্ছে। আদালতও ডিজিটাল পদ্ধতিতে সেই হাজিরা গ্রহণ করছেন।