Dhaka ০৩:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
অভিষেক ম্যাচে চীনের বিপক্ষে ১৩-০ গোলে হার বাংলাদেশের মেয়েদের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি শুরু আজ, লাগবে যেসব কাগজপত্র জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দেবেন তারেক রহমান অপ্রতিম হত্যাকাণ্ড: ঘটনার দিন তুহিনের গতিবিধি জানালেন মা আওয়ামী লীগ সমর্থকের বাড়িতে ভূরিভোজ, ওসি প্রত্যাহার গাজা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের মহাপরিচালকের ছেলেসহ নিহত ৪ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় তিতাসের আরেক কূপের গ্যাস অপ্রতিম হত্যার বিচার দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ ইসরাইলকে ৬০ হাজার ভারী বোমা দেওয়ার প্রস্তুতি যুক্তরাষ্ট্রের সরকারকে দোষ দেই না, নানা খরচে সরকার বিপর্যস্ত: রুমিন ফারহানা

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় তিতাসের আরেক কূপের গ্যাস

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 7

দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশের অন্যতম বৃহৎ ও পুরোনো এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দৈনিক ১ কোটি ২৫ লাখ ঘনফুট হারে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

এদিন দুপুরে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। একই লোকেশনে খনন করা তিতাসের ২৯ নম্বর কূপের গ্যাসও আগামী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে তিতাসের আরও তিনটি কূপ—২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর—থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। এসব কূপ থেকে দৈনিক মোট প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনাধীন এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস উত্তোলনের কারণে মজুত ও চাপ কমে যাওয়ায় পুরোনো কূপগুলোর উৎপাদন ধীরে ধীরে কমছে।

এ পরিস্থিতিতে নতুন গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানে সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ‘সি’ লোকেশনে ২০১২ সালে জরিপ চালানো হয়। ২০২০ সালে ওই জরিপের প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নতুন কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৬০১ মিটার গভীরতায় কূপটির খননকাজ শেষ হয় গত ২৭ মে। চীনা প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি কূপটির খননকাজ করে। পরে গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়।

একই ‘সি’ লোকেশনে তিতাস ২৯ নম্বর কূপের খননকাজও শেষ হয়েছে। বর্তমানে কূপটিতে অন্যান্য কারিগরি কাজ চলছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতায় কূপটির খনন করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে কূপটি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

এ ছাড়া আগামী দেড় মাসের মধ্যে একই লোকেশনে তিতাস ৩০ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কূপটি প্রায় ৩ হাজার ৭০০ মিটার গভীর হবে এবং এর খননকাজ শেষ করতে প্রায় সাড়ে তিন মাস সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় তিতাস ৩১ নম্বর কূপের খননকাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতার এই কূপটি দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ। ইতোমধ্যে এর ৪ হাজার ৯২০ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে।

তিতাস ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না বলেন, ২৮ নম্বর কূপ থেকে আপাতত দৈনিক ১ কোটি ২৫ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। ২৯ নম্বর কূপ থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। কূপটি ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতায় খনন করা হয়েছে এবং এতে ভালো চাপ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। তিতাস ৩০ নম্বর কূপের খননও আগামী দেড় মাসের মধ্যে শুরু হবে।

তিতাস ৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মাহমুদুল নবাব বলেন, এটি দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ এবং এতে উচ্চচাপ ও উচ্চতাপ রয়েছে। বড় ধরনের কোনো জটিলতা না হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে তিতাস ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপের প্রতিটি থেকে দৈনিক ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট করে মোট ৪ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের আশা করছেন তারা। দেশের মোট চাহিদার তুলনায় এই পরিমাণ খুব বেশি না হলেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কারণ দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়লে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে।

আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খনন করা হয়েছে। তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ১ কোটি ২৫ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমও এর অংশ।

তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। তিতাস ২৮ নম্বর কূপের গ্যাস দেশের মানুষের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হওয়ার অপেক্ষায় তিতাসের আরেক কূপের গ্যাস

প্রকাশের সময় : ১২:৪৪:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

দেশে চলমান জ্বালানি সংকটের মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্র থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ বাড়ছে। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দেশের অন্যতম বৃহৎ ও পুরোনো এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দৈনিক ১ কোটি ২৫ লাখ ঘনফুট হারে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

এদিন দুপুরে গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। একই লোকেশনে খনন করা তিতাসের ২৯ নম্বর কূপের গ্যাসও আগামী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে তিতাসের আরও তিনটি কূপ—২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর—থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হতে পারে। এসব কূপ থেকে দৈনিক মোট প্রায় ৪ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার আশা করা হচ্ছে।

তিতাস গ্যাসক্ষেত্র সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালনাধীন এই গ্যাসক্ষেত্রের ২৩টি কূপ বর্তমানে উৎপাদনে রয়েছে। এসব কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ৩৩ কোটি ১০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় সঞ্চালন লাইনে সরবরাহ করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরে গ্যাস উত্তোলনের কারণে মজুত ও চাপ কমে যাওয়ায় পুরোনো কূপগুলোর উৎপাদন ধীরে ধীরে কমছে।

এ পরিস্থিতিতে নতুন গ্যাসের উৎস অনুসন্ধানে সদর উপজেলার সুহিলপুর এলাকায় তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ‘সি’ লোকেশনে ২০১২ সালে জরিপ চালানো হয়। ২০২০ সালে ওই জরিপের প্রতিবেদন পর্যালোচনার পর নতুন কূপ খননের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

দীর্ঘ প্রক্রিয়া শেষে ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর তিতাস ২৮ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হয়। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৬০১ মিটার গভীরতায় কূপটির খননকাজ শেষ হয় গত ২৭ মে। চীনা প্রতিষ্ঠান সিসিডিসি কূপটির খননকাজ করে। পরে গত ১৯ জুন থেকে পরীক্ষামূলকভাবে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়।

একই ‘সি’ লোকেশনে তিতাস ২৯ নম্বর কূপের খননকাজও শেষ হয়েছে। বর্তমানে কূপটিতে অন্যান্য কারিগরি কাজ চলছে। প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতায় কূপটির খনন করা হয়েছে। আগামী এক মাসের মধ্যে কূপটি থেকে পরীক্ষামূলকভাবে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।

এ ছাড়া আগামী দেড় মাসের মধ্যে একই লোকেশনে তিতাস ৩০ নম্বর কূপের খননকাজ শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। কূপটি প্রায় ৩ হাজার ৭০০ মিটার গভীর হবে এবং এর খননকাজ শেষ করতে প্রায় সাড়ে তিন মাস সময় লাগতে পারে।

অন্যদিকে সদর উপজেলার নন্দনপুর এলাকায় তিতাস ৩১ নম্বর কূপের খননকাজও শেষ পর্যায়ে রয়েছে। ৫ হাজার ৬০০ মিটার গভীরতার এই কূপটি দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ। ইতোমধ্যে এর ৪ হাজার ৯২০ মিটার পর্যন্ত খনন করা হয়েছে।

তিতাস ২৮, ২৯ ও ৩০ নম্বর কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক জসিম উদ্দিন মুন্না বলেন, ২৮ নম্বর কূপ থেকে আপাতত দৈনিক ১ কোটি ২৫ লাখ ঘনফুট হারে গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হবে। ২৯ নম্বর কূপ থেকে আগামী এক মাসের মধ্যে পরীক্ষামূলকভাবে গ্যাস সরবরাহ শুরুর লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। কূপটি ৩ হাজার ৫২৬ মিটার গভীরতায় খনন করা হয়েছে এবং এতে ভালো চাপ পাওয়ার আশা করা হচ্ছে। তিতাস ৩০ নম্বর কূপের খননও আগামী দেড় মাসের মধ্যে শুরু হবে।

তিতাস ৩১ নম্বর গভীর অনুসন্ধান কূপ খনন প্রকল্পের পরিচালক মাহমুদুল নবাব বলেন, এটি দেশের প্রথম গভীর অনুসন্ধান কূপ এবং এতে উচ্চচাপ ও উচ্চতাপ রয়েছে। বড় ধরনের কোনো জটিলতা না হলে আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে কূপটি থেকে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ শুরু করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আব্দুল জলিল প্রামাণিক বলেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যে তিতাস ২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপের প্রতিটি থেকে দৈনিক ১ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট করে মোট ৪ কোটি ৫০ লাখ ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের আশা করছেন তারা। দেশের মোট চাহিদার তুলনায় এই পরিমাণ খুব বেশি না হলেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। কারণ দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস সরবরাহ বাড়লে আমদানি করা তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের ওপর চাপ কমানো সম্ভব হবে।

আমদানি নির্ভরতা কমাতে দেশীয় উৎস থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ২০৩০ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ২৯টি কূপ খনন করা হয়েছে। তিতাসের ২৮ নম্বর কূপ থেকে দৈনিক ১ কোটি ২৫ লাখ ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ কার্যক্রমও এর অংশ।

তিনি বলেন, এ ধরনের উদ্যোগের মাধ্যমে ২০৩০ সালের মধ্যে গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের ব্যবধান কমিয়ে আনার লক্ষ্য রয়েছে। তিতাস ২৮ নম্বর কূপের গ্যাস দেশের মানুষের জ্বালানি চাহিদা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।