Dhaka ০৭:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত ৫১৪ টাকার বিদেশি ইলিশ বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৮০০ টাকায় আসিফ মাহমুদের বিরুদ্ধে ১৩ হাজার কোটি টাকার অনিয়মের অভিযোগ সাক্ষীদের ভয়ভীতি দেখিয়ে বিচার বাধাগ্রস্ত করা যাবে না : চিফ প্রসিকিউটর বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগে আগ্রহী শেভরন পত্নীতলায় ট্যাপেন্টাডলসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার সাতক্ষীরা জেলা ছাত্রকল্যাণ সমিতির নতুন কমিটি, সভাপতি মুন্না, সম্পাদক শরিফুল প্রবাসীদের ‘কামলা’ বলায় তোপের মুখে আজাদ আবুল কালাম সবার জন্য সহজলভ্য ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতের আশ্বাস ডা. জুবাইদার ফারইস্টের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল দম্পতির সাড়ে ৫৭ কোটি টাকার সম্পদ ক্রোক

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি:
  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 1

 

পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশটি রোববার সকালে বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২-এর দায়িত্বে থাকাকালে গত ২ জুন কাস্টমস হাউস, বেনাপোলের একটি ম্যানিফেস্টের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্য চালানের কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে, পণ্যগুলো বন্দরের জিম্মায় সংরক্ষিত থাকা অবস্থায় পরিবর্তন করে অবৈধভাবে অপসারণের চেষ্টা করা হয়।

এ ছাড়া গত ৪ জুন বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের সুরক্ষিত চাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালাল শেড ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য ব্যক্তির কাছে দেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৬ জুন রাতে ওই শেডে কয়েকজনের অবৈধ প্রবেশ ও পণ্য স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। শেডটির একটি চাবি সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির কাছে সংরক্ষিত থাকার বিষয়টিও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে একই ঘটনায় ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজী রতনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ২০০৪ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক সাময়িক বরখাস্ত

প্রকাশের সময় : ০৬:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

 

পণ্য অপসারণে অনিয়ম ও দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগে যশোরের বেনাপোল স্থলবন্দরের সহকারী পরিচালক (ট্রাফিক) কাজী রতনকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। আদেশটি রোববার সকালে বেনাপোল বন্দরে পৌঁছায়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, বেনাপোল স্থলবন্দরের সার্কেল-২-এর দায়িত্বে থাকাকালে গত ২ জুন কাস্টমস হাউস, বেনাপোলের একটি ম্যানিফেস্টের মাধ্যমে আমদানি করা পণ্য চালানের কায়িক পরীক্ষা করা হয়। এতে ঘোষণাবহির্ভূত পণ্য পাওয়া যায়। অভিযোগ রয়েছে, পণ্যগুলো বন্দরের জিম্মায় সংরক্ষিত থাকা অবস্থায় পরিবর্তন করে অবৈধভাবে অপসারণের চেষ্টা করা হয়।

এ ছাড়া গত ৪ জুন বন্দরের ৩৭ নম্বর শেডের সুরক্ষিত চাবি ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালাল শেড ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর না করে অন্য ব্যক্তির কাছে দেন বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে ৬ জুন রাতে ওই শেডে কয়েকজনের অবৈধ প্রবেশ ও পণ্য স্থানান্তরের অভিযোগ ওঠে। শেডটির একটি চাবি সংশ্লিষ্ট এক ব্যক্তির কাছে সংরক্ষিত থাকার বিষয়টিও অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে একই ঘটনায় ট্রাফিক পরিদর্শক মো. শাহ জালালকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে কাজী রতনের বিরুদ্ধে দায়িত্ব পালনে অবহেলা ও অসদাচরণের অভিযোগে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষ কর্মচারী চাকরি প্রবিধানমালা, ২০০৪ অনুযায়ী বিভাগীয় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, অভিযোগের গুরুত্ব বিবেচনায় বিভাগীয় মামলার তদন্ত চলাকালে তাকে দায়িত্বে বহাল রাখা সমীচীন নয়। এ কারণে সংশ্লিষ্ট বিধান অনুযায়ী তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। বরখাস্তকালীন সময়ে তিনি বিধি অনুযায়ী খোরাকি ভাতা পাবেন।