কালীগঞ্জে এসটিপি পদ্ধতিতে আখ চাষ ও আগাম রোপণ বাড়াতে চাষি উদ্বুদ্ধকরণ
- প্রকাশের সময় : ১০:০৫:১১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
- / 6
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলে ২০২৬-২৭ রোপণ মৌসুমের আখ রোপণের উদ্বোধন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এসটিপি পদ্ধতিতে আখ চাষ ও আগাম আখ রোপণ বাড়াতে চাষিদের উদ্বুদ্ধ করতে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার পুকুরিয়া মাঠে মোবারকগঞ্জ সুগার মিলের কৃষি বিভাগের আয়োজনে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক (সিএআইএস) মুন্সি মো. খলিল।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে দেশের নয়টি সুগার মিল এলাকায় একযোগে আখ রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।
মোবারকগঞ্জ সুগার মিল এলাকায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন মিলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকৌশলী আ.ন.ম জোবায়ের। উপস্থিত ছিলেন মিলের কৃষি ব্যবস্থাপক গৌতম কুমার মণ্ডল, অর্থ ব্যবস্থাপক জাহিদুল ইসলাম, শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি সাহার আলী, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ও আখচাষি মাজেদুর রহমানসহ সংশ্লিষ্টরা।
মিল কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি ২০২৬-২৭ রোপণ মৌসুমে ৪৩ হাজার একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি আগামী ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুমের জন্য মিল এলাকায় বর্তমানে প্রায় ৪ হাজার ১০ একর জমিতে দণ্ডায়মান আখ রয়েছে। এ পরিমাণ আখ দিয়ে প্রায় দুই মাস মিল চালানো সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এদিকে ২০২৬-২৭ মাড়াই মৌসুম শুরুর আগেই আখের মূল্য বাড়ানো হয়েছে। এবার প্রতি মণ আখের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৬০ টাকা ৪০ পয়সা। গত মাড়াই মৌসুমে প্রতি মণ আখের মূল্য ছিল ২৫০ টাকা।
চাষিরা জানান, নানা প্রতিকূলতা এবং স্বল্প সময়ে উৎপাদন ও ভালো লাভ পাওয়া যায়—এমন বিভিন্ন ফসল চাষের কারণে গত কয়েক বছর আখ চাষের জমি কমে যাচ্ছিল। তবে ধাপে ধাপে আখের মূল্য বাড়ানোয় কৃষকদের মধ্যে আবারও আখ চাষের আগ্রহ বাড়ছে। চলতি মৌসুমে নতুন করে আখের দাম বাড়ানোয় চাষিরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
মিল কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, গত মাড়াই মৌসুম থেকে মিলের কাছে আখ সরবরাহের সঙ্গে সঙ্গে চাষিদের মূল্য পরিশোধ করা হয়েছে। চলতি মৌসুমেও একইভাবে আখ সরবরাহের পর দ্রুত অর্থ পরিশোধ করা হবে। ফলে আখ চাষে কৃষকদের আগ্রহ আরও বাড়বে বলে আশা করছে মোবারকগঞ্জ সুগার মিল কর্তৃপক্ষ।

























