Dhaka ০৫:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মাদকের সঙ্গে যেই যুক্ত থাকবে, তাকেই আইনের আওতায় আনা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ তিনজনের পদত্যাগে ফের সংকটে প্রেসক্লাব যশোর প্রাথমিক বৃত্তির টাকা নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০ হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর, ভূমি অফিসে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী দোকানে মাংস বিক্রি করতে হলে ‘পরীক্ষিত’ সিল থাকতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনে আগুন, যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ তিনজনের পদত্যাগে ফের সংকটে প্রেসক্লাব যশোর

মনির হোসেন, বেনাপোল
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৪১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 10

নেতৃত্ব সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক ধারায় ফেরার আগেই নতুন করে ধাক্কা খেল যশোরের ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাব। সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলা, সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন ও সদস্য ওহাবুজ্জামান ঝন্টু পদত্যাগ করেছেন। একই দিনে কমিটির শীর্ষ দুই নেতাসহ তিন সদস্যের পদত্যাগে প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ, হতাশা ও নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন প্রবীণ সাংবাদিক একরাম-উদ-দ্দৌলা। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওহাবুজ্জামান ঝন্টু। পদত্যাগের পর তারা কমিটির আর কোনো দায়িত্বে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে পৃথক কারণ উল্লেখ করা হলেও প্রেসক্লাবের চলমান সংকট, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের সীমাবদ্ধতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত চাপের বিষয়টি উঠে এসেছে।

আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলা তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন, প্রেসক্লাব যশোরের পরিচালনা, নির্বাচনসহ বিভিন্ন গঠনতান্ত্রিক বিষয়ে প্রশ্ন ও বিতর্কের প্রেক্ষাপটে গত ৬ আগস্ট বিশেষ সাধারণ সভায় সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়। ওই সভায় তাকে আহ্বায়ক করে ১৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

বয়সজনিত শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও প্রেসক্লাবের সংকট নিরসন, ঐক্য, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সার্বিক পরিস্থিতিতে সব কার্যক্রম প্রত্যাশিতভাবে ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি মনে করেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানানো সত্ত্বেও প্রেসক্লাবের দীর্ঘদিনের সুনাম, স্বার্থ ও সাংবাদিকদের ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন ও প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তিনি মনে করেন। ব্যক্তিগত অসুস্থতা ও বয়সজনিত শারীরিক সমস্যাকেও পদত্যাগের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন তার পদত্যাগপত্রে জানান, প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন অনিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে গত জুলাই থেকে সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর আন্দোলন শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ৬ আগস্ট প্রেসক্লাবের সংকট নিরসনে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

পেশাগত ব্যস্ততার কারণে শুরুতে দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও যৌথ কমিটির সভায় তাকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে সদস্যদের বৃহত্তর স্বার্থ ও সবার সমর্থনের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব পালনকালে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন, সদস্যপদ প্রদান এবং অডিট কার্যক্রম শুরুর মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি। তবে প্রেসক্লাবের কার্যক্রমে অতিরিক্ত সময় দেওয়ায় নিজ পত্রিকার কাজে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারেননি। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি তার পেশাগত ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন সামনে, শীর্ষ দুই দায়িত্বশীলের পদত্যাগে নতুন প্রশ্ন
প্রেসক্লাব যশোরের চলমান সংকটের মধ্যেই আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সদস্যপদসহ বিভিন্ন দাবিতে সাংবাদিকদের আন্দোলনের পর গত ৬ আগস্ট বিশেষ সাধারণ সভায় সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন সদস্যপদের জন্য আবেদন ফরম বিক্রি শুরু হলে ১০১ জন ফরম সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ৯৫ জন আবেদন জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় ২৮ জনকে সদস্যপদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি একজনের আবেদনের প্রেক্ষিতে তার সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত ২৯ আগস্ট পুনর্মূল্যায়নের পর সদ্য দেওয়া দুজনের সদস্যপদ বাতিল করা হয় এবং নতুন করে ১০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের মতে, এ পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ ও ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব হয়নি।

রোববার সকালে দৈনিক রানার পত্রিকার সম্পাদক শহীদ আরএম সাইফুল আলম মুকুলের ২৮তম হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নেন সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার পদত্যাগের খবর আসে। পরে বিকেলে আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলার পদত্যাগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

একই দিনে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ তিন সদস্যের পদত্যাগে প্রেসক্লাব যশোরের সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটি কার্যত নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। সামনে নির্বাচন, সদস্যপদ নিয়ে বিতর্ক এবং সাংগঠনিক সংকটের মধ্যে পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যরা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ তিনজনের পদত্যাগে ফের সংকটে প্রেসক্লাব যশোর

প্রকাশের সময় : ০৪:৪১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

নেতৃত্ব সংকট কাটিয়ে স্বাভাবিক ধারায় ফেরার আগেই নতুন করে ধাক্কা খেল যশোরের ঐতিহ্যবাহী প্রেসক্লাব। সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলা, সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন ও সদস্য ওহাবুজ্জামান ঝন্টু পদত্যাগ করেছেন। একই দিনে কমিটির শীর্ষ দুই নেতাসহ তিন সদস্যের পদত্যাগে প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যদের মধ্যে নতুন করে উদ্বেগ, হতাশা ও নানা আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে।

রোববার (৩০ আগস্ট) দুপুরে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে আহ্বায়ক কমিটির সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে আহ্বায়ক পদ থেকে পদত্যাগ করেন প্রবীণ সাংবাদিক একরাম-উদ-দ্দৌলা। একই সঙ্গে পদত্যাগ করেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্য ওহাবুজ্জামান ঝন্টু। পদত্যাগের পর তারা কমিটির আর কোনো দায়িত্বে থাকবেন না বলে জানিয়েছেন।

পদত্যাগপত্রে পৃথক কারণ উল্লেখ করা হলেও প্রেসক্লাবের চলমান সংকট, নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালনের সীমাবদ্ধতা এবং ব্যক্তিগত ও পেশাগত চাপের বিষয়টি উঠে এসেছে।

আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলা তার পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন, প্রেসক্লাব যশোরের পরিচালনা, নির্বাচনসহ বিভিন্ন গঠনতান্ত্রিক বিষয়ে প্রশ্ন ও বিতর্কের প্রেক্ষাপটে গত ৬ আগস্ট বিশেষ সাধারণ সভায় সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটি অনুমোদন করা হয়। ওই সভায় তাকে আহ্বায়ক করে ১৪ সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।

বয়সজনিত শারীরিক অসুস্থতা সত্ত্বেও প্রেসক্লাবের সংকট নিরসন, ঐক্য, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করার প্রত্যয় নিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেছিলেন। দায়িত্ব নেওয়ার পর বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হলেও সার্বিক পরিস্থিতিতে সব কার্যক্রম প্রত্যাশিতভাবে ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়নি বলে তিনি মনে করেন।

পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, বিভিন্ন বিষয়ে আপত্তি জানানো সত্ত্বেও প্রেসক্লাবের দীর্ঘদিনের সুনাম, স্বার্থ ও সাংবাদিকদের ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব হচ্ছে না। এমন পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে না পারায় তার দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবন ও প্রেসক্লাবের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হচ্ছে বলেও তিনি মনে করেন। ব্যক্তিগত অসুস্থতা ও বয়সজনিত শারীরিক সমস্যাকেও পদত্যাগের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন তিনি।

অন্যদিকে সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন তার পদত্যাগপত্রে জানান, প্রেসক্লাবের নির্বাহী কমিটির বিভিন্ন অনিয়মতান্ত্রিক পদক্ষেপের বিরুদ্ধে গত জুলাই থেকে সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর আন্দোলন শুরু করে। এর ধারাবাহিকতায় গত ৬ আগস্ট প্রেসক্লাবের সংকট নিরসনে আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

পেশাগত ব্যস্ততার কারণে শুরুতে দায়িত্ব নিতে অনাগ্রহ প্রকাশ করলেও যৌথ কমিটির সভায় তাকে সদস্যসচিবের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে সদস্যদের বৃহত্তর স্বার্থ ও সবার সমর্থনের প্রতি সম্মান জানিয়ে তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

দায়িত্ব পালনকালে প্রেসক্লাবের গঠনতন্ত্র সংশোধন, সদস্যপদ প্রদান এবং অডিট কার্যক্রম শুরুর মতো বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে বলে পদত্যাগপত্রে উল্লেখ করেন তিনি। তবে প্রেসক্লাবের কার্যক্রমে অতিরিক্ত সময় দেওয়ায় নিজ পত্রিকার কাজে প্রয়োজনীয় সময় দিতে পারেননি। এতে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি তার পেশাগত ভাবমূর্তিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন সামনে, শীর্ষ দুই দায়িত্বশীলের পদত্যাগে নতুন প্রশ্ন
প্রেসক্লাব যশোরের চলমান সংকটের মধ্যেই আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সদস্যপদসহ বিভিন্ন দাবিতে সাংবাদিকদের আন্দোলনের পর গত ৬ আগস্ট বিশেষ সাধারণ সভায় সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটির অনুমোদন দেওয়া হয়।

নতুন সদস্যপদের জন্য আবেদন ফরম বিক্রি শুরু হলে ১০১ জন ফরম সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ৯৫ জন আবেদন জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে প্রথম দফায় ২৮ জনকে সদস্যপদ দেওয়া হয়। পাশাপাশি একজনের আবেদনের প্রেক্ষিতে তার সদস্যপদ ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

পরবর্তীতে গত ২৯ আগস্ট পুনর্মূল্যায়নের পর সদ্য দেওয়া দুজনের সদস্যপদ বাতিল করা হয় এবং নতুন করে ১০ জনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবের মতে, এ পরিস্থিতিতে নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন এবং সাংবাদিকদের স্বার্থ ও ঐক্য অক্ষুণ্ন রাখা সম্ভব হয়নি।

রোববার সকালে দৈনিক রানার পত্রিকার সম্পাদক শহীদ আরএম সাইফুল আলম মুকুলের ২৮তম হত্যাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচিতেও অংশ নেন সদস্যসচিব মবিনুল ইসলাম মবিন। এর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তার পদত্যাগের খবর আসে। পরে বিকেলে আহ্বায়ক একরাম-উদ-দ্দৌলার পদত্যাগে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে।

একই দিনে আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ তিন সদস্যের পদত্যাগে প্রেসক্লাব যশোরের সংকটকালীন আহ্বায়ক কমিটি কার্যত নতুন অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। সামনে নির্বাচন, সদস্যপদ নিয়ে বিতর্ক এবং সাংগঠনিক সংকটের মধ্যে পরবর্তী সিদ্ধান্ত কী হয়, সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন প্রেসক্লাবের সাধারণ সদস্যরা।