Dhaka ০৫:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
আগামী বছরের এসএসসি পরীক্ষা নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মাদকের সঙ্গে যেই যুক্ত থাকবে, তাকেই আইনের আওতায় আনা হবে: রেল প্রতিমন্ত্রী সেপ্টেম্বরে অপরিবর্তিত থাকছে জ্বালানি তেলের দাম আহ্বায়ক ও সদস্যসচিবসহ তিনজনের পদত্যাগে ফের সংকটে প্রেসক্লাব যশোর প্রাথমিক বৃত্তির টাকা নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০ হাজিরা খাতায় আগাম স্বাক্ষর, ভূমি অফিসে গিয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিমন্ত্রী দোকানে মাংস বিক্রি করতে হলে ‘পরীক্ষিত’ সিল থাকতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনে আগুন, যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

প্রাথমিক বৃত্তির টাকা নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৪:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 11

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থের হার নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন।

রবিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বৃত্তির অর্থের হার ও বিভিন্ন শর্ত জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছর নির্ধারিত হারে বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন হার ২০২৬ সালের শুরু থেকেই কার্যকর হবে।

বৃত্তির অর্থ অব্যাহত রাখতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, সদাচরণ ও সন্তোষজনকভাবে পাঠগ্রহণসহ নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে সরকার অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার যোগ্যতা থাকবে না।

বৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করা হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের আওতাভুক্ত যেকোনো ব্যাংকে হিসাব খুলে প্রয়োজনীয় তথ্য বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিল ফর্মে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর নেওয়ার পর সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী সরকার বৃত্তির সংখ্যা, অর্থের হার ও মেয়াদসহ আদেশের যেকোনো শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

প্রাথমিক বৃত্তির টাকা নির্ধারণ, ট্যালেন্টপুলে মাসে ৩০০

প্রকাশের সময় : ০৪:৩৯:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা-২০২৫-এর ফলের ভিত্তিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের বৃত্তির অর্থের হার নির্ধারণ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। নতুন নির্ধারিত হার অনুযায়ী, ট্যালেন্টপুল বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা প্রতি মাসে ৩০০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন। সাধারণ বৃত্তিপ্রাপ্তরা মাসে ২২৫ টাকা ও বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবেন।

রবিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এক চিঠিতে বৃত্তির অর্থের হার ও বিভিন্ন শর্ত জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে পরবর্তী তিন বছর নির্ধারিত হারে বৃত্তির অর্থ দেওয়া হবে। অর্থাৎ নতুন হার ২০২৬ সালের শুরু থেকেই কার্যকর হবে।

বৃত্তির অর্থ অব্যাহত রাখতে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত বিদ্যালয়ে উপস্থিতি, সদাচরণ ও সন্তোষজনকভাবে পাঠগ্রহণসহ নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে বৃত্তি স্থগিত বা বাতিল হতে পারে।

বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা বিনা বেতনে সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ পাবেন। তবে সরকার অনুমোদিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি না হলে বৃত্তির অর্থ পাওয়ার যোগ্যতা থাকবে না।

বৃত্তির টাকা শিক্ষার্থীদের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। জিটুপি (Government to Person) পদ্ধতিতে ইএফটির মাধ্যমে অর্থ বিতরণ করা হবে। এজন্য শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত অনলাইন ব্যাংকিং প্ল্যাটফর্মের আওতাভুক্ত যেকোনো ব্যাংকে হিসাব খুলে প্রয়োজনীয় তথ্য বিদ্যালয় ও প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে জমা দিতে হবে।

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে নির্ধারিত বিল ফর্মে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার প্রতিস্বাক্ষর নেওয়ার পর সরকারি কোষাগার থেকে অর্থ উত্তোলন করে বিতরণের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, প্রয়োজন অনুযায়ী সরকার বৃত্তির সংখ্যা, অর্থের হার ও মেয়াদসহ আদেশের যেকোনো শর্ত পরিবর্তন, সংশোধন বা বাতিল করতে পারবে।