Dhaka ০১:৫৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬, ১৬ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
দোকানে মাংস বিক্রি করতে হলে ‘পরীক্ষিত’ সিল থাকতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক কলকাতার শিয়ালদহ স্টেশনে আগুন, যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক দেশে স্বর্ণের দামে ফের বড় পতন আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর আকস্মিক বন্যা : নেপাল-তিব্বতে নিহত বেড়ে প্রায় ৮০০, নিখোঁজ ছাড়াল ৩ হাজার ইস্তাম্বুলে মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির প্রথম বৈঠক আজ শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা : হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল নজরুল বর্ষ উপলক্ষে রাজবাড়ীতে জাতীয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন ‘এশিয়ার নোবেল’ র‍্যামন ম্যাগসাইসাই পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশের রুনা খান যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে আরও বোয়িং কিনছে বাংলাদেশ

আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬
  • / 2

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে আযাদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক ও ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।

এর আগে গত ১০ আগস্ট ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি প্রথম রায় ছিল।

আবুল কালাম আযাদ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলাম বিষয়ক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।

দীর্ঘ দিন পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।

তখন জানা যায়, আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি।

এর ধারাবাহিকতায় তিনি ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেছেন। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মশিউল আলম। তিনি ২১ জানুয়ারি জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালে এখান থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছিল। দীর্ঘদিন পরে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছেন আত্মসমর্পণ করে আপিল ফাইল করার শর্তে। ২২ অক্টোবর এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ সেপ্টেম্বর

প্রকাশের সময় : ০১:০১:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৬

 

১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদের আপিল চলবে কি না, এ বিষয়ে আদেশের জন্য আগামী ৭ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করেছেন আপিল বিভাগ।

সোমবার (৩১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এই আদেশ দেন।

আদালতে আযাদের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এহসান আবদুল্লাহ সিদ্দিক ও ব্যারিস্টার নাজিব মোমেন।

এর আগে গত ১০ আগস্ট ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত মাওলানা আবুল কালাম আযাদ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেন।

পলাতক থাকা অবস্থায় ২০১৩ সালের ২১ জানুয়ারি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সদস্য আবুল কালাম আযাদকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৪১ বছর পরে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় এটি প্রথম রায় ছিল।

আবুল কালাম আযাদ বিভিন্ন বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলে ইসলাম বিষয়ক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বেশি পরিচিতি পেয়েছিলেন।

মুক্তিযুদ্ধের সময় ফরিদপুরের বিভিন্ন স্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছিল তার বিরুদ্ধে।

দীর্ঘ দিন পর চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আত্মসমর্পণ করেন।

তখন জানা যায়, আত্মসমর্পণ করে আপিলের শর্তে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আবুল কালাম আযাদের সাজা স্থগিত করেছিলেন রাষ্ট্রপতি।

এর ধারাবাহিকতায় তিনি ২১ জানুয়ারি আত্মসমর্পণ করেছেন। এরপর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ আপিলের জন্য নথিপত্র সরবরাহের নির্দেশ দেন।

আদালতে আবুল কালাম আযাদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মশিউল আলম। তিনি ২১ জানুয়ারি জানিয়েছিলেন, ২০১৩ সালে এখান থেকে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়েছিল। দীর্ঘদিন পরে রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদনের প্রেক্ষিতে রাষ্ট্রপতি তার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করেছেন আত্মসমর্পণ করে আপিল ফাইল করার শর্তে। ২২ অক্টোবর এটি প্রজ্ঞাপন আকারে জারি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।