Dhaka ০১:২২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
যশোরে বটি দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা, শিক্ষক ছেলে পুলিশ হেফাজতে পতিত সরকারের উন্নয়নের সূচকের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই : ড. তিতুমীর নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট ভিলেজ পলিটিক্স সামাজিক ব্যাধি, অবসান হওয়া জরুরি জাককানইবির নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হুদা ৬৪ জেলার দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপ কালুখালীতে গৃহবধূ মীমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, ঘাতকদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন পাংশায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা নওগাঁয় সরকারি মালামাল ধ্বংস ও নিষ্পত্তিতে বিশেষ অবদান, কোর্ট ইন্সপেক্টরকে পুলিশ সুপারের সম্মাননা

যশোরে বটি দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা, শিক্ষক ছেলে পুলিশ হেফাজতে

বেনাপোল প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
  • / 4
যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে আনোয়ারা বেগম (৫৮) নামে এক নারীকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুনের (৪৫) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত মামুনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত আনোয়ারা বেগম ওই গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেন মাস্টারের স্ত্রী।
অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামুনের পূর্বে দুইটি বিয়ে হয়েছিল এবং উভয় স্ত্রীর সাথেই কলহের জেরে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এ বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাঁকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তিনি দুই-তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন না।
প্রায় পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার বিকেলে মামুন বাড়িতে ফেরেন। বাড়িতে ফিরে মায়ের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে মামুন ঘরের ধারালো বটি দিয়ে মাকে কোপ দিলে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে মামুন ঘটনাস্থল থেকে সরে যান, তবে পরবর্তীতে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত মামুন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যশোরে বটি দিয়ে মাকে কুপিয়ে হত্যা, শিক্ষক ছেলে পুলিশ হেফাজতে

প্রকাশের সময় : ১২:২৮:৪২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬
যশোর সদর উপজেলার বাজে দুর্গাপুর গ্রামে পারিবারিক বিরোধের জেরে আনোয়ারা বেগম (৫৮) নামে এক নারীকে ধারালো বটি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তাঁর শিক্ষক ছেলে মামুনুর রশিদ ওরফে মামুনের (৪৫) বিরুদ্ধে।
বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার পর পরই অভিযুক্ত মামুনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নিহত আনোয়ারা বেগম ওই গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেন মাস্টারের স্ত্রী।
অভিযুক্ত মামুনুর রশিদ লাউজানী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ইংরেজি বিষয়ের শিক্ষক। স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, মামুনের পূর্বে দুইটি বিয়ে হয়েছিল এবং উভয় স্ত্রীর সাথেই কলহের জেরে বিবাহবিচ্ছেদ ঘটে। এ বিষয়গুলো নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মায়ের সঙ্গে তাঁর পারিবারিক বিরোধ চলছিল। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, পারিবারিক অশান্তির কারণে মামুন মানসিক অসুস্থতায় ভুগছিলেন। প্রায় তিন বছর আগে তাঁকে পাবনা মানসিক হাসপাতালে ভর্তি করা হলে সেখানে তিনি দুই-তিন মাস চিকিৎসাধীন ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বাড়িতে অবস্থান করছিলেন না।
প্রায় পাঁচ বছর পর বৃহস্পতিবার বিকেলে মামুন বাড়িতে ফেরেন। বাড়িতে ফিরে মায়ের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে পারিবারিক বিষয় নিয়ে উভয়ের মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। তর্কের একপর্যায়ে মামুন ঘরের ধারালো বটি দিয়ে মাকে কোপ দিলে ঘটনাস্থলেই আনোয়ারা বেগমের মৃত্যু হয়। চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এলে মামুন ঘটনাস্থল থেকে সরে যান, তবে পরবর্তীতে পুলিশ তাঁকে হেফাজতে নেয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী বাবুল হোসেন জানান, খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে। অভিযুক্ত মামুন বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছেন এবং এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।