Dhaka ১১:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
পতিত সরকারের উন্নয়নের সূচকের সঙ্গে বাস্তবতার মিল নেই : ড. তিতুমীর নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সংসদ থেকে বিরোধীদলের ওয়াকআউট ভিলেজ পলিটিক্স সামাজিক ব্যাধি, অবসান হওয়া জরুরি জাককানইবির নতুন ট্রেজারার অধ্যাপক ড. ইমদাদুল হুদা ৬৪ জেলার দুর্নীতি ও মাদক নিয়ন্ত্রণে ৩০ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-হুইপ কালুখালীতে গৃহবধূ মীমকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ, ঘাতকদের ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন পাংশায় ট্রেনের নিচে ঝাঁপ দিয়ে কিশোরীর আত্মহত্যা নওগাঁয় সরকারি মালামাল ধ্বংস ও নিষ্পত্তিতে বিশেষ অবদান, কোর্ট ইন্সপেক্টরকে পুলিশ সুপারের সম্মাননা রাণীনগরে ৬ বছরের শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ২ কিশোর

নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬
  • / 3

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, আর কখনও বাংলাদেশ কারও কাছে মাথা নত করবে না। আমরা নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করেছি। বর্তমান সরকারের স্বাবলম্বী ও সুদৃঢ় পররাষ্ট্রনীতির সুবাদে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈদেশিক মিশনগুলোর সার্বিক মূল্যায়ন সংক্রান্ত সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সফল ও সুদূরপ্রসারী পররাষ্ট্রনীতির বদৌলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজস্ব মেরুদণ্ড সোজা করে এবং মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জন করেছে। এই দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও সুসংগঠিতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর পারফরম্যান্স এবং বৈদেশিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ নিয়ে এক সংসদ সদস্যের মূল্যবান প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করেন, বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, শ্রমিক রপ্তানি বাড়ানো কিংবা সর্বাধিক বাণিজ্য বিনিময়ে সফল মিশনগুলোর জন্য বর্তমানে কোনো বিশেষ ‘রিওয়ার্ড ব্যবস্থা’ বা পুরস্কার পদ্ধতি চালু রয়েছে কি না তা পর্যালোচনার বিষয়।

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর জুড়ে যে দুঃশাসন চলেছিল, তাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনগুলো কার্যত বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। সে সময় দূতাবাসগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, প্রবাসীদের সেবা দেওয়া এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষার ব্যাপারে পূর্ববর্তী সরকারের কোনো আগ্রহ বা কার্যকর তদারকি দৃশ্যমান ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই স্থবির ও অকার্যকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছে।

কূটনৈতিক মিশনগুলোর জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান মূল্যায়নে সরকার ‘কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর’ (কেপিআই) ব্যবস্থা প্রস্তুত করছে। এই কেপিআই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান ও গ্রেডিং নির্ধারণ করা হবে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করা হয়েছে: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০:৪৭:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেছেন, আর কখনও বাংলাদেশ কারও কাছে মাথা নত করবে না। আমরা নতজানু পররাষ্ট্রনীতির কবর রচনা করেছি। বর্তমান সরকারের স্বাবলম্বী ও সুদৃঢ় পররাষ্ট্রনীতির সুবাদে বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশ মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়েছে বলে জানান তিনি।

বৃহস্পতিবার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে বৈদেশিক মিশনগুলোর সার্বিক মূল্যায়ন সংক্রান্ত সংসদ সদস্যদের প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় এ কথা বলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রীর সফল ও সুদূরপ্রসারী পররাষ্ট্রনীতির বদৌলতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজস্ব মেরুদণ্ড সোজা করে এবং মাথা উঁচু করে দাঁড়ানোর সামর্থ্য অর্জন করেছে। এই দিকনির্দেশনামূলক নেতৃত্বের ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতিকে আরও সুসংগঠিতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়া হবে।

বিদেশে অবস্থানরত বাংলাদেশের দূতাবাসগুলোর পারফরম্যান্স এবং বৈদেশিক শ্রমবাজার সম্প্রসারণ নিয়ে এক সংসদ সদস্যের মূল্যবান প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্বীকার করেন, বিদেশে কর্মসংস্থান সৃষ্টি, নতুন শ্রমবাজার অনুসন্ধান, শ্রমিক রপ্তানি বাড়ানো কিংবা সর্বাধিক বাণিজ্য বিনিময়ে সফল মিশনগুলোর জন্য বর্তমানে কোনো বিশেষ ‘রিওয়ার্ড ব্যবস্থা’ বা পুরস্কার পদ্ধতি চালু রয়েছে কি না তা পর্যালোচনার বিষয়।

তিনি বলেন, বিগত ১৫ বছর জুড়ে যে দুঃশাসন চলেছিল, তাতে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও বিভিন্ন কূটনৈতিক মিশনগুলো কার্যত বাংলাদেশ সরকারের নিয়ন্ত্রণে ছিল না। সে সময় দূতাবাসগুলোর সার্বিক কার্যক্রম, প্রবাসীদের সেবা দেওয়া এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষার ব্যাপারে পূর্ববর্তী সরকারের কোনো আগ্রহ বা কার্যকর তদারকি দৃশ্যমান ছিল না। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর সেই স্থবির ও অকার্যকর অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসতে সমর্থ হয়েছে।

কূটনৈতিক মিশনগুলোর জবাবদিহিতা ও দক্ষতা বাড়াতে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী উল্লেখ করেন, প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান মূল্যায়নে সরকার ‘কী পারফরম্যান্স ইন্ডিকেটর’ (কেপিআই) ব্যবস্থা প্রস্তুত করছে। এই কেপিআই মূল্যায়নের ভিত্তিতেই ভবিষ্যতে প্রতিটি দূতাবাসের কাজের মান ও গ্রেডিং নির্ধারণ করা হবে।