Dhaka ০২:৫৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মেসিকে আটকাতে বিশেষ পরিকল্পনা টুখেলের ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’ চালুর ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর পত্নীতলায় হানিট্র্যাপে জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়কারী চক্রের ২ তরুণীসহ গ্রেফতার ৪ পাংশা বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ মামলার অভিযোগ জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টি-২০ সিরিজও হার দিয়ে শুরু বাংলাদেশের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা নিয়ে সরকারের ৫ উদ্যোগ ইঞ্জিন বিকল হয়ে সমুদ্রে ভাসতে থাকা ফিশিং বোটসহ ১৯ জেলে উদ্ধার কাতারের আমিরের কাছে প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা হস্তান্তর করলেন স্পিকার আত্মসমর্পণ করে জামিন পেলেন অভিনেত্রী ববি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় কালুখালীর সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একযোগে বৃক্ষরোপণ

মেসির কোলে থাকা এই শিশুটি ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬
  • / 16

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ছবিগুলোর একটি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, তরুণ লিওনেল মেসির কোলে একটি পাঁচ মাসের শিশু। সেই শিশুই আজ স্পেনের উদীয়মান তারকা উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল।

ছবিটি তোলা হয়েছিল ইউনিসেফ এবং কাতালান সংবাদপত্র ‘দিয়ারিও স্পোর্ট’এর যৌথ উদ্যোগে একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কাতালুনিয়ার মাতারো এলাকার একটি পরিবার তাদের পাঁচ মাস বয়সী সন্তানকে মেসির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পায়। সেই শিশুই ছিলেন লামিন ইয়ামাল।

ছবির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট পরে জানান, সে সময় মাত্র ২০ বছর বয়সী মেসি খুবই লাজুক ছিলেন এবং পানিভর্তি ছোট্ট প্লাস্টিকের টাবে থাকা শিশুটিকে কীভাবে কোলে নেবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েছিলেন। পরে ইয়ামালের মা শেইলা এবানা তাকে সহায়তা করেন এবং সেখান থেকেই জন্ম নেয় ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এই ছবি।

জানা যায়, ইয়ামালের বাবা প্রায় ১৭ বছর ছবিগুলো প্রকাশ করেননি। কারণ, ছোটবেলা থেকেই ছেলের ওপর মেসির সঙ্গে তুলনার অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হোক, তা তিনি চাননি। অবশেষে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ছবিগুলো প্রকাশ্যে এলে মুহূর্তেই তা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।

এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ছবিটি ঘিরে নানা মজার মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রসিকতা করে বলেন, “মেসি যেন নিজের অজান্তেই সেই গোসলের পানির মাধ্যমে নিজের ফুটবল জাদুর কিছুটা ছোট্ট ইয়ামালের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।” যদিও এটি নিছক ভক্তদের কল্পনা ও হাস্যরসের অংশ, বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই।

উল্লেখ্য, লামিন ইয়ামাল ইতোমধ্যেই স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ইউরো ২০২৪ জয় করেছেন এবং অল্প বয়সেই বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। ১৭ বছর আগের সেই ছবিটি আজ যেন দুই প্রজন্মের দুই ফুটবল নক্ষত্রকে একই ফ্রেমে বেঁধে রাখা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

মেসির কোলে থাকা এই শিশুটি ফ্রান্সকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলবে

প্রকাশের সময় : ০১:৪৬:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

ফুটবল বিশ্বের অন্যতম আলোচিত ছবিগুলোর একটি আবারও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। ২০০৭ সালের ডিসেম্বরে বার্সেলোনার ক্যাম্প ন্যুর ড্রেসিংরুমে তোলা একটি ছবিতে দেখা যায়, তরুণ লিওনেল মেসির কোলে একটি পাঁচ মাসের শিশু। সেই শিশুই আজ স্পেনের উদীয়মান তারকা উইঙ্গার লামিন ইয়ামাল।

ছবিটি তোলা হয়েছিল ইউনিসেফ এবং কাতালান সংবাদপত্র ‘দিয়ারিও স্পোর্ট’এর যৌথ উদ্যোগে একটি চ্যারিটি ক্যালেন্ডারের জন্য। লটারির মাধ্যমে নির্বাচিত কাতালুনিয়ার মাতারো এলাকার একটি পরিবার তাদের পাঁচ মাস বয়সী সন্তানকে মেসির সঙ্গে ছবি তোলার সুযোগ পায়। সেই শিশুই ছিলেন লামিন ইয়ামাল।

ছবির আলোকচিত্রী জোয়ান মনফোর্ট পরে জানান, সে সময় মাত্র ২০ বছর বয়সী মেসি খুবই লাজুক ছিলেন এবং পানিভর্তি ছোট্ট প্লাস্টিকের টাবে থাকা শিশুটিকে কীভাবে কোলে নেবেন, তা নিয়ে কিছুটা দ্বিধায় পড়েছিলেন। পরে ইয়ামালের মা শেইলা এবানা তাকে সহায়তা করেন এবং সেখান থেকেই জন্ম নেয় ইতিহাসের অন্যতম স্মরণীয় এই ছবি।

জানা যায়, ইয়ামালের বাবা প্রায় ১৭ বছর ছবিগুলো প্রকাশ করেননি। কারণ, ছোটবেলা থেকেই ছেলের ওপর মেসির সঙ্গে তুলনার অতিরিক্ত মানসিক চাপ তৈরি হোক, তা তিনি চাননি। অবশেষে ২০২৪ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপ চলাকালে ছবিগুলো প্রকাশ্যে এলে মুহূর্তেই তা বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়ে যায়।

এরপর থেকেই ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ছবিটি ঘিরে নানা মজার মন্তব্য ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে রসিকতা করে বলেন, “মেসি যেন নিজের অজান্তেই সেই গোসলের পানির মাধ্যমে নিজের ফুটবল জাদুর কিছুটা ছোট্ট ইয়ামালের মধ্যে ছড়িয়ে দিয়েছিলেন।” যদিও এটি নিছক ভক্তদের কল্পনা ও হাস্যরসের অংশ, বাস্তবে এর কোনো ভিত্তি নেই।

উল্লেখ্য, লামিন ইয়ামাল ইতোমধ্যেই স্পেন জাতীয় দলের হয়ে ইউরো ২০২৪ জয় করেছেন এবং অল্প বয়সেই বিশ্বের অন্যতম প্রতিভাবান ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

অন্যদিকে, লিওনেল মেসি ফুটবল ইতিহাসের অন্যতম সেরা খেলোয়াড় হিসেবে বিশ্বকাপসহ অসংখ্য শিরোপা জিতেছেন। ১৭ বছর আগের সেই ছবিটি আজ যেন দুই প্রজন্মের দুই ফুটবল নক্ষত্রকে একই ফ্রেমে বেঁধে রাখা এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের সাক্ষী।