Dhaka ১২:২৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬, ২৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ভারত থেকে ট্রাভেল পারমিটে দেশে ফিরলেন বাংলাদেশি তরুণী গভীর রাতে ডাকাতির প্রস্তুতি, শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘কুত্তা ফারুক’সহ গ্রেপ্তার ৭ কিছু ফুটবলারের বুটের গোড়ালির অংশ কাটা থাকার রহস্য কী? যশোরে ১ কোটি ৮ লাখ টাকার সাড়ে ৪টি স্বর্ণের বারসহ চোরাকারবারি গ্রেপ্তার সরকারি ক্রয়ে লিড টাইম আরও কমাতে বিপিপিএকে পরিকল্পনা মন্ত্রীর নির্দেশ রাজবাড়ীতে আইডিইবির নতুন জেলা নির্বাহী কমিটির শপথ গ্রহণ বন্যা পরিস্থিতি জানাতে কন্ট্রোল রুম চালু বন্যার পানিতে ভেসে গেল তিন হাজার গ্যাস সিলিন্ডার! ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, আর্জেটিনারা বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখছে: ক্রীড়া প্রতিমন্তী যশোরের শার্শায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সহকারী শিক্ষক কারাগারে

যশোরের শার্শায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সহকারী শিক্ষক কারাগারে

বেনাপোল প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬
  • / 10

 

যশোরের শার্শা উপজেলায় জাল সনদে শিক্ষক পদে নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী এক সহকারী শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো শিক্ষক ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। তিনি শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় কয়েকজন শিক্ষক জাল সনদের মাধ্যমে নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস ২০১৫ সালে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাবেক চেয়ারম্যান টিংকু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মামলাটি পুনরায় সক্রিয় করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির যশোর অঞ্চলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বখতিয়ার রহমান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতি এবং সাবেক চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর ভিত্তিতে আদালত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।

বৃহস্পতিবার নির্ধারিত তারিখে ইদ্রিস আলী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

যশোরের শার্শায় জাল সনদে শিক্ষক নিয়োগ মামলায় সহকারী শিক্ষক কারাগারে

প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই ২০২৬

 

যশোরের শার্শা উপজেলায় জাল সনদে শিক্ষক পদে নিয়োগ নেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণকারী এক সহকারী শিক্ষককে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) যশোরের অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আছাদুল ইসলাম শুনানি শেষে এ আদেশ দেন।

কারাগারে পাঠানো শিক্ষক ইদ্রিস আলী ঝিকরগাছা উপজেলার পাঁচপোতা গ্রামের শুকুর আলীর ছেলে। তিনি শার্শা উপজেলার চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক (বিপিএড) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকুর সহযোগিতায় কয়েকজন শিক্ষক জাল সনদের মাধ্যমে নিয়োগ পান। বিষয়টি জানতে পেরে কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপি নেতা রুহুল কুদ্দুস ২০১৫ সালে আদালতে মামলা দায়ের করেন।

অভিযোগে বলা হয়, সাবেক চেয়ারম্যান টিংকু ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ায় রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে দীর্ঘদিন মামলার কার্যক্রম বাধাগ্রস্ত করেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর মামলাটি পুনরায় সক্রিয় করা হয়।

তদন্ত শেষে সিআইডির যশোর অঞ্চলের উপ-পরিদর্শক (এসআই) বখতিয়ার রহমান আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। প্রতিবেদনে তিন শিক্ষকের সনদ জালিয়াতি এবং সাবেক চেয়ারম্যানের সম্পৃক্ততার প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করা হয়। এর ভিত্তিতে আদালত সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে সমন জারি করেন।

মামলার অন্য আসামিরা হলেন চালিতাবাড়িয়া আরডি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ, সহকারী শিক্ষিকা (কৃষি) সালেহা খাতুন এবং কায়বা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান ফিরোজ আহম্মেদ টিংকু।

বৃহস্পতিবার নির্ধারিত তারিখে ইদ্রিস আলী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। একই সঙ্গে পলাতক অপর তিন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।