Dhaka ১১:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
১৫ বছরের মধ্যে মিসরের সঙ্গে যুদ্ধে জড়াবে ইসরায়েল: ইহুদি নেতার সতর্কবার্তা ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী কালীগঞ্জে আ.লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালনের চেষ্টা: সাবেক মেয়র বিজুকে ছিনিয়ে নিল মহিলা নেতাকর্মীরা শিক্ষাব্যবস্থায় কোনো ধরনের বৈষম্য রাখা হবে না: শিক্ষামন্ত্রী হরমুজ নিয়ে অগ্রগতি হলেও এখনো আটকা শত শত জাহাজ বিশ্ব দরবারে দেশের মর্যাদা, সম্মান ও দৃঢ় অবস্থান নিশ্চিত করছেন প্রধানমন্ত্রী গত অর্থবছরে দেশে ৩০.৩২ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে: প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রী কালুখালীতে জমি নিয়ে বিরোধ, বসতবাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগ কালীগঞ্জে যুবদলের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সমাবেশ ব্রাজিলের গোলকিপারের জার্সিতে পরিবর্তন আনল ফিফা

ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১০:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬
  • / 13

 

ভূমিকম্পসহ নগর দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভূমিকম্পের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লার এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সংসদে জানান, চিহ্নিত ৪৪৫টি আশ্রয়স্থলের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৮৯টি স্থান রয়েছে। পাশাপাশি, বড় ধরনের দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য ঢাকা মহানগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি ‘সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডেটাবেইস’ তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ ভূপ্রকৃতিগতভাবে ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের নিকটবর্তী অবস্থানে থাকায় সরকার এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, দুর্যোগের আগাম তথ্য ও দ্রুত প্রচারের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে ভূমিকম্প সহনশীল টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০:১৬:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬

 

ভূমিকম্পসহ নগর দুর্যোগের ঝুঁকি হ্রাস ও প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ভূমিকম্পের নিরাপদ আশ্রয়স্থল’ হিসেবে ঘোষণা করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে।

মঙ্গলবার জাতীয় সংসদে গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য সেলিমুজ্জামান মোল্লার এক প্রশ্নের জবাবে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর পর্বটি টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনামন্ত্রী সংসদে জানান, চিহ্নিত ৪৪৫টি আশ্রয়স্থলের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় ওয়ার্ডভিত্তিক ২৫৬টি এবং ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৮৯টি স্থান রয়েছে। পাশাপাশি, বড় ধরনের দুর্যোগ-পরবর্তী উদ্ধারকাজ চালানোর জন্য ঢাকা মহানগর ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকায় এক লাখ স্বেচ্ছাসেবক প্রস্তুত রাখার কাজ চলছে। এর অংশ হিসেবে সরকারি ও বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আওতাধীন স্বেচ্ছাসেবকদের তথ্য সংগ্রহ করে একটি ‘সমন্বিত স্বেচ্ছাসেবক ডেটাবেইস’ তৈরির কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

বাংলাদেশ ভূপ্রকৃতিগতভাবে ভূমিকম্প ও সুনামির ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলের নিকটবর্তী অবস্থানে থাকায় সরকার এই দুর্যোগ মোকাবেলায় সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে।

মন্ত্রী জানান, দুর্যোগের আগাম তথ্য ও দ্রুত প্রচারের ব্যবস্থা শক্তিশালী করতে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর, ভূতাত্ত্বিক জরিপ অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সমন্বয়ে পর্যবেক্ষণব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এ ছাড়া ভবিষ্যতে ভূমিকম্প সহনশীল টেকসই অবকাঠামো নির্মাণ নিশ্চিত করতে ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড’ কঠোরভাবে অনুসরণের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।