Dhaka ১১:৪৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণকে বিপদে ফেলা যাবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী কেন ভারতীয়দের বিদেশ ভ্রমণ ও স্বর্ণ ক্রয় না করতে বলছেন মোদি? দৌলতদিয়া-পাটুরিয়ায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু নির্মাণ করতে চলছি: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ভারতীয় সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তাদের অভ্যন্তরীণ বিষয়, বিজিবি সতর্ক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নারী কৃষকদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টি সচেতনতায় বালিয়াকান্দিতে প্রশিক্ষণ শৈলকুপায় তীব্র গরমে পাটক্ষেতে কৃষকের মৃত্যু ফেনী ও পঞ্চগড়ের সমালোচিত দুই এসপি প্রত্যাহার বাংলাদেশের মানুষ কাঁটাতার ভয় পায় না : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা পাংশা উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত ভোগান্তি কমাতে এবার তিন ধাপে গার্মেন্টস শ্রমিকদের ছুটি দেয়া হবে: সড়ক পরিবহনমন্ত্রী

ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণকে বিপদে ফেলা যাবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬
  • / 6

যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই ওষুধের দাম রাখতে হবে।

সোমবার (১১ মে) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ‘বেসরকারি খাতের সাথে অংশীজন পরামর্শ সভা: স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে সভাটির আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিল্পের স্বার্থ রক্ষা যেমন জরুরি, তেমনি ওষুধের দাম ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে সংকটে ফেলা যাবে না। ওষুধ কোম্পানিগুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, তাদের মুনাফার প্রয়োজন আছে। তবে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ কিনতে হিমশিম খায়।”

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন দুর্বলতা সামনে এসেছে। অনেক হাসপাতালের দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। কোথাও ভবন আছে কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই, আবার কোথাও ওষুধের সংকট রয়েছে। এর মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, “আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই জনগণের জন্য ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করতে চাই। একই সঙ্গে ওষুধ শিল্পের সমস্যাগুলোও দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”

ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়লেও বছরের পর বছর ওষুধের দাম অপরিবর্তিত রাখা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি যখন-তখন দাম বাড়ানোর সুযোগও থাকা উচিত নয়। জনগণের স্বার্থ ও শিল্পের স্বার্থ—দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় রেখে নীতি নির্ধারণ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল এটিএম ইসলামসহ বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের প্রতিনিধি, ওষুধ শিল্পের উদ্যোক্তা এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণকে বিপদে ফেলা যাবে না: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের সময় : ১০:৪৫:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬

যখন-তখন ওষুধের দাম বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে বিপদে ফেলা যাবে না বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। তিনি বলেন, ওষুধ শিল্পের টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যেই ওষুধের দাম রাখতে হবে।

সোমবার (১১ মে) বিকেলে রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত ‘বেসরকারি খাতের সাথে অংশীজন পরামর্শ সভা: স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ শীর্ষক এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ এবং বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে সভাটির আয়োজন করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, “শিল্পের স্বার্থ রক্ষা যেমন জরুরি, তেমনি ওষুধের দাম ইচ্ছেমতো বাড়িয়ে জনগণ ও সরকারকে সংকটে ফেলা যাবে না। ওষুধ কোম্পানিগুলো ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান, তাদের মুনাফার প্রয়োজন আছে। তবে এমন কোনো পরিস্থিতি তৈরি করা উচিত নয়, যাতে সাধারণ মানুষ জীবনরক্ষাকারী ওষুধ কিনতে হিমশিম খায়।”

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর স্বাস্থ্য খাতের বিভিন্ন দুর্বলতা সামনে এসেছে। অনেক হাসপাতালের দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। কোথাও ভবন আছে কিন্তু প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি নেই, আবার কোথাও ওষুধের সংকট রয়েছে। এর মধ্যে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

ডা. এম এ মুহিত বলেন, “আমরা একটি গণতান্ত্রিক সরকার। জনগণের প্রতি আমাদের দায়বদ্ধতা রয়েছে। তাই জনগণের জন্য ন্যূনতম স্বাস্থ্যসেবা ও প্রয়োজনীয় ওষুধ নিশ্চিত করতে চাই। একই সঙ্গে ওষুধ শিল্পের সমস্যাগুলোও দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করা হবে।”

ওষুধের মূল্য নির্ধারণে ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, “অন্যান্য পণ্যের দাম বাড়লেও বছরের পর বছর ওষুধের দাম অপরিবর্তিত রাখা যেমন বাস্তবসম্মত নয়, তেমনি যখন-তখন দাম বাড়ানোর সুযোগও থাকা উচিত নয়। জনগণের স্বার্থ ও শিল্পের স্বার্থ—দুইয়ের মধ্যে সমন্বয় রেখে নীতি নির্ধারণ করতে হবে।”

অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সাইফুল এটিএম ইসলামসহ বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের প্রতিনিধি, ওষুধ শিল্পের উদ্যোক্তা এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।