Dhaka ০২:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কলকাতার হোটেলে নিহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশির পরিচয় শনাক্ত পাংশায় চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা, পরিবারের দাবি ‘পরিকল্পিত হত্যা’ গোপালগঞ্জে ৬৪ হাজার ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার হান্নান মাসউদের সংসদ সদস্য পদ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট জানা গেল ২০২৭ সালের রমজান ও ঈদের সম্ভাব্য তারিখ দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘লোয়ার ডেপথ’ নাটকের প্রদর্শনী ‘ড্রপ আউট সরোয়ার তুষার’ আমার যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে: রাশেদ খাঁন কলকাতার নিউ মার্কেটের হোটেলে ভয়াবহ আগুন, নিহত ৯ জাবিতে গাঁজাসহ বহিরাগত আটক, কর্মচারীদের সম্পৃক্ততার দাবি জাকসু সদস্যের সরকারি হাসপাতাল তদারকিতে ৬৯ কর্মকর্তা নিয়োগ

১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা কারাগারে

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬
  • / 167

চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান।

তিনি বলেন, ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্ররণ করি।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। বলেন, আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ভুক্তভোগী ও তার বন্ধু মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন পশ্চিম মাটিকাটার বাসায় এসে দেবু প্রসাদ রায় নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে একই ব্যবসার কথা বলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ এবং ২০২৪ সালের ১৫ মে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সম্পাদনের মাধ্যমে নগদ ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে অভিযুক্তের অনুরোধে আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে পাঠান তিনি।

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন পার হলেও অভিযুক্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে নানা ধরনের তালবাহানা করেন এবং পরে হুমকি দিতে থাকেন। এতে তার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পূজা চেরির পরিচিতি ও পূর্ব সম্পর্কের কারণে টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, আমি আমার অভিযোগের কথা থানায় জানিয়ে মামলা করেছি। বাকিটা আদালতে গিয়ে কথা বলব।

অভিযোগের বিষয়ে দেবু প্রসাদ রায়কে মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

বাবার অভিযোগ নিয়ে পূজা চেরি বলেন, আপনারা যেই অভিযোগ কিংবা মামলার বিষয়ে কথা বলছেন তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নাই। আপনারা আমাকে টানবেন না। প্রথম কথা হচ্ছে, মামলাটির তদন্ত চলমান। বিষয়টি আমার পরিবারকেন্দ্রিক হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নাই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। বিষয়টি বিজ্ঞ আদালত দেখবেন এবং সিদ্ধান্ত নিবেন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

১৩ কোটি টাকা আত্মসাৎ, চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা কারাগারে

প্রকাশের সময় : ০৫:৪০:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬

চলচ্চিত্র নির্মাণের নামে ১৩ কোটি টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে। এ সংক্রান্ত বিষয়ে ভুক্তভোগী মিজানুর রহমানের করা মামলায় ডিএমপির ক্যান্টনমেন্ট থানা পুলিশের কাছে গ্রেপ্তারের পর তাকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছেন ক্যান্টনমেন্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রাকিবুল হাসান।

তিনি বলেন, ১৩ কোটি টাকার প্রতারণার অভিযোগে দেবু প্রসাদ রায়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন ভুক্তভোগী মিজানুর রহমান। এ মামলায় আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে আদালতে প্ররণ করি।

মামলাটি বর্তমানে তদন্তাধীন বলেও জানান ক্যান্টনমেন্ট থানার ওসি। বলেন, আমরা লেনদেনের স্টেটমেন্টগুলো যাচাই করছি।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, চলচ্চিত্র প্রযোজনার ব্যবসার কথা বলে ভুক্তভোগী ও তার বন্ধু মিজানুর রহমানের কাছ থেকে ২০১৯ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে ক্যান্টনমেন্ট থানাধীন পশ্চিম মাটিকাটার বাসায় এসে দেবু প্রসাদ রায় নগদ ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা ধার হিসেবে গ্রহণ করেন। পরে একই ব্যবসার কথা বলে স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক লিমিটেডের মাধ্যমে আরও ৫০ লাখ এবং ২০২৪ সালের ১৫ মে ১০০ টাকার তিনটি নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প সম্পাদনের মাধ্যমে নগদ ৬ কোটি টাকা গ্রহণ করেন।

এ ছাড়া বিভিন্ন সময়ে বিকাশ, নগদ ও রকেটের একাধিক নম্বরে মোট ১ কোটি ২০ লাখ টাকা পাঠানো হয়। সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩০ মার্চ বিকেল ৩টার দিকে অভিযুক্তের অনুরোধে আরও ১০ হাজার ২০০ টাকা বিকাশে পাঠান তিনি।

ভুক্তভোগীর দাবি, দীর্ঘদিন পার হলেও অভিযুক্ত কোনো টাকা ফেরত দেননি। টাকা চাইলে নানা ধরনের তালবাহানা করেন এবং পরে হুমকি দিতে থাকেন। এতে তার সরল বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে মোট ১৩ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার ২০০ টাকা আত্মসাৎ করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

পূজা চেরির পরিচিতি ও পূর্ব সম্পর্কের কারণে টাকা দেওয়ার বিষয়টি জানিয়ে অভিযোগকারী মিজানুর রহমান বলেন, আমি আমার অভিযোগের কথা থানায় জানিয়ে মামলা করেছি। বাকিটা আদালতে গিয়ে কথা বলব।

অভিযোগের বিষয়ে দেবু প্রসাদ রায়কে মোবাইলে একাধিকবার ফোন দেওয়া হলেও তার সাড়া পাওয়া যায়নি।

বাবার অভিযোগ নিয়ে পূজা চেরি বলেন, আপনারা যেই অভিযোগ কিংবা মামলার বিষয়ে কথা বলছেন তার সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নাই। আপনারা আমাকে টানবেন না। প্রথম কথা হচ্ছে, মামলাটির তদন্ত চলমান। বিষয়টি আমার পরিবারকেন্দ্রিক হলেও এ বিষয়ে কোনো তথ্য আমার জানা নাই। আইনগত প্রক্রিয়া চলমান। বিষয়টি বিজ্ঞ আদালত দেখবেন এবং সিদ্ধান্ত নিবেন।