Dhaka ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

কালীগঞ্জ প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : ০২:১৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • / 141

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন উপকরণ প্রদর্শিত হয়। রঙিন পোশাক, বেলুন ও ফেস্টুনে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও দৃষ্টিনন্দন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করেন, যা এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এতে পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নববর্ষের গান, নৃত্য ও আবৃত্তি উপভোগ করে মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শকরা।

পাশাপাশি আয়োজন করা হয় লোকজ মেলা। মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা পণ্য, হস্তশিল্প ও দেশীয় খাবারের সমাহার দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের বর্ষবরণ আয়োজন শুধু উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ উদযাপন

প্রকাশের সময় : ০২:১৮:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজন ও উৎসবমুখর পরিবেশে বাংলা নববর্ষ উদযাপন করেছে উপজেলা প্রশাসন।

মঙ্গলবার (১৪ এপ্রিল) সকালে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেজওয়ানা নাহিদের সভাপতিত্বে দিনব্যাপী এ আয়োজন অনুষ্ঠিত হয়।

এ উপলক্ষে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা উপজেলা চত্বর থেকে বের হয়ে শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে পুনরায় একই স্থানে এসে শেষ হয়।

শোভাযাত্রায় গ্রামবাংলার ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন উপকরণ প্রদর্শিত হয়। রঙিন পোশাক, বেলুন ও ফেস্টুনে সজ্জিত অংশগ্রহণকারীদের উপস্থিতিতে পুরো আয়োজন হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও দৃষ্টিনন্দন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব শ্রেণি-পেশার মানুষ স্বতঃস্ফূর্তভাবে এতে অংশগ্রহণ করেন, যা এক মিলনমেলায় পরিণত হয়।

এতে পুলিশ সদস্যসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা, সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা এবং শিক্ষার্থীরা অংশ নেন। শোভাযাত্রা শেষে অনুষ্ঠিত হয় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। নববর্ষের গান, নৃত্য ও আবৃত্তি উপভোগ করে মুগ্ধ হন উপস্থিত দর্শকরা।

পাশাপাশি আয়োজন করা হয় লোকজ মেলা। মেলায় গ্রামীণ ঐতিহ্যের নানা পণ্য, হস্তশিল্প ও দেশীয় খাবারের সমাহার দর্শনার্থীদের আকৃষ্ট করে।

আয়োজকরা জানান, এ ধরনের বর্ষবরণ আয়োজন শুধু উৎসবের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি বাঙালির ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও অসাম্প্রদায়িক চেতনার প্রতিফলন।