Dhaka ০৫:২২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ অক্টোবর ২০২৬, ১৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
কালীগঞ্জে ট্রেনের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তির মৃত্যু বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা বীর মুক্তিযোদ্ধা তালিকাভুক্তি হতে ৭ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ ফরিদপুরে মেয়েকে নেশাগ্রস্ত স্বামীর কাছ থেকে ছাড়িয়ে দুধ দিয়ে গোসল করলেন মা গোপন গুদামে শুল্কমুক্ত মদ মজুত, সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা দল থেকেও পদত্যাগের নির্দেশ মিষ্টিকে বাবা-মা হারানো এতিম পাঁচ কন্যার পাশে দাঁড়ালেন প্রধানমন্ত্রী ময়মনসিংহে বাস ও সিএনজির মুখোমুখি সংঘর্ষ, নিহত ৭ বিমানবন্দরে তর্ক-বিতর্ক : মেজর (অব.) আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা রাজধানীর কাঁচাবাজার: শিমের কেজি ২০০, ব্রয়লার ১৮০ টাকা

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / 177

রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে। এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন। সেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে ধীরে ধীরে পানি পান করলে শরীর তা ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটোর মতো পানি-সমৃদ্ধ ফল ও সবজি সেহরি ও ইফতারে রাখলে দীর্ঘসময় শরীর হাইড্রেটেড থাকে।

ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত রাখা জরুরি। চা, কফি ও কোলার মতো পানীয় ডাইউরেটিক প্রভাব ফেলে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। অতিরিক্ত চিনি থাকা জুস বা মিষ্টি পানীয়ও ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

সেহরি ও ইফতারে অতিরিক্ত লবণ ও তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। বেশি লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। লবণের পরিবর্তে লেবু, জিরা বা তুলসী ব্যবহার করে স্বাদ বাড়ানো যেতে পারে।

রোজা ভাঙার সময় একবারে অনেক পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে ও নিয়মিত পানি পান করা উচিত। এতে শরীর পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড থাকে।

রোজার সময়ে সূর্যের তাপে দীর্ঘ সময় থাকা বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করলে শরীর থেকে বেশি পানি ক্ষয় হতে পারে। তাই গরম এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন হলে বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

ইফতার ও সেহরিতে হালকা স্যুপ বা দই রাখা উপকারী। স্যুপ ও দই শরীরে পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক। দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে।

রোজা রাখার সময় অতিরিক্ত পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যাওয়া পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রোজায় পানিশূন্যতা এড়াতে যেসব অভ্যাস জরুরি

প্রকাশের সময় : ১২:৪৬:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রোজায় দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকার ফলে শরীর পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকিতে থাকে। কারণ সারাদিন পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়, ফলে শরীরের তরল ক্ষতি হয় ঘাম, শ্বাস-প্রশ্বাস ও পেশীর কার্যক্রমে। এই অবস্থায় পানিশূন্যতা এড়াতে শুধু ইফতার বা সেহরিতে পানি খাওয়া যথেষ্ট নয়, সঠিক অভ্যাস গড়ে তোলাও জরুরি।

ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্ত পানি পান করা প্রয়োজন। সেহরি ও ইফতারের সময় মোটামুটি ৮-১০ গ্লাস পানি বা তরল খাবার খাওয়ার চেষ্টা করা উচিত। একবারে খুব বেশি পানি খাওয়ার চেয়ে ধীরে ধীরে পানি পান করলে শরীর তা ভালোভাবে শোষণ করতে পারে। তরমুজ, শসা, কমলা, টমেটোর মতো পানি-সমৃদ্ধ ফল ও সবজি সেহরি ও ইফতারে রাখলে দীর্ঘসময় শরীর হাইড্রেটেড থাকে।

ক্যাফেইন ও চিনি-সমৃদ্ধ পানীয় সীমিত রাখা জরুরি। চা, কফি ও কোলার মতো পানীয় ডাইউরেটিক প্রভাব ফেলে শরীর থেকে পানি বের করে দেয়। অতিরিক্ত চিনি থাকা জুস বা মিষ্টি পানীয়ও ডিহাইড্রেশন বাড়াতে পারে।

সেহরি ও ইফতারে অতিরিক্ত লবণ ও তীব্র মসলাযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলা ভালো। বেশি লবণ শরীরের পানির চাহিদা বাড়ায়। লবণের পরিবর্তে লেবু, জিরা বা তুলসী ব্যবহার করে স্বাদ বাড়ানো যেতে পারে।

রোজা ভাঙার সময় একবারে অনেক পানি না খেয়ে ধীরে ধীরে ও নিয়মিত পানি পান করা উচিত। এতে শরীর পর্যায়ক্রমে হাইড্রেটেড থাকে।

রোজার সময়ে সূর্যের তাপে দীর্ঘ সময় থাকা বা অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম করলে শরীর থেকে বেশি পানি ক্ষয় হতে পারে। তাই গরম এড়িয়ে চলা এবং প্রয়োজন হলে বিশ্রাম নেওয়া উচিত।

ইফতার ও সেহরিতে হালকা স্যুপ বা দই রাখা উপকারী। স্যুপ ও দই শরীরে পানি ও ইলেকট্রোলাইট সরবরাহে সাহায্য করে এবং হজমে সহায়ক। দইয়ের প্রোবায়োটিক উপাদান পেট ভালো রাখতে সহায়তা করে।

রোজা রাখার সময় অতিরিক্ত পিপাসা, মাথাব্যথা, অতি ক্লান্তি বা প্রস্রাবের রং গাঢ় হয়ে যাওয়া পানিশূন্যতার লক্ষণ হতে পারে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে প্রয়োজন হলে রোজা ভেঙে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।