বালক বিদ্যালয়ে ভর্তির লটারিতে নাম উঠলো ‘মিস জুলেখা খাতুন’, অভিভাবকদের ক্ষোভ
- প্রকাশের সময় : ১২:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ ডিসেম্বর ২০২৫
- / 194
চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি (ভিজে) সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ভর্তি লটারিতে ‘মিস জুলেখা খাতুন’ নামে এক বালিকার নাম প্রকাশিত হওয়ায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়টি শুধুমাত্র বালকদের জন্য হওয়ায় এই ঘটনা লটারির ডিজিটাল প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সেইসাথে ক্ষোভ ঝেড়েছেন অভিভাবকরা।
বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ডিজিটাল পদ্ধতিতে লটারি অনুষ্ঠিত হয়। দুপুর ২টার পর অনলাইনে ও বিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ডে ফলাফল প্রকাশিত হয়। খোঁজে জানা যায়, তৃতীয় শ্রেণি (দিবা শিফট) ভর্তি তালিকার ৭১ নম্বর সিরিয়ালে উঠে আসে ‘মিস জুলেখা খাতুন’-এর নাম। ফল প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ও অভিভাবকদের মধ্যে লটারি কার্যক্রম নিয়ে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে।
অভিভাবকরা জানাচ্ছেন, প্রতি বছরই ভর্তি প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন ধরনের অনিয়ম ও ভুলের অভিযোগ শোনা যায়। এর আগেও চুয়াডাঙ্গার দুইটি বালক-বালিকা বিদ্যালয়ে একই ধরনের ভুল ঘটেছিল। এবারও ডিজিটাল লটারিতে এমন ত্রুটি দেখা যাওয়ায় উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
লটারিতে নাম আসা শিক্ষার্থীর বাবা জিনারুল ইসলাম ও মা সাবিনা ইয়াসমিনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তারা মন্তব্য না করে ফোন কেটে দেন।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও জেলা শিক্ষা অফিসার জেসমিন আরা খাতুন জানান, তিনি চাকরির পরীক্ষার হলে থাকায় পরে বিস্তারিত জানাবেন। চুয়াডাঙ্গার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন বলেন, বিষয়টি তার জানা নেই। ভর্তি লটারির পুরো কার্যক্রম ঢাকায় সম্পন্ন হওয়ায় বালক বিদ্যালয়ের তালিকায় বালিকার নাম ওঠা নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করে সংশোধনের ব্যবস্থা নিতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০২২ সালের একই দিনে চুয়াডাঙ্গা ভিক্টোরিয়া জুবিলি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভর্তি লটারিতে সাবিহা ইসলাম নামে এক বালিকার নাম প্রকাশিত হয়েছিল। একই সঙ্গে এক শিক্ষার্থীর নাম একাধিকবার ওঠার ঘটনাও ঘটেছিল। এসব ঘটনার পর থেকেই লটারি কার্যক্রম নিয়ে অভিভাবকদের আস্থাহীনতা বৃদ্ধি পেয়েছে।






















