Dhaka ০২:৫২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সৌদি আরবে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়েছে হুতিরা ১ হাজার ৪৩১ কেজির কুমড়া ফলিয়ে বিশ্বরেকর্ড গড়লেন কৃষক অমিতাভের বাংলো ও দিলজিতের কনসার্টে বোমা হামলার হুমকি মান্দায় ট্যাপেন্টাডল, চোলাই মদের উপাদান ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার ৩ বিয়ের পর অনলাইনে যেসব ৬ বিষয়ে পরামর্শ খোঁজেন নারীরা সরকারের ব্যর্থতার দায় নিয়ে স্বরাষ্ট্র ও জ্বালানিমন্ত্রীকে পদত্যাগ করতে হবে: নাহিদ রাজবাড়ীতে পদ্মায় গোসল করতে নেমে শিশু নিখোঁজ মধুখালীতে বাস-অ্যাম্বুলেন্সের সংঘর্ষে তিন শিক্ষার্থী নিহত থাইরয়েড ক্যানসারের ৬ লক্ষণ, যেগুলো অবহেলা করা উচিত নয় কক্সবাজারের হোটেলে ফের আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন ৩ শতাধিক পর্যটক

৮ দাবিতে বান্দরবানে হরতালের ডাক

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০২:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫
  • / 102

পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন আইন বাতিলসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে বান্দরবানে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে ‘পার্বত্য নাগরিক পরিষদ’। আগামী রোববার (১৩ অক্টোবর) এ হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলার একটি হোটেলের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান এই ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি অফিস-আদালত, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, খাবারের দোকান, ওষুধের দোকান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ পরিবহনের গাড়ি হরতালের আওতার বাইরে থাকবে।

লিখিত বক্তব্যে কাজী মজিবর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে বাঙালি সম্প্রদায় যুগের পর যুগ নানা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকারের বাইরে রাখা হয়েছে। বাঙালিদের ন্যায্য ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আট দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

দাবিগুলো হলো—
১. ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন আইন বাতিল করে সংবিধানের আলোকে তিন পার্বত্য জেলার শাসনব্যবস্থা চালু করা।
২. জমি ক্রয়-বিক্রয়, চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে রাজার সনদ ব্যবস্থা বাতিল করা।
৩. অন্যান্য জেলার মতো পার্বত্য তিন জেলায় ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জমি ক্রয়-বিক্রয় চালু করা।
৪. বাজার ফান্ড পুটের লিজ মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা এবং বন্ধ থাকা ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালু করা।
৫. উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বার্থে পরিবেশবান্ধব ইটভাটা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা।
৬. নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যাহার করা ২৪৬টি সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপন করা।
৭. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে চাঁদাবাজি, গুম, খুন ও ধর্ষণ বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
৮. শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা ও চাকরিক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

কাজী মজিবর রহমান বলেন, এসব দাবির প্রেক্ষিতে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে বান্দরবানে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের আহ্বান জানানো হয়েছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

৮ দাবিতে বান্দরবানে হরতালের ডাক

প্রকাশের সময় : ০২:২৮:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫

পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন আইন বাতিলসহ সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার দাবিতে বান্দরবানে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক দিয়েছে ‘পার্বত্য নাগরিক পরিষদ’। আগামী রোববার (১৩ অক্টোবর) এ হরতাল পালনের আহ্বান জানিয়েছে সংগঠনটি।

বৃহস্পতিবার সকালে জেলার একটি হোটেলের হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান কাজী মো. মজিবর রহমান এই ঘোষণা দেন।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সরকারি অফিস-আদালত, সরকারি কর্মকর্তাদের গাড়ি, অ্যাম্বুলেন্স, খাবারের দোকান, ওষুধের দোকান, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর যানবাহন এবং প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সংবাদ পরিবহনের গাড়ি হরতালের আওতার বাইরে থাকবে।

লিখিত বক্তব্যে কাজী মজিবর রহমান বলেন, চট্টগ্রামে বাঙালি সম্প্রদায় যুগের পর যুগ নানা বৈষম্যের শিকার হয়ে আসছে এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকারের বাইরে রাখা হয়েছে। বাঙালিদের ন্যায্য ও সাংবিধানিক অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আট দফা দাবি উত্থাপন করা হয়েছে।

দাবিগুলো হলো—
১. ১৯০০ সালের পার্বত্য চট্টগ্রাম রেগুলেশন আইন বাতিল করে সংবিধানের আলোকে তিন পার্বত্য জেলার শাসনব্যবস্থা চালু করা।
২. জমি ক্রয়-বিক্রয়, চাকরি ও শিক্ষাক্ষেত্রে রাজার সনদ ব্যবস্থা বাতিল করা।
৩. অন্যান্য জেলার মতো পার্বত্য তিন জেলায় ভূমি ব্যবস্থাপনা ও জমি ক্রয়-বিক্রয় চালু করা।
৪. বাজার ফান্ড পুটের লিজ মেয়াদ ৯৯ বছরে উন্নীত করা এবং বন্ধ থাকা ব্যাংক ঋণ পুনরায় চালু করা।
৫. উন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের স্বার্থে পরিবেশবান্ধব ইটভাটা ও শিল্প প্রতিষ্ঠান স্থাপন করা।
৬. নিরাপত্তার স্বার্থে প্রত্যাহার করা ২৪৬টি সেনা ক্যাম্প পুনঃস্থাপন করা।
৭. অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার করে চাঁদাবাজি, গুম, খুন ও ধর্ষণ বন্ধ করে সন্ত্রাসীদের গ্রেপ্তার এবং স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা করা।
৮. শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসা ও চাকরিক্ষেত্রে বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা।

কাজী মজিবর রহমান বলেন, এসব দাবির প্রেক্ষিতে পার্বত্য নাগরিক পরিষদ ও সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে বান্দরবানে সকাল-সন্ধ্যা হরতালের আহ্বান জানানো হয়েছে।