Dhaka ০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক, রাষ্ট্রে সবার সমান অধিকার: রিজভী কালীগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত সব ধর্মের মানুষের বিশ্বাস ও ধর্মাচরণের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য: প্রধানমন্ত্রী যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে ৫ সরকারি কর্মচারী গ্রেফতার, উদ্ধার ৪৮ পাতার ব্যাংক চেক পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঢালারচর রেলস্টেশন পরিদর্শন, ‘ওরা ১১ জন’-এর নৌকা ভ্রমণ নুর হাসিনার পুত্র হলে আসিফ-নাহিদ-আখতাররা হাসিনার নাতি: আবু হানিফ ক্ষমা চেয়েও শাস্তি এড়াতে পারলেন না মার্তিনেজ কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টের কিট কিনতে বিএনপির আর্থিক সহায়তা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ফল প্রকাশ পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা তদারকি করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০১:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫
  • / 93

ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১৪ জুন) মার্কিন নৌবাহিনীর বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস টমাস হাডনারকে পশ্চিম ভূমধ্যসাগর থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরের দিকে যাত্রা শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী জাহাজকেও অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে হোয়াইট হাউসের অনুরোধে তা প্রস্তুত থাকতে পারে।

মার্কিন নৌবাহিনীর আরও যুদ্ধজাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস কার্ল ভিনসন, যা বর্তমানে আরব সাগরে রয়েছে ও এই অঞ্চলে একমাত্র মোতায়েনকৃত বিমানবাহী রণতরী। এছাড়া ইউএসএস নিমিটজ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন সম্প্রতি জাপান ত্যাগ করেছে। প্রয়োজনে তাদেরও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৩ জুন) ইসরায়েলের পরমাণু স্থাপনা ও সামরিক নেতাদের ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, তা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিমান ঘাঁটিগুলোতেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ এখনো গোপন সামরিক অভিযানের অংশ এবং প্রকাশ করা হয়নি।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৩০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকলেও বর্তমানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজারে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে যখন ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের হামলাও বাড়ছিল, তখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই সংখ্যা ৪৩ হাজারে পৌঁছেছিল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল হামলার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলকে রক্ষায় একাধিক যুদ্ধজাহাজ পাঠায়। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরান ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রতিরোধের বার্তা দেওয়া।

সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

প্রকাশের সময় : ০১:২৫:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ জুন ২০২৫

ইসরায়েল-ইরান সংঘাতের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। শনিবার (১৪ জুন) মার্কিন নৌবাহিনীর বরাত দিয়ে ওয়াশিংটন পোস্টের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

ওয়াশিংটন পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংস করতে সক্ষম যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস টমাস হাডনারকে পশ্চিম ভূমধ্যসাগর থেকে পূর্ব ভূমধ্যসাগরের দিকে যাত্রা শুরু করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী জাহাজকেও অগ্রসর হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যাতে হোয়াইট হাউসের অনুরোধে তা প্রস্তুত থাকতে পারে।

মার্কিন নৌবাহিনীর আরও যুদ্ধজাহাজ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে ইউএসএস কার্ল ভিনসন, যা বর্তমানে আরব সাগরে রয়েছে ও এই অঞ্চলে একমাত্র মোতায়েনকৃত বিমানবাহী রণতরী। এছাড়া ইউএসএস নিমিটজ ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে এবং ইউএসএস জর্জ ওয়াশিংটন সম্প্রতি জাপান ত্যাগ করেছে। প্রয়োজনে তাদেরও মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হতে পারে।

মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, শুক্রবার (১৩ জুন) ইসরায়েলের পরমাণু স্থাপনা ও সামরিক নেতাদের ওপর হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইরান যে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালায়, তা ঠেকাতে যুক্তরাষ্ট্র সক্রিয়ভাবে অংশ নেয়।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এই কর্মকর্তারা আরও জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যের বিমান ঘাঁটিগুলোতেও অতিরিক্ত নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপ এখনো গোপন সামরিক অভিযানের অংশ এবং প্রকাশ করা হয়নি।

একজন মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সাধারণত মধ্যপ্রাচ্যে প্রায় ৩০ হাজার মার্কিন সেনা মোতায়েন থাকলেও বর্তমানে এই সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪০ হাজারে। ২০২৪ সালের অক্টোবরে যখন ইসরায়েল-ইরান উত্তেজনার পাশাপাশি ইয়েমেনে হুথি বিদ্রোহীদের হামলাও বাড়ছিল, তখন মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে এই সংখ্যা ৪৩ হাজারে পৌঁছেছিল।

২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের ইসরায়েল হামলার পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র তার ঘনিষ্ঠ মিত্র ইসরায়েলকে রক্ষায় একাধিক যুদ্ধজাহাজ পাঠায়। এর উদ্দেশ্য ছিল ইরান ও ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোকে প্রতিরোধের বার্তা দেওয়া।

সূত্র: ওয়াশিংটন পোস্ট