Dhaka ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
ধর্মীয় পরিচয় যা-ই হোক, রাষ্ট্রে সবার সমান অধিকার: রিজভী কালীগঞ্জে জামায়াতে ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত সব ধর্মের মানুষের বিশ্বাস ও ধর্মাচরণের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার সব ধর্মেরই মূল উপজীব্য: প্রধানমন্ত্রী যুব উন্নয়নের প্রশ্নফাঁসে ৫ সরকারি কর্মচারী গ্রেফতার, উদ্ধার ৪৮ পাতার ব্যাংক চেক পদ্মা পাড়ি দিয়ে ঢালারচর রেলস্টেশন পরিদর্শন, ‘ওরা ১১ জন’-এর নৌকা ভ্রমণ নুর হাসিনার পুত্র হলে আসিফ-নাহিদ-আখতাররা হাসিনার নাতি: আবু হানিফ ক্ষমা চেয়েও শাস্তি এড়াতে পারলেন না মার্তিনেজ কালীগঞ্জে ডোপ টেস্টের কিট কিনতে বিএনপির আর্থিক সহায়তা প্রশ্নপত্র ফাঁস ঠেকাতে ফল প্রকাশ পর্যন্ত নিয়োগ পরীক্ষা তদারকি করবেন ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী

লন্ডনে বাণিজ্য আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ১১:০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫
  • / 276

চলমান বাণিজ্য বিরোধ নিরসনে সোমবার (৯ জুন) লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ বৈঠক বিশ্ববাজারে টানাপোড়েন কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। চীনের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন ভাইস-প্রিমিয়ার হে লিফেং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, হে লিফেং ৮ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন। এই সফরের মধ্যেই চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য পরামর্শ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ট্রাম্প তার পোস্টে বলেন, আলোচনাটি খুব ভালোভাবে হবে।

এই বৈঠকের আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক বিরল ফোনালাপে কথা বলেন। উভয় নেতা একে অপরকে সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ট্রাম্পের ‘লিবারেশন ডে’ নামে ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতির ফলে এপ্রিলে মার্কিন বাজারের সূচকগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ১২ মে জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি ৯০ দিনের অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাজারে স্বস্তি ফিরে আসে। এই চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের ওপর আরোপিত উচ্চ হারে শুল্ক কিছুটা প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আলোচনায় প্রধান বাধা হচ্ছে বিরল খনিজ পদার্থের রপ্তানি। চীন চাইলে এসব রপ্তানি বন্ধ করে মার্কিন অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন, আবার অনেক সময় শেষ মুহূর্তে সেসব সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন, যা বিশ্ব নেতাদের বিভ্রান্ত করেছে এবং ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

চীনকে মার্কিন নীতিনির্ধারকরা বারবার ‘প্রধান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন, যেটি অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম বলে মনে করা হয়।

সূত্র: রয়টার্স

 

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

লন্ডনে বাণিজ্য আলোচনায় বসছে যুক্তরাষ্ট্র ও চীন

প্রকাশের সময় : ১১:০১:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ জুন ২০২৫

চলমান বাণিজ্য বিরোধ নিরসনে সোমবার (৯ জুন) লন্ডনে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের শীর্ষ কর্মকর্তাদের মধ্যে আলোচনা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এ বৈঠক বিশ্ববাজারে টানাপোড়েন কমানোর সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, আলোচনায় অংশ নিচ্ছেন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট, বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিক এবং বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার। চীনের পক্ষে নেতৃত্ব দেবেন ভাইস-প্রিমিয়ার হে লিফেং।

চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শনিবার জানায়, হে লিফেং ৮ জুন থেকে ১৩ জুন পর্যন্ত যুক্তরাজ্যে অবস্থান করবেন। এই সফরের মধ্যেই চীন-যুক্তরাষ্ট্র অর্থনৈতিক ও বাণিজ্য পরামর্শ কমিটির প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

ট্রাম্প তার পোস্টে বলেন, আলোচনাটি খুব ভালোভাবে হবে।

এই বৈঠকের আগে বৃহস্পতিবার ট্রাম্প ও চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এক বিরল ফোনালাপে কথা বলেন। উভয় নেতা একে অপরকে সফরের আমন্ত্রণ জানান।

ট্রাম্পের ‘লিবারেশন ডে’ নামে ঘোষিত বৈশ্বিক শুল্ক নীতির ফলে এপ্রিলে মার্কিন বাজারের সূচকগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ১২ মে জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে একটি ৯০ দিনের অস্থায়ী চুক্তি স্বাক্ষরের পর বাজারে স্বস্তি ফিরে আসে। এই চুক্তিতে উভয় দেশ একে অপরের ওপর আরোপিত উচ্চ হারে শুল্ক কিছুটা প্রত্যাহার করতে সম্মত হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আলোচনায় প্রধান বাধা হচ্ছে বিরল খনিজ পদার্থের রপ্তানি। চীন চাইলে এসব রপ্তানি বন্ধ করে মার্কিন অর্থনীতির ওপর চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

ট্রাম্প পুনরায় প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে একাধিকবার যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য অংশীদারদের ওপর কঠোর শুল্ক আরোপের হুমকি দিয়েছেন, আবার অনেক সময় শেষ মুহূর্তে সেসব সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছেন, যা বিশ্ব নেতাদের বিভ্রান্ত করেছে এবং ব্যবসায়ী মহলে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।

চীনকে মার্কিন নীতিনির্ধারকরা বারবার ‘প্রধান ভূ-রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী’ হিসেবে চিহ্নিত করছেন, যেটি অর্থনৈতিক ও সামরিক উভয় ক্ষেত্রেই যুক্তরাষ্ট্রকে চ্যালেঞ্জ জানাতে সক্ষম বলে মনে করা হয়।

সূত্র: রয়টার্স