Dhaka ০৫:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৬, ৩ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
সিজদায় ইস্তিগফার পাঠ করার ফজিলত সম্পর্কে জানলে অবাক হবেন মধুখালীতে নারীর প্রতি সহিংসতা বন্ধের দাবিতে মহিলা পরিষদের মানববন্ধন ‘খদরে’ খাসি কাণ্ডে নতুন মোড়, সেই জামাইয়ের ফর্দনামা প্রকাশ ঋণনির্ভর অর্থনীতি থেকে নিজস্ব অর্থায়নে যেতে হবে : অর্থমন্ত্রী ওসি-কমিশনারের কথা শোনার টাইম নাই বলা সেই এসআইকে প্রত্যাহার বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য সরকার নতুন ঘর দিচ্ছে: ত্রাণমন্ত্রী গোপালগঞ্জে বাস-ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে নারীসহ নিহত ৩ কালুখালীতে ৩৭ খামারির মাঝে ১১১ ভেড়া বিতরণ সামান্য বৃষ্টিতেই পানিতে তলিয়ে যায় রাজবাড়ীর বড় বাজার পাংশায় দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকের নিচে চাপা পড়ে চালক নিহত

ঝাল খাবার খেলে গরম লাগে কেন?

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 232

ঝাল জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে অনেকরই মুখে ও জিহ্বায় জ্বালাপোড়া হয়, গরম লাগে। অনেকের কপাল থেকে ঘামও ঝরে। তবে কেন এমন হয়?

বিজ্ঞান বলছে, মরিচের মধ্যে কাপাসাইসিন নামে একটি উপাদান থাকে, যা মূলত এমন অনুভূতির জন্য দায়ী।

ক্যাপসাইসিনয়েড নামের সমধর্মী বেশ কিছু যৌগের মধ্যে এটি অন্যতম। ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে এর। এই উপাদান আবিষ্কারের পর মূলত পোড়া ক্ষতের ব্যথা উপশমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো।

কাপাসাইসিন মুখ-জিহ্বায় থাকা সংবেদী কোষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। রিসেপ্টরগুলো এর ঝাঁজকে তাপ হিসেবে শনাক্ত করে এবং মস্তিষ্কে ভুলভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সংকেত পাঠায়। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংকেতের ফলে মস্তিষ্ক ঝালকে গরম অনুভূতি হিসেবে শনাক্ত করে। এ জন্য ঝাল খাবার খেলে শরীরে তাপমাত্রা বেড়েছে বলে অনুভূত হয়।

এই গরম অনুভূতি এন্ডোরফিন নামের একটি হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয় যা শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, ফলে আরাম বোধ হয়।

তথ্য সূত্র – ইয়াহু লাইফ ডট কম।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঝাল খাবার খেলে গরম লাগে কেন?

প্রকাশের সময় : ০৩:০০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ঝাল জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে অনেকরই মুখে ও জিহ্বায় জ্বালাপোড়া হয়, গরম লাগে। অনেকের কপাল থেকে ঘামও ঝরে। তবে কেন এমন হয়?

বিজ্ঞান বলছে, মরিচের মধ্যে কাপাসাইসিন নামে একটি উপাদান থাকে, যা মূলত এমন অনুভূতির জন্য দায়ী।

ক্যাপসাইসিনয়েড নামের সমধর্মী বেশ কিছু যৌগের মধ্যে এটি অন্যতম। ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে এর। এই উপাদান আবিষ্কারের পর মূলত পোড়া ক্ষতের ব্যথা উপশমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো।

কাপাসাইসিন মুখ-জিহ্বায় থাকা সংবেদী কোষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। রিসেপ্টরগুলো এর ঝাঁজকে তাপ হিসেবে শনাক্ত করে এবং মস্তিষ্কে ভুলভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সংকেত পাঠায়। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংকেতের ফলে মস্তিষ্ক ঝালকে গরম অনুভূতি হিসেবে শনাক্ত করে। এ জন্য ঝাল খাবার খেলে শরীরে তাপমাত্রা বেড়েছে বলে অনুভূত হয়।

এই গরম অনুভূতি এন্ডোরফিন নামের একটি হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয় যা শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, ফলে আরাম বোধ হয়।

তথ্য সূত্র – ইয়াহু লাইফ ডট কম।