Dhaka ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
প্রবাসীদের ওয়ার্ক পারমিট নবায়নে সময়সীমা বাড়াল সৌদি আরব মেসির ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছেন এমবাপ্পে গলায় বাদাম আটকে শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু আজ থেকে বাধ্যতামূলক বাংলা কিউআর, কমবে জাল টাকা ও খুচরার ঝামেলা এমবাপের জোড়া গোলে সুইডেনকে ৩-০ ব্যবধানে উড়িয়ে শেষ ষোলোতে ফ্রান্স রানীনগরে কমিউনিটি পুলিশিং ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হেরে গেলেন ট্রাম্প, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রাখলো মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট ১৫৯ বছরের পুরোনো আইন বাতিল, সংসদে জুয়া প্রতিরোধ আইন পাস জাবিতে ‘পলাশী থেকে বাংলাদেশ: ইতিহাসের শিক্ষা ও বর্তমান প্রেক্ষাপট’ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত ‘আর্জেন্টিনাকে বিদায় করবে কেপ ভার্দে’, ঘানার সেই তান্ত্রিকের ভবিষ্যদ্বাণী

ঝাল খাবার খেলে গরম লাগে কেন?

ডেস্ক নিউজ
  • প্রকাশের সময় : ০৩:০০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / 221

ঝাল জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে অনেকরই মুখে ও জিহ্বায় জ্বালাপোড়া হয়, গরম লাগে। অনেকের কপাল থেকে ঘামও ঝরে। তবে কেন এমন হয়?

বিজ্ঞান বলছে, মরিচের মধ্যে কাপাসাইসিন নামে একটি উপাদান থাকে, যা মূলত এমন অনুভূতির জন্য দায়ী।

ক্যাপসাইসিনয়েড নামের সমধর্মী বেশ কিছু যৌগের মধ্যে এটি অন্যতম। ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে এর। এই উপাদান আবিষ্কারের পর মূলত পোড়া ক্ষতের ব্যথা উপশমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো।

কাপাসাইসিন মুখ-জিহ্বায় থাকা সংবেদী কোষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। রিসেপ্টরগুলো এর ঝাঁজকে তাপ হিসেবে শনাক্ত করে এবং মস্তিষ্কে ভুলভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সংকেত পাঠায়। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংকেতের ফলে মস্তিষ্ক ঝালকে গরম অনুভূতি হিসেবে শনাক্ত করে। এ জন্য ঝাল খাবার খেলে শরীরে তাপমাত্রা বেড়েছে বলে অনুভূত হয়।

এই গরম অনুভূতি এন্ডোরফিন নামের একটি হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয় যা শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, ফলে আরাম বোধ হয়।

তথ্য সূত্র – ইয়াহু লাইফ ডট কম।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

ঝাল খাবার খেলে গরম লাগে কেন?

প্রকাশের সময় : ০৩:০০:০৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

ঝাল জাতীয় খাবার খাওয়ার ফলে অনেকরই মুখে ও জিহ্বায় জ্বালাপোড়া হয়, গরম লাগে। অনেকের কপাল থেকে ঘামও ঝরে। তবে কেন এমন হয়?

বিজ্ঞান বলছে, মরিচের মধ্যে কাপাসাইসিন নামে একটি উপাদান থাকে, যা মূলত এমন অনুভূতির জন্য দায়ী।

ক্যাপসাইসিনয়েড নামের সমধর্মী বেশ কিছু যৌগের মধ্যে এটি অন্যতম। ব্যথানাশক বৈশিষ্ট্য রয়েছে এর। এই উপাদান আবিষ্কারের পর মূলত পোড়া ক্ষতের ব্যথা উপশমে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহার করা হতো।

কাপাসাইসিন মুখ-জিহ্বায় থাকা সংবেদী কোষের সঙ্গে মিথস্ক্রিয়া করে। রিসেপ্টরগুলো এর ঝাঁজকে তাপ হিসেবে শনাক্ত করে এবং মস্তিষ্কে ভুলভাবে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সংকেত পাঠায়। এ ধরনের বিভ্রান্তিকর সংকেতের ফলে মস্তিষ্ক ঝালকে গরম অনুভূতি হিসেবে শনাক্ত করে। এ জন্য ঝাল খাবার খেলে শরীরে তাপমাত্রা বেড়েছে বলে অনুভূত হয়।

এই গরম অনুভূতি এন্ডোরফিন নামের একটি হরমোন নিঃসরণ বাড়িয়ে দেয় যা শরীরে প্রাকৃতিক ব্যথানাশক হিসেবে কাজ করে, ফলে আরাম বোধ হয়।

তথ্য সূত্র – ইয়াহু লাইফ ডট কম।