Dhaka ০৭:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে বাবার আহাজারি, ‘আমার বাচ্চা ফেরত দেন, আর কিছু চাই না’ এলপিজির দাম বাড়ল সাতদিন ধরে চলে ‘বরের মেলা’: সেজেগুজে থাকেন পাত্ররা, পছন্দ করে কিনে নেন কনেরা! জান্তা বাহিনী ও আরাকান আর্মির সংঘাতের প্রভাব সরাসরি বাংলাদেশ সীমান্তে পড়ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আত্রাইয়ে মাদক, বাল্যবিবাহ ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মতবিনিময় আখতারুজ্জামানকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ ২০৩০ সালের মধ্যে শীর্ষ ৩০ অর্থনীতির একটি হতে পারে বাংলাদেশ: ইইউ রাষ্ট্রদূত কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্তের অভিযোগে যুবককে মারধর বাংলাদেশ এখন কৌশলগত গুরুত্বের অংশীদার: ইইউ রাষ্ট্রদূত যানজট কমাতে বৃত্তাকার সড়কের কাজ দ্রুত করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর
রাজবাড়ীতে ছড়া উৎসব

‘মীর মশাররফ হোসেন নিজের আলোয় আলোকিত একজন মানুষ’

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • / 267

রাজবাড়ী মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের উদোগে শনিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দিনব্যাপী ছড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ছড়া উৎসবের উদ্বোধন করেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ লেখক গবেষক প্রফেসর ড. ফকীর আব্দুর রশীদ, রাজবাড়ী সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর একেএম ইকরামুল হক, রাজবাড়ী ডা. আবুল হোসেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চৌধুরী আহসানুল করিম হিটু।
বিশেষ অতিথি ড. ফকীর আব্দুর রশীদ বলেন, ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাবস্থায় তাদের শিক্ষক মুনীর চৌধুরীর পরামর্শে বালিয়াকান্দির পদমদী গ্রামে গিয়ে মীর মশাররফ হোসেনের কবর খুঁজে বের করেন। কবরটি খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার দেখানো পথেই আমরা চলছি। আমরা সত্যের সন্ধানে, সুন্দরের সন্ধানে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে যাবো। যত বাধা বিপত্তিই আসুক আমাদের সেটা অতিক্রম করতেই হবে। কবিতা আমাদের সে শিক্ষাই দেয়।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মীর মশাররফ হোসেন নিজের আলোয় আলোকিত একজন মানুষ। তার লেখনির মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি আমাদের গর্ব। ছড়া বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি প্রাচীন ধারা। দেড় হাজার বছর আগে কবিয়ালরা সাহিত্য চর্চা করতেন। পরবর্তীতে সেটিকে আস্তে আস্তে সাহিত্যের ধারায় নিয়ে এসেছেন কবি সাহিত্যিকেরা। ছড়া নিয়ে এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
ছড়া উৎসব উপলক্ষে কাব্য কথার অনুরণন নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়েছে। উদ্বোধনী পর্বে সেটির মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ।
বিকেলে সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন লেখক ও প্রাবন্ধিক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি নাসিম শফি, কবি আলম আরা জুই প্রমুখ। উভয় পর্বে সভাপতিত্ব করেন মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের সভাপতি কবি সালাম তাসির।
দিনব্যাপী উৎসবে স্বরচিত ছড়া পাঠ, শিশুদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অবদান রাখায় চারটি সংগঠন এবং একজন ব্যক্তিকে সম্মাননা জানানো হয়। সংগঠগুলো হলো পাংশার সাহিত্য উন্নয়ন পরিষদ, গোয়ালন্দের একজ, রাজবাড়ী ডিবেট এসোসিয়েশন, বালিয়াকান্দি আদর্শ লাইব্রেরি ও ফরিদপুরের কবি আলীম আল রাজী আজাদ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজ্জাকুল আলম।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে ছড়া উৎসব

‘মীর মশাররফ হোসেন নিজের আলোয় আলোকিত একজন মানুষ’

প্রকাশের সময় : ০৬:২৪:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

রাজবাড়ী মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের উদোগে শনিবার জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে দিনব্যাপী ছড়া উৎসব অনুষ্ঠিত হয়।
সকালে প্রধান অতিথি হিসেবে ছড়া উৎসবের উদ্বোধন করেন রাজবাড়ীর জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী সরকারি কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ লেখক গবেষক প্রফেসর ড. ফকীর আব্দুর রশীদ, রাজবাড়ী সরকারি আদর্শ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর একেএম ইকরামুল হক, রাজবাড়ী ডা. আবুল হোসেন কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ চৌধুরী আহসানুল করিম হিটু।
বিশেষ অতিথি ড. ফকীর আব্দুর রশীদ বলেন, ১৯৬১ সালে তিনি ঢাকা বিশ^বিদ্যালয়ের ছাত্র থাকাবস্থায় তাদের শিক্ষক মুনীর চৌধুরীর পরামর্শে বালিয়াকান্দির পদমদী গ্রামে গিয়ে মীর মশাররফ হোসেনের কবর খুঁজে বের করেন। কবরটি খুবই অন্ধকারাচ্ছন্ন ও জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়ে ছিল। মীর মশাররফ হোসেন বাংলা সাহিত্যের উজ্জ্বল নক্ষত্র। তার দেখানো পথেই আমরা চলছি। আমরা সত্যের সন্ধানে, সুন্দরের সন্ধানে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে যাবো। যত বাধা বিপত্তিই আসুক আমাদের সেটা অতিক্রম করতেই হবে। কবিতা আমাদের সে শিক্ষাই দেয়।
প্রধান অতিথি জেলা প্রশাসক জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মীর মশাররফ হোসেন নিজের আলোয় আলোকিত একজন মানুষ। তার লেখনির মাধ্যমে তিনি বাংলা সাহিত্যকে সমৃদ্ধ করেছেন। নিঃসন্দেহে তিনি আমাদের গর্ব। ছড়া বাংলা সাহিত্যের অন্যতম একটি প্রাচীন ধারা। দেড় হাজার বছর আগে কবিয়ালরা সাহিত্য চর্চা করতেন। পরবর্তীতে সেটিকে আস্তে আস্তে সাহিত্যের ধারায় নিয়ে এসেছেন কবি সাহিত্যিকেরা। ছড়া নিয়ে এমন আয়োজন নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবি রাখে।
ছড়া উৎসব উপলক্ষে কাব্য কথার অনুরণন নামে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশ করা হয়েছে। উদ্বোধনী পর্বে সেটির মোড়ক উন্মোচন করেন অতিথিবৃন্দ।
বিকেলে সমাপনী পর্বে প্রধান অতিথি ছিলেন লেখক ও প্রাবন্ধিক কবি রেজাউদ্দিন স্টালিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন রাজবাড়ী সাহিত্য পরিষদের সভাপতি নাসিম শফি, কবি আলম আরা জুই প্রমুখ। উভয় পর্বে সভাপতিত্ব করেন মীর মশাররফ হোসেন স্মৃতি সংসদের সভাপতি কবি সালাম তাসির।
দিনব্যাপী উৎসবে স্বরচিত ছড়া পাঠ, শিশুদের বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। এছাড়া সামাজিক সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে অবদান রাখায় চারটি সংগঠন এবং একজন ব্যক্তিকে সম্মাননা জানানো হয়। সংগঠগুলো হলো পাংশার সাহিত্য উন্নয়ন পরিষদ, গোয়ালন্দের একজ, রাজবাড়ী ডিবেট এসোসিয়েশন, বালিয়াকান্দি আদর্শ লাইব্রেরি ও ফরিদপুরের কবি আলীম আল রাজী আজাদ।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক রাজ্জাকুল আলম।