Dhaka ১১:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

বালিয়াকান্দিতে ভুয়া মন্দির দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ১৩২৮ জন সংবাদটি পড়েছেন

Exif_JPEG_420

জনতার আদালত অনলাইন ॥ অস্তিত্বহীন, ভুয়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবিতে রোববার  রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে।

সচেতন গ্রামবাসী, সাধুখালী, বালিয়াকান্দির আয়োজনে বালিয়াকান্দি উপজেলার সাধুখালী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায়  এ মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন নোহাটা কলেজের অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ বাছাড়, শৈলকুপা কলেজের প্রভাষক সরজিৎ সরকার, ইউপি সদস্য গৌর চন্দ্র বিশ্বাস, অখিল সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রামগোপাল চট্টপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক নিতিশ চন্দ্র মন্ডল ভুয়া মন্দির দেখিয়ে সরকারি চাল আত্মসাৎ করেছেন। এটি আমাদের হিন্দু ধর্মে কালিমা লেপন করা হয়েছে। এরা দুজন বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গেও জড়িত। তাদের অবিলম্বে পদ থেকে অপসারণ সহ আইনের আওতায় আনা হোক।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ নভেম্বর তারিখে দৈনিক সমকালে ‘মন্দিরের অস্তিত্ব নেই, তবু চাল বরাদ্দ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

বালিয়াকান্দিতে ভুয়া মন্দির দেখিয়ে অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবি

প্রকাশের সময় : ০৭:০৬:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ৬ ডিসেম্বর ২০২০

জনতার আদালত অনলাইন ॥ অস্তিত্বহীন, ভুয়া ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে সরকারি বরাদ্দের অর্থ আত্মসাতের সঙ্গে জড়িতদের শাস্তি দাবিতে রোববার  রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে মানববন্ধন ও সমাবেশ হয়েছে।

সচেতন গ্রামবাসী, সাধুখালী, বালিয়াকান্দির আয়োজনে বালিয়াকান্দি উপজেলার সাধুখালী ব্রীজ সংলগ্ন এলাকায়  এ মানববন্ধনে বক্তৃতা করেন নোহাটা কলেজের অধ্যক্ষ রমেন্দ্রনাথ বাছাড়, শৈলকুপা কলেজের প্রভাষক সরজিৎ সরকার, ইউপি সদস্য গৌর চন্দ্র বিশ্বাস, অখিল সরকার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, বালিয়াকান্দি উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি রামগোপাল চট্টপাধ্যায় ও সাধারণ সম্পাদক নিতিশ চন্দ্র মন্ডল ভুয়া মন্দির দেখিয়ে সরকারি চাল আত্মসাৎ করেছেন। এটি আমাদের হিন্দু ধর্মে কালিমা লেপন করা হয়েছে। এরা দুজন বিভিন্ন অপকর্মের সঙ্গেও জড়িত। তাদের অবিলম্বে পদ থেকে অপসারণ সহ আইনের আওতায় আনা হোক।

প্রসঙ্গত, গত ৩০ নভেম্বর তারিখে দৈনিক সমকালে ‘মন্দিরের অস্তিত্ব নেই, তবু চাল বরাদ্দ’ শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়।