Dhaka ১০:১১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৪, ৩ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

রাজবাড়ীতে ধর্ষণে অন্ত্বসত্ত্বা প্রতিবন্ধী কিশোরী ॥ ৫ মাস পর মামলা

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৭:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
  • / ১৪১০ জন সংবাদটি পড়েছেন

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন এলাকায় প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা হয়েছে। ওই কিশোরী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্ত্বসত্ত্বা। গত বৃহস্পতিবার কিশোরীর বড় ভাই বাদী হয়ে আকাশ মোল্লা নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। আকাশ মোল্লা একই ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের নান্নু মন্ডলের ছেলে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই দিন পর ওই কিশোরী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় আকাশ তাকে জোর করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। যেকারণে সে কাউকে কথাটি বলেনি। দুই মাস পর তার শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে জানা যায় সে অন্ত্বসত্ত্বা। তখন কিশোরী আকাশের নাম বলে। এরপর স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আকাশ সালিসের রায় মানেনি। যেকারণে মামলা করতে তাদের দেরি হয়েছে।
মিজানপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান জানান, ঘটনাটি সত্য। ভুক্তভোগীরা আমার কাছে এসেছিল। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি। এসব ঘটনা সালিসে মীমাংসা করা যায়না।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। যেহেতু কিশোরী অন্ত্বসত্ত্বা, তাই ডাক্তারী পরীক্ষার প্রয়োজন পড়েনি। আসামি আকাশকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

রাজবাড়ীতে ধর্ষণে অন্ত্বসত্ত্বা প্রতিবন্ধী কিশোরী ॥ ৫ মাস পর মামলা

প্রকাশের সময় : ০৭:৫৪:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯

জনতার আদালত অনলাইন ॥ রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন এলাকায় প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাজবাড়ী সদর থানায় মামলা হয়েছে। ওই কিশোরী বর্তমানে পাঁচ মাসের অন্ত্বসত্ত্বা। গত বৃহস্পতিবার কিশোরীর বড় ভাই বাদী হয়ে আকাশ মোল্লা নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। আকাশ মোল্লা একই ইউনিয়নের মহাদেবপুর গ্রামের নান্নু মন্ডলের ছেলে। ধর্ষণের শিকার কিশোরী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী।
ভুক্তভোগীর পরিবার ও মামলা সূত্রে জানা যায়, পবিত্র ঈদুল ফিতরের দুই দিন পর ওই কিশোরী প্রাইভেট পড়ে বাড়ি ফেরার সময় আকাশ তাকে জোর করে একটি পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। যেকারণে সে কাউকে কথাটি বলেনি। দুই মাস পর তার শারীরিক পরিবর্তন দেখা দিলে তাকে ডাক্তারের কাছে নিয়ে জানা যায় সে অন্ত্বসত্ত্বা। তখন কিশোরী আকাশের নাম বলে। এরপর স্থানীয়ভাবে সালিসের মাধ্যমে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু আকাশ সালিসের রায় মানেনি। যেকারণে মামলা করতে তাদের দেরি হয়েছে।
মিজানপুর ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান জানান, ঘটনাটি সত্য। ভুক্তভোগীরা আমার কাছে এসেছিল। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি। এসব ঘটনা সালিসে মীমাংসা করা যায়না।
রাজবাড়ী সদর থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। যেহেতু কিশোরী অন্ত্বসত্ত্বা, তাই ডাক্তারী পরীক্ষার প্রয়োজন পড়েনি। আসামি আকাশকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।