Dhaka ১১:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০২৪, ২৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

কালুখালী উপজেলা নির্বাচনে নুরে আলম সিদ্দিকীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে

সংবাদদাতা-
  • প্রকাশের সময় : ০৯:১৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯
  • / ১৪৭৩ জন সংবাদটি পড়েছেন


জনতার আদালত অনলাইন ॥ নিরাহংকারী বলতে যা তা নুরে আলম সিদ্দিকী হক। সবাইকে সমান চোখে দেখেন তিনি। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চ স্তর পর্যন্ত সবার সাথে মিশতে পারেন তিনি। তার চলাফেরায় কেতাদুরস্ত ভাব নেই। মাটি ও মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক। নিজে যতটা সহজ সরল। ভালোবাসেনও সবাইকে সরলভাবে। আসন্ন কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী তিনি। ইতিমধ্যে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক। যেখানেই যাচ্ছেন প্রচন্ড সাড়া তার পক্ষে। গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে নুরে আলম সিদ্দিকী হকের পক্ষে। তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, নুরে আলম সিদ্দিকী হক চেয়ারম্যান হলে আমরা পরিষদে গিয়ে আমাদের মনের কথা প্রাণের কথা বলতে পারবো। তিনি পরোপকারী। উপকার করা যেন তার নেশা। এজন্য হকের মত একজনকেই কালুখালী উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে দরকার।
ভোটাররা জানান, নির্বাচনে অন্য তিন প্রার্থী থাকলেও তাদের পক্ষে খুব একটা সাড়া নেই।
ছাত্রজীবন থেকেই নুরে আলম সিদ্দিকী হক আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৬ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃগী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হক ২০০৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর রাজবাড়ী জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংগঠন পরিচালনায় দিয়েছেন দক্ষতার পরিচয়। সংগঠনকে করেছেন গতিশীল। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচন প্রতিহত ও বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে রেখেছেন জোরালো ভূমিকা। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী দলের দুঃসময়ে তার অগ্রণী ভূমিকাও প্রসশংনীয়। ২০১৪ সালে কালুখালী উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে হারলেও ছিলেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের মতে, কোনো এক প্রভাবশালীর ইশারায় তাকে জোরপূর্বক হারানো হয়েছিল ওই নির্বাচনে।
নির্বাচনে পরাজিত হলেও ভোটের মাঠ ছাড়েননি তিনি। কালুখালী উপজেলা এলাকায় তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

কালুখালী উপজেলা নির্বাচনে নুরে আলম সিদ্দিকীর জনপ্রিয়তা তুঙ্গে

প্রকাশের সময় : ০৯:১৯:০০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১২ জুন ২০১৯


জনতার আদালত অনলাইন ॥ নিরাহংকারী বলতে যা তা নুরে আলম সিদ্দিকী হক। সবাইকে সমান চোখে দেখেন তিনি। খেটে খাওয়া মানুষ থেকে শুরু করে সমাজের উচ্চ স্তর পর্যন্ত সবার সাথে মিশতে পারেন তিনি। তার চলাফেরায় কেতাদুরস্ত ভাব নেই। মাটি ও মানুষের সাথে তার নিবিড় সম্পর্ক। নিজে যতটা সহজ সরল। ভালোবাসেনও সবাইকে সরলভাবে। আসন্ন কালুখালী উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী তিনি। ইতিমধ্যে সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন নুরে আলম সিদ্দিকী হক। যেখানেই যাচ্ছেন প্রচন্ড সাড়া তার পক্ষে। গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে নুরে আলম সিদ্দিকী হকের পক্ষে। তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে। স্থানীয় ভোটাররা বলছেন, নুরে আলম সিদ্দিকী হক চেয়ারম্যান হলে আমরা পরিষদে গিয়ে আমাদের মনের কথা প্রাণের কথা বলতে পারবো। তিনি পরোপকারী। উপকার করা যেন তার নেশা। এজন্য হকের মত একজনকেই কালুখালী উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান হিসেবে দরকার।
ভোটাররা জানান, নির্বাচনে অন্য তিন প্রার্থী থাকলেও তাদের পক্ষে খুব একটা সাড়া নেই।
ছাত্রজীবন থেকেই নুরে আলম সিদ্দিকী হক আওয়ামী রাজনীতির সাথে জড়িত। ১৯৯৬ সালে মাত্র ২১ বছর বয়সে মৃগী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন। সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হক ২০০৪ সাল থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত টানা ১৩ বছর রাজবাড়ী জেলা কৃষকলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। সংগঠন পরিচালনায় দিয়েছেন দক্ষতার পরিচয়। সংগঠনকে করেছেন গতিশীল। ১৯৯৬ সালে ১৫ ফেব্রুয়ারি একতরফা নির্বাচন প্রতিহত ও বিএনপি সরকার বিরোধী আন্দোলনে রাজপথে থেকে রেখেছেন জোরালো ভূমিকা। ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী দলের দুঃসময়ে তার অগ্রণী ভূমিকাও প্রসশংনীয়। ২০১৪ সালে কালুখালী উপজেলা পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করে পরাজিত হলেও মানুষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম হয়েছিলেন। খুব অল্প ভোটের ব্যবধানে হারলেও ছিলেন নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি। নির্বাচনী এলাকার সাধারণ ভোটারদের মতে, কোনো এক প্রভাবশালীর ইশারায় তাকে জোরপূর্বক হারানো হয়েছিল ওই নির্বাচনে।
নির্বাচনে পরাজিত হলেও ভোটের মাঠ ছাড়েননি তিনি। কালুখালী উপজেলা এলাকায় তার জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে।