Dhaka ০৫:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
গুরুত্বপূর্ণ সংবাদ:
মক্কা লক্ষ্য করে ড্রোন হামলায় নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ কালুখালীতে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের ৪ দিনব্যাপী ভ্রাম্যমাণ বইমেলা ও সাংস্কৃতিক উৎসব শুরু সার সরবরাহ ও কৃষি কার্ডসহ ১১ দফা দাবিতে রাজবাড়ীতে কৃষক সমিতির মানববন্ধন জাবিতে র‍্যাগিংয়ের দুই ঘটনায় ২০ শিক্ষার্থীকে ৬ লাখ ১৫ হাজার টাকা জরিমানা জবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার ইংরেজিকে হারিয়ে আবারও জাবি আন্তঃবিভাগ ফুটবলের ফাইনালে অর্থনীতি আমির হামজার নামে মামলা করার হুমকি এমপি ফরিদার নিয়ামতপুরে ৫৫০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ জন আটক মুজিব হত্যাকারীকে হস্তান্তর, জুলাই হত্যাকারীদের কেন নয় : ভারতকে রিজভী ৩০ বছর পর বার্সেলোনায় ফিরছে চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল

সার সরবরাহ ও কৃষি কার্ডসহ ১১ দফা দাবিতে রাজবাড়ীতে কৃষক সমিতির মানববন্ধন

স্টাফ রিপোর্টার
  • প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • / 15

সরকার নির্ধারিত দামে কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, কৃষিপণ্যে ধলতা ও তোলাবাজি বন্ধ এবং প্রকৃত কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়াসহ ১১ দফা দাবিতে রাজবাড়ীর পাংশায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাংশা উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা কৃষক সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন।

এতে বক্তব্য দেন রাজবাড়ী জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মন্ডল, পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কৃষক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোস দাস।

বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি হলেও কৃষক সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। ফসল উৎপাদনে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের বাজার দীর্ঘদিন ধরে অস্থিতিশীল। তাঁদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিভিন্ন এলাকায় সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। বেশি টাকা দিলে সারের সংকট থাকে না—এমন অভিযোগ করে তাঁরা সারের ‘সিন্ডিকেট’ বন্ধের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, অতিরিক্ত খরচে উৎপাদিত ফসল বাজারে নেওয়ার পর কৃষকদের কাছ থেকে ধলতা নেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনের মুখে সরকার ধলতা প্রথা বাতিল করলেও হাটবাজারে পেঁয়াজ, রসুন, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যে তা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন বক্তারা।

তাঁরা বলেন, সরকার কৃষি কার্ড দিচ্ছে। এ কার্ড যাতে প্রকৃত কৃষকেরা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করেন কৃষক সমিতির নেতাকর্মীরা। পরে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

১১ দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে—ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরকারি ক্রয়, ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত, সার-বীজ-কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম কমানো, সবজি সংরক্ষণে পর্যাপ্ত হিমাগার নির্মাণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিএডিসি সচল করা, পল্লী রেশন ও শস্যবীমা চালু এবং পল্লী বিদ্যুৎ ও ভূমি অফিসের অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতি বন্ধ করা।

Tag :

সংবাদটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন-

সার সরবরাহ ও কৃষি কার্ডসহ ১১ দফা দাবিতে রাজবাড়ীতে কৃষক সমিতির মানববন্ধন

প্রকাশের সময় : ০৪:০৭:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬

সরকার নির্ধারিত দামে কৃষকদের সার সরবরাহ নিশ্চিত করা, কৃষিপণ্যে ধলতা ও তোলাবাজি বন্ধ এবং প্রকৃত কৃষকদের কৃষি কার্ড দেওয়াসহ ১১ দফা দাবিতে রাজবাড়ীর পাংশায় মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি।

বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পাংশা উপজেলা পরিষদের সামনে উপজেলা কৃষক সমিতির উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা কৃষক সমিতির সভাপতি মো. তোফাজ্জেল হোসেন।

এতে বক্তব্য দেন রাজবাড়ী জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি আব্দুস সামাদ মিয়া, জেলা কৃষক সমিতির সভাপতি আব্দুস সাত্তার মন্ডল, পাংশা উপজেলা কৃষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কৃষক নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা সন্তোস দাস।

বক্তারা বলেন, দেশের অর্থনীতির প্রধান ভিত্তি কৃষি হলেও কৃষক সবচেয়ে বেশি অবহেলিত। ফসল উৎপাদনে প্রয়োজনীয় রাসায়নিক সারের বাজার দীর্ঘদিন ধরে অস্থিতিশীল। তাঁদের অভিযোগ, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে বিভিন্ন এলাকায় সার কিনতে হচ্ছে কৃষকদের। বেশি টাকা দিলে সারের সংকট থাকে না—এমন অভিযোগ করে তাঁরা সারের ‘সিন্ডিকেট’ বন্ধের দাবি জানান।

বক্তারা আরও বলেন, অতিরিক্ত খরচে উৎপাদিত ফসল বাজারে নেওয়ার পর কৃষকদের কাছ থেকে ধলতা নেওয়া হচ্ছে। আন্দোলনের মুখে সরকার ধলতা প্রথা বাতিল করলেও হাটবাজারে পেঁয়াজ, রসুন, পাটসহ বিভিন্ন কৃষিপণ্যে তা নেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তাঁরা। এ বিষয়ে প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেন বক্তারা।

তাঁরা বলেন, সরকার কৃষি কার্ড দিচ্ছে। এ কার্ড যাতে প্রকৃত কৃষকেরা পান, তা নিশ্চিত করতে হবে।

মানববন্ধন শেষে একটি সংক্ষিপ্ত বিক্ষোভ মিছিল বের করেন কৃষক সমিতির নেতাকর্মীরা। পরে পাংশা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে স্মারকলিপি দেওয়া হয়।

১১ দফা দাবির মধ্যে আরও রয়েছে—ইউনিয়ন পর্যায়ে সরকারি ক্রয়কেন্দ্র চালু, সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে সরকারি ক্রয়, ফসলের লাভজনক দাম নিশ্চিত, সার-বীজ-কীটনাশকসহ কৃষি উপকরণের দাম কমানো, সবজি সংরক্ষণে পর্যাপ্ত হিমাগার নির্মাণ, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ, বিএডিসি সচল করা, পল্লী রেশন ও শস্যবীমা চালু এবং পল্লী বিদ্যুৎ ও ভূমি অফিসের অনিয়ম, হয়রানি ও দুর্নীতি বন্ধ করা।